
আশরাফুল ইসলাম:
৭ বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রিন্টিং প্রেসের মেশিন। দীর্ঘদিন ধরে সপ্তাহে লক্ষ টাকা খরচ করে বাহিরের ছাপাখানা থেকে করতে হচ্ছে ছাপা সংক্রান্ত কাজ। এতে আর্থিক ক্ষতিসহ তৈরি হচ্ছে গোপনীয় তথ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকি। পাশাপাশি কোন কাজ ছাড়াই ৩ কর্মকর্তা ও ২ কর্মচারী প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা বেতন পাচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে— ইউজিসি থেকে একটি প্রিন্টিং মেশিন ও একটি পেপার কাটিং মেশিনের প্রকল্প পাস হয়ে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।
প্রেস অফিস সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ অফিসের সাময়িক সনদ, নম্বরপত্র, বালামশীট, পরীক্ষার খাতা, শিক্ষার্থীদের টাকা জমাদানের রশিদ, আইআইইআর-এর টেবুলেশন শীট, সনদ, সান্ধ্যকালীন কোর্সের সনদ, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, পরিবহন অফিস-সহ একাডেমিক শাখার বিভিন্ন প্রিন্টিং কার্যক্রম, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডার, ডায়েরি, বিবিধ ও বিল রশিদ প্রিন্ট করা ইত্যাদি কাজ এই প্রেস অফিসের আওতাভুক্ত।
ক্যাম্পাস সূত্রে, ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ সরকার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে ৭০ লক্ষ টাকা মূল্যের একটা প্রিন্টিং মেশিন প্রদান করে। প্রিন্টিং প্রেস অফিস তুলনামূলক নিচে থাকায় ২০০৫ সালের দিকে বন্যার পানির কবলে পড়ে মেশিনটি। এরপর ২০২০ সালে করোনা ভাইরাসের সময় দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত থাকায় মেশিনটি পুরোপুরি অচল হয়ে যায়।
বর্তমান প্রিন্টিং প্রেসের দায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক ড. এ.কে.এম মফিজুল ইসলাম।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “নতুন মেশিন ক্রয় করার জন্য আমি আবেদন পত্র জমা দিয়েছি। কোন মেশিনের কেমন দাম সেটা জানার জন্য ইতোমধ্যে কয়েকটা মার্কেট যাচাই করেছি । বিশ্ববিদ্যালয়ের মেশিন না থাকায় আমরা আমাদের সমস্ত কাজ বাইরে থেকে করে নিয়ে আসি। এতে প্রতিবছর প্রায় ১২-১৩ লাখ টাকা খরচ হয়।”
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক ড. মো. নওয়াব আলী বলেন, “মেশিন ক্রয় করার জন্য আমরা ৫৪ লক্ষ টাকার একটা বাজেট পেয়েছিলাম। কিন্তু তিনবার টেন্ডার দিয়েও আমরা মেশিন ক্রয় করতে পারিনি। পরে প্রকল্প কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অন্যান্য প্রকল্প থেকে আন্তঃখাত থেকে সমন্বয় করে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার একটা বাজেট করতে পেরেছি। সেটা ইউজিসি’র সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন আছে। আমরা এদিকে আমাদের সব প্রসেস রেডি করে রেখেছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলেই আমরা নতুন করে টেন্ডার দিতে পারবো।”
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের বিষয়ে তিনি বলেন, “সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে আমাদের একটা অনলাইন মিটিং হয়েছে। সেখানে তারা বিষয়টাকে পজিটিভলি নিয়েছে।”
এদিকে প্রেস প্রশাসকের ভাষ্য— পুরাতন মেশিনটা মেরামত করলে সেটা আগের রূপে ফিরে যাবে এবং সক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারবে। অন্যদিকে প্রকৌশলী দপ্তরের প্রকৌশলরীরা জানায়, ‘নতুন করে মেশিন ক্রয় করতে পারলে নতুন পুরাতন উভয়টা সচল রেখে বাড়তি সার্ভিস সাপ্লাই দেওয়া সম্ভব।’
টিআর
- ১মানবপাচারকারীদের নতুন কৌশল মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ
- ২সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনের সময় এখনো হয়নি: ডা. তাহের
- ৩জুলাই আন্দোলনে জাতিকে চরম ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং রক্তমূল্য দিতে হয়েছে
- ৪বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট নিয়ে অজুহাতের মাধ্যমে দায়িত্ব এড়াতে চাই না
- ৫পাথরঘাটায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৫ নেতাকর্মী আটক
- ৬অবহেলায় ক্ষয় হচ্ছে বিশ্ব ঐতিহ্যের নয় গম্বুজ মসজিদ
- ৭৩য় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
- ৮চুয়াডাঙ্গা আদালত চত্বরে ভুয়া আইনজীবীসহ দুইজন আটক
- ৯এবার ৮ ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে ভয়াবহ মাত্রার মার্কারি শনাক্ত
- ১০মাসিক সম্মানি পাবে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীরা : জনপ্রশাসন উপদেষ্টা
- ১চাঁদপুরে জুলাই আন্দোলনের মামলায় ৩৭৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ২নবীনগরে দেড়শ বিঘায় নতুন সম্ভাবনার আউশ আবাদ
- ৩চাঁদপুর ট্রাফিক পুলিশের রেকর্ড পরিমাণ মামলা ও জরিমানা আদায়
- ৪বিপর্যস্ত চাঁদপুর,ধরাছোঁয়ার বাইরে মাদক কারবারিরা
- ৫পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বৃহস্পতিবার লেনদেন বন্ধ
- ৬ময়মনসিংহে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান
- ৭ডিএসইর ছাঁটাই হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ব-স্ব পদে পুনর্বহাল দাবি
- ৮মৌলভীবাজারের আলোচিত রাজকান্দি বনের রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রীতম বদলি
- ৯‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’: ইতিহাসের শিক্ষা, বৈষম্যহীন সমাজ ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ
- ১০শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার





পাঠকের মতামত