
স্বল্পোন্নত দেশে (এলডিসি) উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে জাতিসংঘের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।
সংগঠনটি বলছে, এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী দেশের বেসরকারি খাতকে যেসব চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে হবে, তা মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা প্রয়োজন। বিশেষত, দক্ষতা বৃদ্ধিতে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার কাছে করিগরি সহায়তা প্রয়োজন।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আয়োজিত ‘নিউ ওয়ার্ল্ড, নিউ হোপ: জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক সম্মেলনে এ সহায়তা চান এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।
নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সহায়তায়, জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনের সাইড লাইনে এ সম্মেলনের আয়োজন করে সেন্টার ফর নন রেসিডেন্স বাংলাদেশিস।
সম্মেলনে এফবিসিসিআই সভাপতি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে বাংলাদেশি শরণার্থী এবং স্বাধীনতা-পরবর্তী দেশে ফেরার পর তাদের পুনর্বাসনে জাতিসংঘের সহায়তা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই জাতিসংঘের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে। তবে ১৯৭৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর সংস্থাটির ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাংলায় দেওয়া ভাষণের মাধ্যমে এ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়।
এসময় শান্তি মিশনসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন কার্যক্রমে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন এফবিসিসিআই সভাপতি।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তি কমিশন ও হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল উভয়েরই প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য বাংলাদেশ। স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ পুনর্গঠনে, বিশেষত দারিদ্র্য দূরীকরণ, টেকসই উন্নয়ন কৌশল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ-জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা, মাতৃ ও শিশু উন্নয়ন, টিকাদান, যুব উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, শিল্প উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা ও গবেষণায় জাতিসংঘের বিশেষ অবদান রয়েছে।
করোনা মহামারি দেশের অর্থনীতিতে কঠিন আঘাত হেনেছে উল্লেখ করে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক দিকনির্দেশনা ও নীতিকৌশলের মাধ্যমে বাংলাদেশ দ্রুতই অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথে আছে।
দারিদ্র্য বিমোচন, শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার কমানো, গড় আয়ু বৃদ্ধি, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি, মাথাপিছু গড় আয় বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, টেকসই প্রবৃদ্ধিসহ আর্থ-সামাজিক সব সূচকে অগ্রগতির এ ধারা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশ এসডিজি অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন এফবিসিসিআই সভাপতি।
তিনি বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর, বিশ্ব বাজারে দেশের বেসরকারি খাত বাড়তি কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।
এসব চ্যালেঞ্জ জয় করতে ব্যক্তিখাতের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার কাছে কারিগরি সহায়তা চান তিনি।
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সহ-সভাপতি মো. আমিনুল হক, সালাহউদ্দিন আলমগীর এবং এম এ রাজ্জাক খান।
এফবিসিসিআই সভাপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন।
- ১ডিআইটি মার্কেট দখল করে অবৈধ মেলা, অভিযোগ ৩ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে
- ২সিলেটে নিজ বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
- ৩দেশের ৭ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা
- ৪গ্রামীন ফোনের বৃহস্পতিবার লেনদেন চালু
- ৫বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ
- ৬চট্টগ্রামে একাদশে শিক্ষার্থী ভর্তির পরও খালি থাকবে অর্ধেকের বেশি আসন
- ৭ভারত থেকে আসছে ১৯ রেল কোচ
- ৮ফ্যামিলি কার্ড পেতে বিএনপি নেতাদের দ্বারে ঘুরছেন বিরোধিতাকারীরা : নুরুল আমিন
- ৯চট্টগ্রামে বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী
- ১০কেনা জমিতে মরদেহ দাফনে বিক্রেতার বাধা, খাস জমিতে দাফন
- ১মার্জিন ঋণে নতুন নিয়ম, শেয়ারের সর্বোচ্চ পিই ৪০
- ২চাঁদপুরে জিপিএ-৫ অর্জনের পাশাপাশি সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে তিন শিক্ষার্থী
- ৩শেরপরে এসএসসি পরীক্ষায় চার বিষয়ে ফেল;শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
- ৪সাসপেন্ড ইসলামী ব্যাংক কর্মকর্তা
- ৫জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী
- ৬২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, প্রার্থীর নাম ঘোষণা ১৮ আগস্ট
- ৭ওয়েলিংটনে এমএফএটির সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের ৩ দফা কৌশলগত প্রস্তাব
- ৮পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১০ কর্মকর্তাকে বদলি
- ৯প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুটি আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত : জয়সওয়াল
- ১০বাইউস্টের ১৭তম ফাইন্যান্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত





পাঠকের মতামত