
মৌসুমের শুরুতে ভালো দাম পাওয়ায় বেশ ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপকূলের লবণচাষিরা। তবে তাতে বাধ সেধেছে হঠাৎ দরপতন। সম্প্রতি অপরিশোধিত কাঁচা লবণের মণপ্রতি বাজারদর কমে অর্ধেকেরও নিচে নেমেছে। এতে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা করছেন চাষিরা। বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকায় বিপুল পরিমাণ কাঁচা লবণ মাঠে মজুদ রয়েছে। মওসুমে লবণের দাম কম থাকলেও বর্ষার দিকে চাঙ্গা হয়। এ চিন্তা মাথায় রেখে চাষিরা এসব লবণ বিক্রি না করে মজুদ রাখেন।
বিগত ৬৪ বছরের মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরে লবণ উৎপাদনের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল ২২ লক্ষ ৩২ হাজার ৮৯০ মেট্রিক টন। কক্সবাজার ও বাঁশখালীর কিছু অংশ নিয়ে প্রায় ৫৭ হাজার ২৭০ একর জমিতে অন্তত ৫৫ হাজার মানুষ লবণ চাষে জড়িত। এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এ অঞ্চলের ৮০ শতাংশ মানুষ।
বাজারে এমন দর পতনের ফলে এসব মানুষের আয়ে টান পড়বে। বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে উৎপাদিত প্রতি কেজি কাঁচা লবণের বর্তমান বাজার মূল্য মাত্র ৮ টাকা ৫০ পয়সা। সে হিসেবে প্রতি মণ লবণের দাম ৩৫০ টাকা। চাষিরা মাঠ পর্যায়ে কাঁচা লবণের ন্যায্যমূল্য না পেলেও পরিশোধনযোগ্য বাজারজাতকৃত প্যাকেট লবণের দাম আকাশচুম্বী।
চাষিদের অভিযোগ, অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে। উৎপাদন ব্যয় বিবেচনা করে বাজারদর নির্ধারণ এবং লবণ শিল্পকে বাঁচাতে আমদানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
বাঁশখালীতে বর্তমানে প্রতি মণ লবণ বিক্রি হচ্ছে গড়ে ৩৫০ টাকায়, যা মওসুমের শুরুতে ছিল ৫শ থেকে ৬৫০ টাকা। চাষিরা বলছেন, সব উপকরণের দাম ও উৎপাদন খরচ বাড়তি। এ পরিস্থিতিতে দাম অর্ধেকে নেমে যাওয়ায় লবণ বিক্রি করে পুঁজিও উঠবে না। ৩-৪ মাসের ব্যবধানে মাঠ পর্যায়ে দাম কমেছে প্রায় ৩শ টাকা। এ ধারা অব্যাহত থাকলে দেশীয় লবণ শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন চাষিরা।
লবণ ব্যবসায়ী আনছুর আলী তালুকদার বলেন, মওসুমের সময় সরকার বিদেশ থেকে লবণ আমদানি করায় দেশীয় লবণের দরপতন ঘটছে। ৬৪ বছরের ইতিহাসে দেশে রেকর্ড পরিমাণ লবণ উৎপাদন হলে আমদানি করতে হবে কেন?
ছনুয়া ইউনিয়নের মধুখালী এলাকার লবণচাষি মনজুর আলম বলেন, কিছু অসাধু মিল মালিক বিদেশী লবণ আমদানিতে ব্যর্থ হয়ে সিন্ডিকেট করে চাষিদের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র করছে। প্রতি মণ লবণ উৎপাদনে ব্যয় হয় ৩১৭ টাকা। লবণের দাম মণপ্রতি ৩৫০ টাকায় নেমে আসায় ৩৩ টাকা লোকসান গুণতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) সহকারী মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ রিদওয়ানুর রশীদ বলেন, আমাদের চাষিরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
এএন
- ১সেতু বিভাগের সচিব এর সাথে পিপিপি প্রকল্পের বিকল্প ঋণদাতা প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
- ২বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম
- ৩চাঁদপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
- ৪ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৫জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাবে আজ ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর
- ৬হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার
- ৭ডাচ-বাংলা ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৮রিকেট বেনকাইজারের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৯ওয়ান ব্যাংকের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১০ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১শ্রীমঙ্গলে নাহিদ-হাসনাতদের গাড়িবহর আটকে দিলো পুলিশ
- ২চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার
- ৩চাঁদপুরে পাট উৎপাদনে শীর্ষে সদর
- ৪হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে
- ৫মৌলভীবাজারে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পিটিয়ে আহত ৩
- ৬লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার
- ৭ভূরুঙ্গামারীতে গাঁজাসেবীর কামড়ে দুই যুবক আহত
- ৮জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে যবিপ্রবির ছাত্রী হলে প্রকাশ হবে দেয়াল পত্রিকা
- ৯কেএমপির নতুন কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান
- ১০পাথরঘাটায় খালের পাড়ে জলবায়ু-সহনশীল ৭৫০০ বৃক্ষরোপণ





পাঠকের মতামত