

# তিন মাসে ১২ কোম্পানির লোকসান ৪৪২ কোটি টাকা
# ৯ মাসে লোকসান ৮৯৫ কোটি ৯২ লাখ টাকা
# গত অর্থবছরে আইসিবির লোকসান রেকর্ড ১২১৪ কোটি টাকা
# অবসায়নের পথে ৯ প্রতিষ্ঠান
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) খাত এখন কার্যত অস্তিত্ব সংকটে। চলতি বছরের জুলাই–সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে তালিকাভুক্ত ২৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্তত ১২টি বড় ধরনের লোকসানে পড়েছে। এই তিন মাসেই লোকসানের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৪২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। বিপরীতে লাভ করতে পেরেছে মাত্র ৭টি প্রতিষ্ঠান, যার সম্মিলিত লাভ ১৪৮ কোটি ১৫ লাখ টাকা।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তথ্য অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৩টি। এসকল প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তৃতীয় প্রান্তিকে ১৯টি প্রতিষ্ঠান তাদের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে গত সেপ্টেম্বর সমাপ্ত প্রান্তিকে ১২টি প্রতিষ্ঠান লোকসান করেছে।
অন্যদিকে ৭টি প্রতিষ্ঠান লাভ করেছে। জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৭টি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত লাভের পরিমাণ ১৪৮ কোটি ১৫ লাখ টাকা। পাশাপাশি জানুয়ারী থেকে সেপ্টেম্বর ৯ মাসে এসকল প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত লাভের পরিমাণ ৩৩৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।
লাভে ৭ প্রতিষ্ঠান
লাভের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে সবচেয়ে বেশি লাভ করেছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স। প্রতিষ্ঠানটি সেপ্টেম্বর সমাপ্ত প্রান্তিকে ৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এছাড়াও ডিবিএইচ ফাইন্যান্স ৩২ কোটি ৩৫ লাখ, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স ১৯ কোটি ৭৬ লাখ, আইপিডিসি ফাইন্যান্স ১১ কোটি ১৬ লাখ, বিডি ফাইন্যান্স ৯ কোটি ৫৮ লাখ, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স ৬ কোটি ৭৫ লাখ এবং ইউনাইটেড ফাইন্যান্স ১ কোটি ২ লাখ টাকা লাভ করেছে।
অপরদিকে, জানুয়ারী থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ৯ মাসে আইডিএলসি ফাইন্যান্স ১৭৬ কোটি ২৭ লাখ, ডিবিএইচ ফাইন্যান্স ৭৪ কোটি ৩৮ লাখ, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স ৩০ কোটি ৯৯ লাখ, আইপিডিসি ফাইন্যান্স ২৬ কোটি ২১ লাখ, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স ১১ কোটি ৯৮ লাখ, বিডি ফাইন্যান্স ১১ কোটি ৪২ লাখ এবং ইউনাইটেড ফাইন্যান্স ৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা লাভ করেছে।
লোকসানে ১২ প্রতিষ্ঠান
অন্যদিকে, জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে লোকসান করা ১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্মিলিত লোকসানের পরিমাণ ৪৪২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আর জানুয়ারী থেকে সেপ্টেম্বর ৯ মাসে আইসিবি ছাড়া বাকি ১১টি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত লোকসান দাঁড়িয়েছে ৮৯৫ কোটি ৯২ লাখ টাকা।
লোকসানে থাকা এসকল কোম্পানির মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আইসিবি সবচেয়ে বেশি লোকসান করেছে। সর্বশেষ প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির লোকাসান হয়েছে ১৫৩ কোটি ২১ লাখ টাকা। এছাড়াও এফএএস ফাইন্যান্স ৮০ কোটি ৬৭ লাখ, জিএসপি ফাইন্যান্স ৫৮ কোটি ৫৪ লাখ, ফনিক্স ফাইন্যান্স ৬১ কোটি ৪৫ লাখ, মাইডাস ফাইন্যান্স ২০ কোটি ৩৫ লাখ, ফার্স্ট ফাইন্যান্সের ১৩ কোটি ৭২ লাখ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স ১৩ কোটি ৬৪ লাখ, ইসলামিক ফাইন্যান্স ১২ কোটি ২১ লাখ, ফারইস্ট ফাইন্যান্স ১০ কোটি ৬৬ লাখ, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স ৮ কোটি ১৮ লাখ, প্রিমিয়ার লিজিং ৫ কোটি ৬৪ লাখ এবং ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড ৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা লোকসান করেছে।
অপরদিকে, জানুয়ারী থেকে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ৯ মাসে এফএএস ফাইন্যান্স ২২৩ কোটি ৪০ লাখ, জিএসপি ফাইন্যান্স ৮১ কোটি ৯৭ লাখ, ফনিক্স ফাইন্যান্স ৩২৪ কোটি ১৮ লাখ, মাইডাস ফাইন্যান্স ৬৬ কোটি ৪৯ লাখ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স ১৪৮ কোটি ৮৭ লাখ, ইসলামিক ফাইন্যান্স ২৭ কোটি ১৬ লাখ, ফার্স্ট ফাইন্যান্সের ৫৭ কোটি ২ লাখ, ফারইস্ট ফাইন্যান্স ৬১ কোটি ৫১ লাখ, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স ৩৯ কোটি ৫৭ লাখ, প্রিমিয়ার লিজিং ৬১ কোটি ৯৪ লাখ এবং ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড ২৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা লোকসান করেছে। আর আইসিবি ২০২৪–২৫ অর্থবছরে রেকর্ড ১,২১৪ কোটি টাকা লোকসান করেছে।
