
মিয়ানমারের রাখাইনে আবারও সংঘাত- সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে মানুষকে নির্বিচারে হত্যা ও শিরশ্ছেদ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গেসম্পত্তি পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। এই আতঙ্কে ইতোমধ্যে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য ছেড়েছেন আরও ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।
এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের নভেম্বরে দেশটির ক্ষমতাসীন জান্তা সরকারের বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শুরু করে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। সেই থেকেই রাখাইনে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। এই লড়াই ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর যুদ্ধবিরতিরও অবসান ঘটিয়েছে।
প্রাণঘাতী সহিংসতায় প্রদেশটির মুসলিম সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর সদস্যরা আটকে পড়েছেন। মূলত, সেখানে তাদের বহিরাগত বলে মনে করা হয়।
আরাকান আর্মি জানিয়েছে, রাখাইন জনগোষ্ঠীর অধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে লড়াই করছে তারা। যেখানে রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রায় ৬ লাখ সদস্য রয়েছেন।
২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর রক্তাক্ত অভিযানে লাখ লাখ রোহিঙ্গা রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। এই ঘটনায় দেশটির সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে জাতিসংঘের গণহত্যা আদালতে মামলা চলছে।
গত শুক্রবার জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের মুখপাত্র এলিজাবেথ থ্রোসেল বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বুথিডাং ও মংডু শহরে লড়াইয়ে কয়েক হাজার বেসামরিক লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
তিনি বলেন, আনুমানিক ৪৫ হাজার রোহিঙ্গা নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশের সীমান্তের কাছে নাফ নদীর এলাকায় পালিয়ে গেছেন। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা প্রয়োজন।
তবে আল জাজিরার তানভীর চৌধুরী কক্সবাজার থেকে বলেন, বাংলাদেশে ইতোমধ্যে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা রয়েছেন। তাই সীমান্তের মিয়ানমার অংশে আটকে থাকা আরও শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে নারাজ সরকার।
জাতিসংঘ রাইটস অফিসের মিয়ানমার টিমের প্রধান জেমস রোডেহেভার বর্ণনা করেছেন, ভয়ানক পরিস্থিতি থেকে অনেকে পালিয়ে যাচ্ছেন। আমার দল প্রমাণ পেয়েছে। এ সংক্রান্ত স্যাটেলাইট ছবি, অনলাইন ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বুথিডাং শহরটি ‘ব্যাপকভাবে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে’ বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, সামরিক বাহিনী শহর থেকে পিছু হটার দু’দিন পরে গত ১৭ মে থেকে আগুন জ্বালানো শুরু হয়েছিল। আরাকান আর্মি গ্রামটির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
বেঁচে থাকা একজন ব্যক্তি বুথিডাং থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় কয়েক ডজন মৃতদেহ দেখেছেন। অন্য একজন জানান, মংডু শহরের পশ্চিম দিকের রাস্তায় আরাকান আর্মির হাতে অবরুদ্ধ হয়ে শহর ছেড়ে পালানো হাজার হাজার লোকের মধ্যে তিনিও ছিলেন।
সংঘাতে বেঁচে যাওয়া অন্য ব্যক্তিরা জানান, আরাকান আর্মির সদস্যরা দুর্ব্যবহার করেছেন। তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করেছেন তারা।
রোডেহেভার বলেন, উত্তর রাখাইনে আরাকান আর্মি এবং সামরিক বাহিনীর রোহিঙ্গা বেসামরিকদের ওপর নতুন করে হামলার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে মানবাধিকার কার্যালয়। দলটি ‘কমপক্ষে চারটি শিরোচ্ছেদের ঘটনা’ নথিভুক্ত করেছে।
- ১উন্নয়ন কাজে অনিয়ম হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাকলিস্টেড করা হবে
- ২রংপুরে ডিএক্সএন মেগা সিজলার প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
- ৩কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সঙ্গে ইউসিবি ইনভেস্টমেন্টের চুক্তি
- ৪জুলাইয়ে অপেক্ষা করতাম, কখন জবির মিছিল আসবে: নাহিদ ইসলাম
- ৫সাতক্ষীরায় ৩১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার মাদক ধ্বংস করল ১৭ বিজিবি
- ৬বাংলাদেশকে কম দামে ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া
- ৭হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
- ৮ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক-অপরাধ দমনে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ
- ৯শফিউল বারীর মৃত্যুবার্ষিকীতে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ
- ১০গ্যাস সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
- ১১৩ দিনে সরকারের ব্যাংক ঋণ ৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা
- ২চরফ্যাসনে পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু
- ৩নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩
- ৪স্পিকারের দিকনির্দেশনা পেলেই গাজী নজরুলের এমপি পদের সিদ্ধান্ত নেবে ইসি
- ৫জাতীয় অধ্যাপক হলেন অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ
- ৬রপ্তানি খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম: বাণিজ্যমন্ত্রী
- ৭চাঁদপুরে অনুমতি ছাড়া নদী দখল করে হোটেল নির্মাণ
- ৮দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু
- ৯‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ১০খুকৃবির নতুন উপাচার্য বাকৃবির অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান সরকার





পাঠকের মতামত