
ছাত্রজনতার গনঅভ্যূথানের এক মাস পূর্ণ হওয়ায় শহিদদের স্মরণে ‘শহিদী মার্চ’ কর্মসূচি পালন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের ঢাকা কলেজ শাখা।
বৃহস্পতিবার(০৫ সেপ্টেম্বর) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় অন্যতম সম্বন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের একমাস পূর্ণ হওয়ায় শহীদদের স্মরণে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘শহিদী মার্চ’ পালন করার আহ্বান জানান। তার প্রেক্ষিতে সকাল ১১.৩০ ঘটিকায় বৃষ্টি বাধার উপেক্ষা করে ঢাকা কলেজের শহিদ মিনারের সামনে থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ‘শহীদী মার্চ’ বের করেন কলেজের শিক্ষার্থীরা। বৃষ্টির কারণে কিছুটা বিলম্ব করে ১২.৪৫ মিনিটে শহিদী মার্চ কর্মসূচি কলেজ ক্যাম্পাস- সাইন্সল্যাব- কলেজ ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়।
শহীদী মার্চে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। “আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে, ফ্যাসিবাদীর ঠায় নাই, আমার সোনার বাংলায়,শাপলা চত্ত্বরের রক্ত, বৃথা যেতে দিবো না, আওয়ামীলীগের দালালেরা হুশিয়ার সাবধান, আইয়ুব মুজিব হাসিনা, স্বৈরাচার মানিনা”
শহীদী মার্চের শুরুতে কেন্দ্রীয় সম্বন্বয়ক নাজমুল হাসান বলেন, ৫ আগষ্ট ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যাকারী শেখ হাসিনা ছাত্র জনতার গণঅভুত্থানে পালিয়েছে। আমরা চাই বাংলাদেশ আর কোন স্বৈরাচার জন্ম না হোক। আর কোন চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ আর তৈরি না হোক। যাদের হাতে ছাত্র জনতার রক্ত লেগে আছে তাদের বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার নেই। ফ্যাসিবাদী দোসরদের, অপরাধীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত ছাত্র জনতা আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
যেসব ছাত্র শহীদ হয়েছে দেশমাতৃকার জন্য, সুন্দর শিক্ষাঙ্গনের জন্য। যতদিন পর্যন্ত ক্যাম্পাসে র্যাগিংমুক্ত, দখলদারিত্বমুক্ত, গেস্টরুমমুক্ত না হবে ততদিন পর্যন্ত আমরা প্রতিরোধ সংগ্রাম চালিয়ে যাবো। দুষ্কৃতীকারীদের জায়গা এই বাংলায় হবে না। শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা কলেজের সম্বন্বয়ক মো:রাকিব হোসাইন বলেন, ছাত্রজনতা হত্যার স্বীকার হয়েছে,হাজার হাজার ভাই-বোন হাসপাতালে কাঁতরাচ্ছে।স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে যারা জীবন দিয়েছে তাদের প্রতি লাল সালাম,আত্নার মাগফিরাত কামনা করছি। এই অন্তবর্তনকালীন সরকারকে নিয়ে অনেকে ষড়যন্ত্র করছে তাই আমাদেরকে মাঠে থাকতে হবে, যেকোনো সময় প্রতিবিপ্লব হতে পারে। আওয়ামী সন্ত্রাসবাহিনী কখনও আনসার,রিকসাচালক হয়ে ফিরে আসছে। তাদের বলতে চাই, দেশের মানুষ যা চাই তা না চান তাহলে বিশৃঙ্খলা করতে চান তাহলে তাদেরকে চিন্হিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। আর সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে, সহযোগিতা করতে হবে।
এম পি
- ১সংসদের গণপূর্ত প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আগুন, তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ
- ২২৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো আড়াই বিলিয়ন ডলার
- ৩সঞ্চয়পত্রে বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
- ৪মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
- ৫হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ অনেকে আহত
- ৬প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- ৭বাগেরহাটে বন্ধুর হাতেই খুন আইনজীবী শান্ত
- ৮বাগেরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ফার্মেসিকে জরিমানা
- ৯‘অনলাইন এডিটরস ফোরাম’-এর আহ্বায়ক পিন্টু, সদস্যসচিব ইফতেখার
- ১০কুড়িগ্রামে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার
- ১নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩
- ২চাঁদপুরে অনুমতি ছাড়া নদী দখল করে হোটেল নির্মাণ
- ৩রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন ড. সোবহান
- ৪চরফ্যাসনে পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু
- ৫স্পিকারের দিকনির্দেশনা পেলেই গাজী নজরুলের এমপি পদের সিদ্ধান্ত নেবে ইসি
- ৬ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক-অপরাধ দমনে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ
- ৭জুলাইয়ে অপেক্ষা করতাম, কখন জবির মিছিল আসবে: নাহিদ ইসলাম
- ৮দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু
- ৯বিএসইসির কমিশনার হলেন হোসেন সাদাত
- ১০উন্নয়ন কাজে অনিয়ম হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্ল্যাকলিস্টেড করা হবে





পাঠকের মতামত