বাকি ৪টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য
এখনও যেসকল প্রতিষ্ঠানের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য পাওয়া যায়নি সেসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বে লিজিং চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন প্রান্তিকে লোকসান করেছে ১৭ কোটি ৮৬ লাখ টাকা এবং জানুয়ারী থেকে জুলাই ৬ মাসে প্রতিষ্ঠানটির লোকসানের পরিমাণ ছিল ৪২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।
পিপলস লিজিংয়ের চলতি বছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে লোকসান ছিল ৯০ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। আর জানুয়ারী থেকে জুন পর্যন্ত লোকসানের পরিমাণ ১৮৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা। উত্তরা ফাইন্যান্স সর্বশেষ ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।
অস্তিত্ব সংকটে পুরো খাত
তালিকাভুক্ত ২৩টি সহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে মোট কোম্পানির সংখ্যা ৩৫টি। এসকল প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠান এখন টিকে থাকার সংগ্রামে রয়েছে। বিগত এক দশকে অনিয়ম ও সুসাশনের অভাবে মূলত এসকল প্রতিষ্ঠানের এমন দূরবস্থা। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতিগত সহায়তার অভাব, ঋণ বিতরণে কাঠামোগত দুর্বলতা এবং ব্যাংকগুলোর সাথে অসম প্রতিযোগীতা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠেলে দিয়েছে ধংসের দ্বারপ্রান্তে।
যেভাবে দুরবস্থার সূচনা
মূলত ২০১৪ সালে পি কে হালদারের মাধ্যমে এই খাতে দুরবস্থার সূচনা ঘটে। ২০০৯ সালে পি কে হালদার রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এমডি ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের জুলাইয়ে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের এমডি পদে যোগ দেন। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠান দুটির নাম পরিবর্তন হয়ে আভিভা ফাইন্যান্স ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক নামে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এরমধ্যে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক সম্প্রতি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সাথে একীভূত হয়ে যায়। নানা কৌশল অবলম্বন করে চারটি প্রতিষ্ঠান দখল করেন পি কে হালদার। প্রথমে দেশে বিদেশে নামে-বেনামে বিভিন্ন কোম্পনি খুলেন। এসকল কোম্পানির নামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়েছেন। পরবর্তীতে শেয়ারবাজার থেকে শেয়ার কেনার মাধ্যমে চারটি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেন পি কে হালদার। তবে নিজের নামে কোন শেয়ার কেনেননি তিনি। মূলত বিভিন্ন কোম্পানির নামে এসকল শেয়ার কেনা হয়। এসব কোম্পানির মালিক তার স্ত্রী, মা, ভাইসহ আত্মীয় স্বজনরাই। আর এসব কর্মকান্ড সংঘটিত হয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নাকের ডগায়।
তার দখল করা প্রতিষ্ঠান চারটি হলো ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)। চারটি কোম্পানিরই বেহাল দশার কারণে সম্প্রতি অবসায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বন্ধ হতে যাচ্ছে ৯টি প্রতিষ্ঠান
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৮টি সহ মোট ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসকল প্রতিষ্ঠান হলো-বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি, এফএএস ফাইন্যান্স, প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, পিপল’স লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। এছাড়াও অতালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান আভিভা ফাইন্যান্সও এ তালিকায় আছে।
আমানতকারীদের উদ্বেগ
একটি অবসায়ন প্রক্রিয়াধীন প্রতিষ্ঠানের আমানতকারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জীবনের সব সঞ্চয় এখানে রেখেছিলাম। এখন টাকা পাব কি-না, কবে পাব কিছুই জানি না। বারবার অফিসে গিয়েও স্পষ্ট উত্তর মিলছে না।
আরেক আমানতকারী বলেন, ব্যাংকে কম সুদ বলে এনবিএফআইয়ে টাকা রেখেছিলাম। এখন সুদ তো দূরের কথা, মূল টাকাই অনিশ্চিত।
বিনিয়োগকারীদের ক্ষোভ
পুঁজিবাজারের এক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা সময়মতো ব্যবস্থা নিলে আজ আমাদের এমন ক্ষতির মুখে পড়তে হতো না। বছরের পর বছর লোকসানের তথ্য জেনেও কোম্পানিগুলো তালিকায় ছিল।
আরেক বিনিয়োগকারী বলেন,শেয়ারের দাম প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে। এখন এসব কোম্পানির দায় কে নেবে?
