প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২ ১:২০ পিএম

মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার সীমাখালী বাজার থেকে তিন কিলোমিটার এগিয়ে গেলেই ছান্দড়া গ্রাম। এখানে দেখা মিলবে মোগল আমলের এক জমিদার বাড়ির। কালের সাক্ষী হয়ে এখনও টিকে আছে বাড়িটির ধ্বংসাবশেষ। মোগল আমলের প্রথমার্ধে বাড়িটি নির্মাণ করেন জমিদার অলঙ্গন মোহন দেব রায়।

আশপাশের অঞ্চলের মধ্যে একমাত্র ছান্দড়ার জমিদার ছিলেন অত্যন্ত প্রতাপশালী। এ বাড়ি থেকেই মূলত এলাকার কর-খাজনা আদায় ও শাসনকাজ পরিচালনা করা হতো। এ সবই আজ ইতিহাসের অংশ। কালের পরিক্রমায় এখন সবই ধুলোমলিন। ভেঙে পড়ছে জমিদার বাড়ির দেয়াল, ইটে ধরেছে নোনা। ঝুরঝুরে দেয়াল থেকে খসে পড়েছে দরজা-জানালা।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে গেছে জমিদারের ব্যবহৃত হাতিশালা ও পুকুরভরা ব্যাঙের অস্তিত্ব। কালের সাক্ষী হিসেবে টিকে আছে ভাঙাচোরা এ জমিদার বাড়ি, শান বাঁধানো পুকুরঘাট, কালীমন্দির ও শতবর্ষী আমগাছ।

ছান্দড়া গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি স্বপন মুখার্জির সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, অলঙ্গন মোহন দেব রায় এই এলাকার প্রভাবশালী জমিদার ছিলেন। এই বাড়ি থেকে এলাকার কর-খাজনা আদায় ও শাসনকার্য পরিচালনা করা হতো। কালের সাক্ষী হয়ে এখন শুধু টিকে আছে এই ধ্বংসাবশেষ বাড়িটি। এই জমিদার বাড়ির পাশে গাঙ্গুলিয়াদের (ভারতীয় ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলির পূর্বপুরুষের) বাড়ি ছিল। পরবর্তীতে তারা কলকাতায় চলে যান।

তবু প্রতিদিন ভ্রমণপিপাসুরা জমিদার বাড়ি দেখতে আসেন। বাড়িটির অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারলে এটি হতে পারে অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র। সংরক্ষণের উদ্যোগ না নেওয়া হলে, অচিরেই মোগল আমলের এই ঐতিহাসিক নিদর্শনটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।এ বিষয়ে এলাকাবাসী সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন কামনা করেছে।

শেয়ার

পাঠকের মতামত

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে চরফ্যাশনের তিন থানায় জামায়াতের গণমিছিল

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে জুলাইয়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দায়ে অভিযুক্তদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন, মানবতাবিরোধী অপরাধের ...

চকরিয়ার যাত্রীদের জন্য নতুন ট্রেন চালুর পরিকল্পনার ইঙ্গিত

কক্সবাজারের আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় (লিজ) পরিচালনার সম্ভাবনা ও সক্ষমতা যাচাইয়ে দুই দিনের সফরে ...

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেলেন সরিষাবাড়ীর হুমায়ুন করিম

বাংলাদেশ সরকারের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন জামালপুরের সরিষাবাড়ীর কৃতি সন্তান অ্যাডভোকেট মো: ...