
ভোলার মেঘনা তেতুলিয়া নদীর কোল ঘেষে গড়ে উঠা দ্বীপজেলার বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে দেখা যায় সূর্যমুখী ফুলের চাষ। সবুজ পাতার মাঝে হলুদের সমারোহে বেষ্টিত এক একটি ফুল যেনো সূযের্র আলোয় আভা ছড়াচ্ছে। সবুজ গাছ আর হলুদ ফুল এক অপরূপ চিত্র দেখা যায় ভোলার কৃষকের ফসলি মাঠে।
সূর্যমুখী একটি তৈল জাতীয় ফসল। এই তৈলের পুষ্টিগুন অন্যন্য হওয়ায় ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে পারবে বলে এটির চাষ হতে পারে নতুন সম্ভাবনার হাতছানি।
নিজেদের তৈলের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য এ বছর সূর্যমুখীর চাষ করেছেন ভোলার অনেক চাষিরা। গত বছরের তুলনায় ভোলায় এবার আবাদ বেশী হয়েছে। কিছু দিন পরেই ফসল ঘরে তুলবেন কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর বাম্পার ফলনের আশাবাদী কৃষকরা।
জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছর থেকেই কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় জেলার বিভিন্ন স্থানে চাষ শুরু হয়। উবর্র মাটি ও অল্প খরচেই সূর্যমুখীর চাষ বেশ লাভজনক হওয়ায় চাষাবাদে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।
ভোলার দৌলতখানে উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের কৃষক হারুন, খোকন, মেদুয়া ইউনিয়নের কৃষক রুহল আমিন তাদের জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করে লাভবান হয়েছেন। তাদের সাফল্য দেখে এলাকার অন্যান্যও কৃষকরাও ফুল চাষে ঝুঁকছেন। সূর্যমুখী ফুলের চাষ নিয়ে আশাবাদী কৃষি কর্মকর্তারাও।
তজুমদ্দিনে এ বছর প্রজেক্টের আওতায় প্রদর্শনী ও প্রনোদনা কর্মসূচীর আওতায় উপজেলার বিভিন্নস্থানে প্রায় ২০ একর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করা হয়েছে।
এ অঞ্চলে সাধারণত হাইসান-৩৩, আরবিএস-২৭৫ ও বারী সূর্যমুখী-২ তিনটি প্রজাতির সূর্যমুখী ফুলের চাষ হয়েছে। প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগ না হলে প্রতি একর জমি থেকে এক টনের বেশি ফসল উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
চরফ্যাশন উপজেলার জাহানপুর গ্রামের চাষি ফজল আলী বলেন, আমি গত বছর পরীক্ষামূলক ১২ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করি । এতে যে পরিমান ফসল পেয়েছি তাতে নিজেদের ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্রিও করেছি। কম খরচে অন্য ফসলের চেয়ে ভালো ফলন হওয়ায় এ বছর কৃষি অফিস থেকে সার ও বীজ সংগ্রহ করে ৫০ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষাবাদ করি। জমি চাষ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬/৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি ৮ শতাংশ জমি থেকে ৪ মণ করে ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আশা করি এতে ভালো লাভবান হওয়া যাবে।
উপজেলার শশীভুষণ থানার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাজার এলাকার জাকির হোসেন, হাসান আলী,আব্বাসসহ এ বছর সূর্যমুখীর চাষ করেছেন অনেকে।
ভোলা জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. হাসান ওয়ারিসুল কবীর বলেন, এ বছর এখন পযর্ন্ত সূর্যমুখী চাষে কোন প্রতিবন্ধকতা সুষ্টি হয়নি। আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। সার, বীজ, ও বালাইনাশক সংকট ছিল না। বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ বছর ভোলায় সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে ৫০৯ হেক্টর জমিতে।
- ১জামায়াত কখনো গুপ্ত ছিল না: গোলাম পরওয়ার
- ২ক্লান্তি দূর করতে ওষুধ নয়, ভরসা হতে পারে ৭টি প্রাকৃতিক অভ্যাস
- ৩চারিত্রিক স্খলন থেকে বাঁচতে যে দোয়া পড়তেন মহানবী (সা.)
- ৪দুপুরের মধ্যে ৩ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
- ৫পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত
- ৬কোনো প্রতিভা প্রতিবন্ধকতার কারণে থেমে থাকবে না : আইসিটি মন্ত্রী
- ৭জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে চরফ্যাশনের তিন থানায় জামায়াতের গণমিছিল
- ৮মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত সম্ভব
- ৯গুলশানে বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি
- ১০যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ২৫ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ঢাকায় আসছেন: মাহদী আমিন
- ১চাঁদপুর-শরীয়তপুর সেতু নির্মাণের প্রস্তাব জাপানি প্রতিষ্ঠানের
- ২ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লুডু খেলা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
- ৩শ্রীমঙ্গলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান
- ৪লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
- ৫কেশবপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে সচেতনতামূলক র্যালি
- ৬হবিগঞ্জে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ সচেতনতা সভা
- ৭মেজর সিনহা হত্যা: ছয় বছরেও শেষ হয়নি বিচার
- ৮চাঁদপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস বাগানে
- ৯সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী
- ১০গুলশানে বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি





পাঠকের মতামত