খাত সংশ্লিষ্টের বক্তব্য
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের এমডি এবং সিইও কায়সার হামিদ বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন, ব্যাংক খাতের মতো এ খাতেও দায়ী উচ্চ খেলাপী ঋণ ও সুশাসনের অভাব। দেশের রাজনৈতিক অবস্থার যে প্রতিফলন সেটা এই খাতের মধ্যেও আছে। এখান থেকে বের হতে হলে খাতের বিজনেস মডেল যেমন ঠিক করতে হবে ঠিক তেমনি সরকারের নীতি সহায়তা ও দৃষ্টি ছাড়া এই খাতকে এখান থেকে উদ্ধার করা একেবারেই সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ব্যাংকের ক্ষেত্রে যেভাবে সরকার মার্জার এবং লিকুইডিটি সাপোর্ট দিয়ে সেক্টরকে বাঁচিয়ে রেখেছে, আর্থিক খাতে বন্ধ করে কয়েকটা প্রতিষ্ঠানের সমাধান করা যাবে কিন্তু খাতকে বাঁচানো যাবে না। খাতকে বাঁচাতে হলে এখানে লিকুইডিটি সাপোর্ট এবং স্ট্র্যাটেজিক সাপোর্ট দুটোই প্রয়োজন।
যা বলছেন বিশ্লেষকরা
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) অধ্যাপক ড. শাহ মো: আহসান হাবীব বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন, নন ব্যাংকগুলো যাতে ঠিকভাবে দাঁড়াতে পারে সেজন্য দুইটা মার্কেটের প্রয়োজন হয়। একটা হলো নন সিকিউরিটি বলি আমরা, যেটা ডিপোজিটের পার্ট। সেইসাথে সিকিউরিটি মার্কেটেরও প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশে যেহেতু সিকিউরিটি মার্কেটের পার্টটা নাই সেজন্য নন ব্যাংকগুলো লায়াবিলিটি সাইড খুবই দুর্বল, মানে বন্ড মার্কেট নাই। বন্ড ইস্যু না করলে ওরা লং টার্ম ফান্ড পায় না, এটা একটা বিষয়। একই সঙ্গে ব্যাংক বহির্ভূত প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি প্রমোট করার জন্য পলিসি লেভেল থেকেও তেমন কিছু করা হয়নি।
আর ব্যাংকের থেকে নন ব্যাংক একটু কম রেগুলেটেড। ব্যাংক কিন্তু হাই রেগুলেটেড। তাই ব্যাংকের তুলনায় ওখানে স্ক্যাম বেশি হয়েছে। সেজন্য আস্তে আস্তে নন ব্যাংক খাতের নয়টি প্রতিষ্ঠান খারাপ অবস্থায় নেমে গেছে। এখানে যা হয়েছে এগুলো কোন লোন ছিল না, আসলে এগুলো জালিয়াতি। বাংলাদেশে এগুলোকে ডিফল্ট বলে। কিন্তু এগুলো কোন এনপিএল ডেফিনেশনের মধ্যে পড়ে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুশাসনের অভাব, দুর্বল নিয়ন্ত্রণ, রাজনৈতিক প্রভাব ও ঋণ জালিয়াতি সব মিলিয়ে এনবিএফআই খাত আজ এই সংকটে পড়েছে। দ্রুত কার্যকর সংস্কার ও আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় জরুরি নীতিগত পদক্ষেপ না নিলে পুরো খাতের ওপর আস্থা ফেরানো কঠিন হবে।
বিএইচ
- ১ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে বিশিষ্ট আলেমদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা
- ২জিডিপির ৫ শতাংশ চিকিৎসা খাতে ব্যয় করা হবে: মির্জা ফখরুল
- ৩সিন্ডিকেট-মজুদদারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করবে সরকার
- ৪আমরা বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই: শিক্ষামন্ত্রী
- ৫চা শিল্পে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি
- ৬রায়পুরে বিয়েবাড়িতে মাংস ঝাল হওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩
- ৭মার্কিন সিনেটে ভারত-চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিল পাস
- ৮অসময়ে তরমুজ চাষে কৃষকের দৃষ্টান্ত স্থাপন
- ৯ড্যাবের চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- ১০দেশে চিংড়ি রপ্তানি কমেছে ৬২ শতাংশ
- ১চাঁদপুরে একযোগে বদলি ৩১ ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা
- ২মানুষ আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে পারবে এমন বিচার বিভাগ চাই: আইনমন্ত্রী
- ৩চাঁদপুরে ফুটবল মাঠ উদ্বোধন করলেন শেখ ফরিদ আহম্মেদ
- ৪আগামী রবিবার মহেশখালী আসছেন প্রধানমন্ত্রী
- ৫সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ, অপ-সাংবাদিকতা পরিহার করতে হবে
- ৬গাজীপুরে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল সমাবেশ
- ৭বাকৃবিতে শুরু হচ্ছে বিএসভিইআরের আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন
- ৮১৫ আগস্ট ৭৫ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর হাতে অবসর সুবিধার টাকা
- ৯ব্লু ইকোনমি সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে
- ১০জবির লোক প্রশাসন বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন





পাঠকের মতামত