
সুন্দরবনের বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন নদী-খালের মোহনায় জেলেদের চিংড়ি জালে বিভিন্ন প্রকারের কোটি কোটি মাছের পোনা নিধন হচ্ছে। নিষিদ্ধ জালে যেভাবে ইলিশসহ বিভিন্ন মাছের পোনা হত্যা চলছে, এতে অচিরেই মাছের ভান্ডার শূন্য হয়ে পড়বে। প্রতিদিন কী পরিমাণ পোনা মাছ নিধন হচ্ছে, তা নিজের চোখে না দেখলে কল্পনা করাও কঠিন।
মৎস্য আইনে মাছের পোনা সংরক্ষণে সোয়া চার ইঞ্চির কম ফাঁস জাল ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। অথচ ওই এলাকায় আধা ইঞ্চি থেকে পৌনে এক ইঞ্চি ফাঁস জাল ব্যবহার করা হচ্ছে। জেলেদের সুক্ষ ফাঁসের ওই জালে এক কেজি চিংড়ি মাছ ধরতে যেয়ে বিভিন্ন প্রজাতির কমপক্ষে একমন মাছের পোনা মারা পড়ছে। এর মধ্যে রয়েছে ইলিশ, কোরাল, বোয়াল, দাতনে, আইড়, তাড়িয়াল, তপশে, পোয়া, টেংড়া, কাইন ও কাকড়া, কচ্ছপ, হাঙ্গরসহ শতশত প্রজাতির মাছের পোনা। জেলেরা শুধু চিংড়ি মাছ সংগ্রহ করে অন্যসব মাছের মারা যাওয়া পোনা পানিতেই ফেলে দেয়। ফলে সুন্দরবনসহ উপকূলীয় নদ নদীতে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
জেলেরা জানায়, বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন সুন্দরবনের বলেশ্বর নদের শুকপাড়া, ডিমের চরের বাইর পাশ থেকে বাদামতলা পর্যন্ত, কটকা ও দুধমুখি নদীর মোহনা, ছাপড়াখালি ও শেলা নদীর মোহনা, দুবলার চরের বিভিন্ন নদী খালের মোহনায় চিংড়ি ধরার জন্য সুক্ষ ফাঁসের ওই বাঁধাজাল পাতা হয়। সংশ্লিষ্ট বন অফিসগুলোর সাথে যোগশাযোশে প্রতিবছরের চৈত্র থেকে আষাড় মাস পর্যন্ত শতশত নিষিদ্ধ এ জাল দিয়ে তারা কোটি কোটি মাছের পোনা ধ্বংস করে চলছে। ফলে অন্য জেলেরা সুন্দরবনসহ উপকূলের নদ-নদীতে আর তেমন মাছ পাচ্ছেন না।
নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক জেলেরা জানান, প্রতিগোনে (আময়বশ্বা ও পূর্ণিমার সময় ৭ দিন করে) নির্দিষ্ট হারে জেলে নৌকা প্রতি জ্ঞানপাড়া, কচিখালি, কটকা, কোকিলমনি, শেলা ও দুবলার বন অফিসে উৎকোচ দিয়ে এ জাল পাততে হয়।
এব্যাপারে বাংলাদেশ মৎস্যজীবি ট্রলার মালিক সমিতির সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম খোকন জানান, নিষিদ্ধ ওই বাঁধা জালে সাগরের সব ধরনের মাছের পোনা মারা পড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই সুন্দরবনসহ উপকূলিয় নদ নদীতে কোন মাছ পাওয়া যাবে না।
শরণখোলা উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, বঙ্গোপসাগর থেকে বয়ে আসা নদীর মোহনায় এ ধরনের সুক্ষ ফাঁসের জাল পাতার কারনে ইলিশসহ সব ধরনের মাছের পোনা নিধন হচ্ছে। তাই ওই জাল বন্ধের জন্য উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের মাধ্যমে বন বিভাগকে জাননো হবে।
বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এধরনের জাল পাতা হলে তা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
- ১চা শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকরের দাবিতে কমলগঞ্জে গণবিক্ষোভ
- ২শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অনুমতি নেই: ভারত
- ৩আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনাগুলো জুলাই সনদের আলোকেই বাস্তবায়ন হবে
- ৪ক্যান্সার গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন চাঁদপুরের আবু আলী সিনা
- ৫পাবনায় অপহৃত স্কুলছাত্র উদ্ধার; আটক ৫
- ৬দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
- ৭কুয়েতে মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলা
- ৮ভরিতে ২২১৬ টাকা বাড়িয়ে সোনার নতুন দাম কার্যকর
- ৯বাংলাদেশসহ ১৪ দেশ নিয়ে সৌদির সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠন
- ১০শেরপুরে বিএনপি ছেড়ে দুই নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান
- ১জবির নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্প নিয়ে ভয়ংকর নীলনকশা!
- ২বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ
- ৩একটি সাক্ষরের ভুলে ভেঙে গেল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন
- ৪মিরসরাইয়ে পৈতৃক ভিটা রক্ষার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
- ৫বাকৃবিতে স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
- ৬এনসিপি নতুন বন্দোবস্ত বাস্তবায়নের নামে ভন্ডের রাজনীতি করছে: রাশেদ খাঁন
- ৭সিরাজগঞ্জে নদীভাঙন কবলিতদের পাশে জেলা প্রশাসক
- ৮বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
- ৯ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
- ১০২০২৬ সালের মধ্যে বন্ধ কারখানা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর





পাঠকের মতামত