
এবারের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ২য় ধাপে রাজ্যের ৩০টি আসনে ভোট শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোটে সবার নজর নন্দীগ্রাম আসনে। সেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে লড়ছেন তার একসময়ের মিত্র থেকে শত্রু বনে যাওয়া বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।
এনডিটিভি ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে একই দিনে অসমে ৩৯টি আসনেও ভোট শুরু হয়েছে । এই বিধানসভা নির্বাচনে শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল নন্দীগ্রাম আসনটি। এ আসনের প্রচারে ছিল সে উত্তাপ। প্রচারের শেষ দিন মঙ্গলবার শুভেন্দুকে বিশ্বাসঘাতক বলে মন্তব্য করেছিলেন মমতা।
জবাবে শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রীকে ৫০ হাজার ভোটে হারানোর কথা বলেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামের আদি বাসিন্দা শুভেন্দু। ওই এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য তিনি। ২০০৭ সালে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল বামফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রশাসন বিশেষ অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নন্দীগ্রামে স্থানীয়দের উচ্ছেদের মাধ্যমে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু করে।
ওই সময় মমতার নির্দেশে শুভেন্দুর নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু হয়। ওই আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে ১৪ জন মানুষের মৃত্যু হয়। প্রতিবাদের মুখে একপর্যায়ে পিছু হটতে বাধ্য হয় বামফ্রন্ট সরকার। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পেছনে নন্দীগ্রাম আন্দোলন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। মমতার জয়ের মধ্য দিয়ে বামফ্রন্টের ৩৪ বছরের শাসনামলের অবসান হয়।
মমতার ভাইয়ের ছেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে গত বছরের ডিসেম্বরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু। দল ছেড়ে শুভেন্দুর চলে যাওয়াকে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখেন মমতা। তাই নিজ এলাকা ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিপক্ষে লড়াইয়ে নামেন তিনি। ওই আসনে মূলত হচ্ছে মমতা ও শুভেন্দুর মর্যাদার লড়াই। নন্দীগ্রাম এলাকার প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ মুসলমান।
ভোটের ফল নির্ধারণে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভারতজুড়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে। এ ধাপে পশ্চিম মেদিনীপুরের ৯টি, বাঁকুড়ার ৮টি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৪টি ও পূর্ব মেদিনীপুরের ৯টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে।
অন্যদিকে অসমে ১২৬টি আসনের মধ্যে ৩৯টিতে ভোট হচ্ছে। সেখানে প্রার্থীদের মধ্যে চার মন্ত্রী, ডেপুটি স্পিকারও রয়েছেন। ২০১৬ সালের নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপি ২২টি আসনে জয়ী হয়। অসম গণপরিষদ ২টি, বোড়োল্যান্ড পিপলস ফ্রন্ট ৪ আসনে জয় পায়। গত ২৭ মার্চে শুরু হওয়া বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম ধাপে পশ্চিমবঙ্গে ৮৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ ও অসমে ৭৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ মানুষ ভোট দেয়। আগামী ২ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হবে।
- ১বিএনপি নব্য স্বৈরাচার হওয়ার পথে হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম
- ২ডিজিটাল ট্রেড ও ফ্রিল্যান্সারদের সহায়তায় একাধিক নতুন বিধান
- ৩স্বাস্থ্যখাতে গবেষণায় খুবই কম ব্যয় করা হচ্ছে: জিয়াউদ্দিন হায়দার
- ৪আলোচিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন কারাগারে
- ৫পাবনায় যমুনা ব্যাংকের উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী, সনদ ও ক্রেস্ট বিতরণ
- ৬মৌলিক প্রশিক্ষণ নেওয়া ৫৬ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি
- ৭ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ‘বাংলা কিউআর’ চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক
- ৮আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত
- ৯সিরাজগঞ্জে নদীভাঙন কবলিতদের পাশে জেলা প্রশাসক
- ১০২০২৬ সালের মধ্যে বন্ধ কারখানা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- ১জবির নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্প নিয়ে ভয়ংকর নীলনকশা!
- ২নেশা চক্রের খপ্পরে অচেতন গরু ব্যবসায়ী, উদ্ধারের দুই দিন পর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল ‘আজকের তারুণ্য’
- ৩বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ
- ৪চাঁদপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
- ৫সরকারি বীজ খোলা বাজারে অবৈধভাবে বিক্রির দায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড
- ৬শুধু নিরাময় নয়, রোগ প্রতিরোধে মনোযোগ দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ৭নবীনগর উপজেলা পরিষদে মাতৃদুগ্ধ কর্নার ও নারীদের নামাজের স্থান চালু
- ৮টেকসই অর্থায়নে উল্লম্ফন, কমেছে পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে বিনিয়োগ
- ৯বাকৃবিতে স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
- ১০একটি সাক্ষরের ভুলে ভেঙে গেল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন





পাঠকের মতামত