
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষকদের জন্য নেই কোন স্বতন্ত্র আবাসন ব্যবস্থা। বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭১ জন শিক্ষক থাকলেও মাত্র ২৮ জন শিক্ষক পাচ্ছেন আবাসন সুবিধা। যা মোট শিক্ষক অনুপাতের মাত্র ১০ শতাংশ।
এদিকে নির্মাণাধীন তিন তলা বিশিষ্ট শিক্ষক ডরমেটরির কাজ শেষ হয়নি সাড়ে চার বছরেও। ফলে শিক্ষকদের এই আবাসন সঙ্কট শীঘ্রই শেষ হচ্ছেনা।
জানা যায়, স্বল্প পরিসরে দুইটি পাঁচ তলা ভবন নিয়ে বর্তমানে শিক্ষকদের ডরমেটরি। সেখানে আবার কর্মকর্তাদের সাথে রুম ভাগাভাগি করে থাকতে হয় শিক্ষকদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছাড়া ট্রেজারার, ছাত্র পরামর্শক, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, হল প্রভোস্ট কারো নেই আবাসন সুবিধা। ফলে বাধ্য হয়ে কুমিল্লা নগরীসহ ক্যাম্পাসের আশেপাশে ভাড়ায় বাসায় থাকতে হচ্ছে তাদের।
কয়েকজন শিক্ষক বলেন, গবেষণাসহ বিভিন্ন কাজে শিক্ষকদের ক্যাম্পাস এলাকায় থাকতে হয়। কিন্তু এখানে আমাদের জন্য নেই কোন স্বতন্ত্র আবাসন ব্যবস্থা। শিক্ষার্থীদের মত শিক্ষকদের আবাসন সংকট চরম। এই অবস্থায় শিক্ষক ডরমেটরির কাজ শেষ হলে এ সংকট কিছুটা দূর হবে।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক ডরমেটরির কাজ শেষ হবে বললেও প্রায় সাড়ে চার বছরেও ৫০ শতাংশ শেষ করতে পারেনি। এজন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলা আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়ী করছেন শিক্ষকেরা।
নির্মাণাধীন শিক্ষক ডরমেটরি ঘুরে দেখা যায়, ভবনের দুই তলার কাজ আংশিক সম্পন্ন হলেও সেটি অপূর্ণাঙ্গ এবং তিন তলার কাজ কিছুটা করা হলেও ৫-১০ জন শ্রমিক দিয়ে ধীরগতিতে চলছে প্রকল্পটি। এমনকি অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকতে দেখা যায় নির্মাণকাজ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের মে মাসে শিক্ষক ডরমেটরির নির্মাণে টেন্ডারে ১৮মাসে কাজ শেষ করার কথা থাকলে তা আজও অর্ধেক কাজ বাকী। প্রকল্পের কাজ জাকির এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার জাহাঙ্গীর আলমের তদারকিতে চলছে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ।
ঠিকাদার জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমরা সঠিক সময়ে কাজ শেষ করতে পারিনি। এখন যে কোন উপায়ে আমরা ডিসেম্বর এর মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা করবো।
শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শামিমুল ইসলাম বলেন, আমরা বিষয়টি বারবার প্রশাসনকে অভিহিত করেছি। ২০১৭ সালে শুরু হলেও এখনো কাজটি শেষ হয়নি। যেটা খুবই হতাশাজনক। প্রশাসন এখানে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা না নেওয়ায় ঠিক সময়ে কাজ বুঝে পায়নাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. আবু তাহের বলেন, নতুন ডরমেটরির কাজ শেষ হলে শিক্ষকদের আবাসন সংকট দূর হবে বলে মনে করি। আমরা যে কোন মূল্যে ডিসেম্বর এর মধ্যে কাজ আদায় করে নিবো।
- ১থেমে থাকা বাসের পেছনে ৪ গাড়ির ধাক্কা, নিহত ২
- ২সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে মেঘনা ইন্স্যুরেন্স
- ৩কুলাউড়ায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু
- ৪সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে এমবিএল ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- ৫কুড়িগ্রামে বাসে হামলার প্রতিবাদে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ
- ৬ডিএসইতে পিই রেশিও কমেছে ১ শতাংশ
- ৭নিজ গ্রামে চিরনিদ্রায় শায়িত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক
- ৮ইয়েমেনের হোদাইদাহ বন্দরনগরীতে সৌদি আরবের ব্যাপক হামলা
- ৯স্পেন ও ফ্রান্সে ভয়াবহ দাবানল: সরানো হলো দুই লাখের বেশি মানুষ
- ১০দেশের সাত জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা
- ১মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমা সদৃশ বস্তু, নিষ্ক্রিয় করেছে পুলিশ
- ২যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ঘোষণায় সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক পাচ্ছে বাংলাদেশ
- ৩শেরপুরে হাতি সংরক্ষণে জনসচেতনতা বিষয়ক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ
- ৪কয়রায় জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের স্মরণে ছাত্রশিবিরের দোয়া অনুষ্ঠান
- ৫বাংলাদেশ-ভারতের পণ্য আমদানিতে মার্কিন শুল্ক ১০ শতাংশ
- ৬পাটশিল্পের স্বর্ণযুগ ফেরাতে যবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থীর এআই অ্যাপ ‘ম্যাটেরিও’
- ৭ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিনের বাসভবনে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার
- ৮লক্ষ্মীপুরে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার
- ৯রাজনগরে যাবজ্জীবন সাজা ও একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার
- ১০ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে : তথ্যমন্ত্রী





পাঠকের মতামত