
পাবনার ঈশ্বরদীতে ডাক্তারের গাফিলতিতে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ তুছেলে স্বজনরা। এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানায় নবজাতক শিশুকে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃত শিশুর পিতা মো. সুজন হোসেন। তবে অভিযোগটি মিথ্যা এবং ডাক্তারের অবহেলার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ডা. রাবেয়া বসরী।
গত বুধবার দুপুরে উপজেলার পৌর শহরের আকলিমা সেবা ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিবার এবং থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের সাহাপুর মন্ত্রীমোড় এলাকার সুজনের স্ত্রী ময়না খাতুন (২২) এর প্রসব বেদনা উঠলে তারা স্বজনদের সহযোগীতায় ঈশ্বরদী হাসপাতাল গেট সংলগ্ন আকলিমা সেবা ক্লিনিকে নিয়ে আসলে সংশ্লিষ্টরা তাদের দ্রুত ভর্তি হয়ে যেতে বলেন। উপায় না দেখে তারা দ্রুত সেখানে ভর্তি হয়ে যান। এর পরই শুরু হয় ডাক্তার আসার কথা বলে কালক্ষেপণ।
মৃত শিশুর পিতা মো. সুজন জানান, আমরা সকাল ১১ টায় ক্লিনিকে আসলে আল্ট্রাসনো করে আমাদের দ্রুত সিজারের কথা বলেন তারা। আমিও বাচ্চা এবং মায়ের ভালোর জন্য দ্রুত ভর্তি করাই। তারপর থেকেই সেখানকার লোকজন আমার সাথে নানা ছল চাতুরী করতে থাকে। অবশেষে ডাক্তার রাবেয়া বসরি ক্লিনিকে আসেন ২ টা ৫০ মিনিটে। তারপর ওটি থেকে আমাকে মৃত বাচ্চা এনে দেন।
এসময় তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, আকলিমা ক্লিনিক এর অব্যবস্থাপনার জন্যই আমার বাচ্চাটা মরেছে। তারা আমার বাচ্চাটি মেরে ফেলেছে। আমি এর সুস্থ্য বিচার চাই।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আকলিমা সেবা ক্লিনিকের কর্মচারী জানান, তারা যখন ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছিলো তখন আল্ট্রাসনো করে বাচ্চার হার্টবিটসহ সকল কিছু স্বাভাবিক ছিলো। তবে সিজারের পর মরা বাচ্চা হয়েছে।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত ডা. রাবেয়া বসরি বলেন, ডাক্তাররা তো আজরাইল না যে কারো জান কবজ করবে! যদিও সুজন এবং ময়না দম্পত্তির এটা দ্বিতীয় সন্তান। প্রথম সন্তানের সময় ময়নার সিজার ছিলো । তাই দ্বিতীয়টার বেলাতেও তাদের বলেছিলাম নরমাল ডেলিভারিতে বাচ্চা প্রসবের ঝুঁকি না নিতে। তারা আমার কথা না রেখে নরমালে প্রসবের চেষ্টা করতে সদর হাসপাতালে যান। সেখানে ব্যর্থ হয়ে শেষ সময়ে আমার কাছে আসেন। আমরাও নরমালে চেষ্টা করলে ময়নার পেটের সেলাই ফেটে বাচ্চা পেটের গভীরে চলে যায়। তখন ওটিতে বিলম্ব হলে বাচ্চা মারা যায়।
- ১মে মাসে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় ধাক্কা
- ২চাঁদপুরে এক কালভার্ট বদলে দেবে ৮ গ্রামের মানুষের জীবন
- ৩আসছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, ৮২ লাখ মাদকাসক্তকে রক্ষায় আইনি সংস্কার
- ৪ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্যে হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে
- ৫হুমকির মুখে ১২০০ বিঘা আমন আবাদ, ঝুঁকিতে মাছ চাষ
- ৬পায়ে শিকল বাঁধা সেই নারী ফিরলেন স্বজনদের কাছে
- ৭কুড়িগ্রামের কাঁচকোলে ভাঙন মোকাবিলায় দিনরাত পাউবোর কাজ
- ৮জুলাইয়ের ১৮ দিনে এলো ১৮০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স
- ৯রেমিট্যান্স আহরণে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাইলফলক অর্জন
- ১০মোস্ট সাসটেইনেবল কোম্পানি অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ
- ১সিরাজগঞ্জে ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
- ২কক্সবাজারে পরিবার পরিকল্পনা কমিটির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
- ৩নির্মাণাধীন চাঁদপুর শহর সংরক্ষণ বাঁধের কাজ দৃশ্যমান
- ৪রবি আজিয়াটার বোর্ড সভা ২৮ জুলাই
- ৫প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র-সমাজের যৌথ দায়িত্ব: ডিএসসিসি প্রশাসক
- ৬ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষণ মামলায় তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন
- ৭ইরানের হামলায় ২ মার্কিন সেনা নিহত, জবাবে ভয়াবহ হামলা যুক্তরাষ্ট্রের
- ৮যমুনা ব্যাংকের বোর্ড সভা ২২ জুলাই
- ৯১৫ বছরের ধ্বংসযজ্ঞ অল্প সময়ে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়, তবে কাজ শুরু হয়েছে
- ১০চিলমারীতে ফের তীররক্ষা বাঁধে ধস, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ





পাঠকের মতামত