
দফায় দফায় লকডাউনে দেশের সাধারণ নাগরিকদের জীবন নাকাল।সমাজের উপর মহল সরকারি বিভিন্ন অনুদান পেলেও বঞ্চিত রয়ে যায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠি সহ নিম্ন আয়ের শ্রেনী। কিন্তু এরপরেও দেশের বৃহৎ স্বার্থে নাগরিকদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজনে, চলমান মহামারিতে সরকারের নীতিনির্ধারকরা লকডাউনের বিকল্প কিছু ভাবতে পারতেছে না। কারণ সু-পরিকল্পিত ও কার্যকর লকডাউন বিশ্বের বহু দেশেই সুফল বয়ে এনেছে। কিন্তু আমাদের মত রাষ্ট্রে কি তা আদৌ সম্ভব? প্রশ্ন থেকেই যায়।
যাক আমি সে বিষয়ে না এগিয়ে বরং তুলে ধরার চেষ্টা করব, সাধারণ মানুষ লকডাউনে কেমন আছে। কেমন আছে তা জানার ধারাবাহিকতায় এবার গিয়েছিলাম পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। সাত সকালে খাগড়াছড়ি শহরে পৌঁছেই বুকের ভিতরটা হাহাকার করে উঠল। ঈদের পরদিন। ট্রাভেলারদের পদচারণায় থাকবে মুখর। অথচ শহরের প্রাণ কেন্দ্র শাপলা চত্তরসহ সর্বত্র সুনশান। আবাসিক হোটেল গুলো পুরোই ফাঁকা। পর্যটক নির্ভর ব্যবসায়ীদের বুকের ভিতর চাপা কান্না। নাম না লেখার শর্তে কেউ কেউ বললেন, অপরিকল্পিত লকডাউনে করোনা প্রতিরোধের সুফল পাবার চাইতে উল্টোটাই বেশি হবার সম্ভাবনা রয়েছে। মাঝখান হতে সাধারণ ব্যবসায়িরা পুঁজি হারিয়ে ফতুর। পর্যটনের উপর নির্ভরশীল ব্যবসায়ীরা সাধারণত সারা বছরের লোকসানের ক্ষতি দুই ঈদে কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করেন। সেই জায়গায় বিগত দুইবছর যাবৎ প্রায় বন্ধ। এরকম দুর্দশা সারাদেশের পর্যটন অঞ্চল গুলোর। যা ভবিষ্যৎ এ বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প বিকাশে বিশাল প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।
শহর ছেড়ে এবার ছুটি পাহাড়ি পাড়া গুলোর পথে। পানছড়ি রোডের পেরাছড়া ব্রীক ফিল্ড এলাকায় গিয়ে দেখা হয় জগত জ্যোতি ত্রিপুরার সঙ্গে। কথা প্রসঙ্গে তিনি লকডাউনের পাশাপাশি তাদের স্থানীয় সমস্যা গুলোও তুলে ধরেন। জগত জ্যোতি জানান চেঙ্গী নদীর এপাশটায় যদি একটা বেইলি ব্রীজ করে দেয়া হয় তাহলে পাড়ায় বসবাস করা বাসিন্দাদের পাশাপাশি দূরদূরান্ত হতে মায়ুং কপাল দেখতে আসা পর্যটকরাও এর সুফল পাবে। নদী পার হয়ে হাঁটতে হাটঁতে দেখি চ্যেলাছড়া লক্ষী নারায়ণ মন্দির। জ্যোতি ত্রিপুরা দাবি জানান মন্দিরটির তহবিলে আসা অনুদানের অর্থ আয়ব্যয় সম্পর্কে তুলে ধরতে। কিন্তু তার জবানবন্দি রেকর্ড না থাকায় লেখা সম্ভব হল না। আমাদের গন্তব্য মায়ুং কপাল পাহাড় পর্যন্ত। পুরোটা পথ হেঁটেই যেতে হবে। হাঁটতে হাঁটতে পথের পাশের এক দোকানে বসি। চা বিস্কেটের দোকানটি পরিচালনা করে থাকে দীপা নামের এক যুবতি। লকডাউনে তাদের ব্যবসার অবস্থা ভাল না। আমরা ছাড়া বাহিরের কোন আগুন্তক নেই। চলমান লকডাউনে পরিস্থিতি এতাটাই নাজুক, দোকানের পেছনেই থাকা বাগান হতে সদ্য পেড়ে আনা রাঙগুই আমের কেজি মাত্র ১৫টাকা। আমের স্বাদ ও ঘ্রাণও বেশ। এরকমভাবে চলতে চলতে মুয়ুং কপাল পর্যন্ত দেখা অনেক দোকান ক্রেতার অভাবে বন্ধই ছিলো। কারণ এসব দোকানিরা মূলত পর্যটক নির্ভর। এই দেশের অধিকাংশ মানুষ নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণৗ গোষ্ঠির। তারা এখন পুঁজি হারিয়ে প্রায় সর্বস্বান্ত। এতে করে বাড়বে দারিদ্রতা। ঝুঁকিতে পড়বে সামাজিক নীতি নৈতিকতা। পরিস্থিতি নাগালের বাহিরে যাবার আগেই প্রয়োজন লকডাউন সর্ম্পকে দূরদর্র্শী মহা পরিকল্পণা। আর বোদ্ধা মহলের বদ্ধমূল ধারণা লকডাউন কোন সমাধান নয়। চাই যথোপযুক্ত নাগরিকদের স্বাস্থ্য সেবার নিশ্চয়তা।
চীফ অর্গানাইজার দে-ছুট ভ্রমণ সংঘ
- ১পাটজাত পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণে দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগ
- ২আতাইকুলায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে মিলল যুবকের মরদহ, প্রবাসীর স্ত্রী আটক
- ৩সব শিক্ষকই ঢাকায় বদলি হতে চান : শিক্ষামন্ত্রী
- ৪ভাঙ্গুড়ার সাবেক এমপি পুত্র রাসেলসহ দুইজন ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার
- ৫পাবনার এসপিসহ পুলিশের ১০ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বদলি
- ৬যমুনা ভাঙণে নিঃস্ব বৃদ্ধাকে সহায়তা ইউএনওর
- ৭মোদীর বাসভবন ঘিরে বিক্ষোভ, পদত্যাগ দাবি
- ৮মৃত ব্যক্তি ইউনিয়ন বিএনপির কমিটিতে, কুড়িগ্রামে সমালোচনার ঝড়
- ৯রূপালী ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত
- ১০বিমসটেকে ভিসা সহজীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : মহাসচিব
- ১‘লুটপাটে সহায়তাকারী’ আইএফআইসির এমডি মনসুর মোস্তফা বহাল তবিয়তে
- ২গ্রাহকদের জন্য নিজস্ব ওএমএস চালু করছে মর্ডান সিকিউরিটিজ
- ৩ভাইরাল ভিডিও সম্পর্কে যা বললেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম
- ৪চাঁদপুরে নিজ বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে বাড়ির মালিকের মৃত্যু
- ৫৯৯৯-এ ফোনে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১০ শিক্ষার্থী উদ্ধার
- ৬জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ২.২ শতাংশ, বড় পতন শিল্প ও সেবাখাতে
- ৭জোট শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী
- ৮জিয়াউল আহসানের বাড়িতে দুদকের অভিযান শেষ, মালামাল জব্দ
- ৯হজে বাংলাদেশের জন্য ব্যাকআপ আবাসন ১ শতাংশ বহালের অনুরোধ ধর্মমন্ত্রীর
- ১০শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরল কমিটির হাতে





পাঠকের মতামত