প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৫ ৪:৩২ পিএম , আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৫ ৭:২৫ পিএম

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ এক ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। চলতি বছরের মার্চ শেষে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা। আর বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা আর ঋণের নামে লুটপাটের কারণে তছনছ হয়ে গেছে দেশের ব্যাংক খাত। বেশ কিছু ব্যাংক দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ইসলামী শরীয়াহ দ্বারা পরিচালিত কয়েকটি ব্যাংক চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। এর মধ্যে একটি হল ইউনিয়ন ব্যাংক।

ব্যাংকটির অধিকাংশ ঋণই খেলাপি। চলতি বছরের মার্চ শেষে ইউনিয়ন ব্যাংকের মোট বিতরণকৃত ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ১৭৪ কোটি টাকা। বিতরণকৃত ঋণের মধ্যে ২৫ হাজার ৩০২ কোটি বা ৮৯ দশমিক ৮১ শতাংশই ঋণই খেলাপিতে পরিণত হয়েছে।

আর এসব খেলাপি ঋণের মধ্যে ৬ হাজার ২৯৮ কোটি ৯০ লাখ টাকাই ইচ্ছেকৃত খেলাপি। ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ এক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে বিভিন্ন শাখার ১১৯ জন গ্রাহক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বিনিয়োগের উপর আরোপিত সুদ বা মুনাফা পরিশোধ করেনি।

এসব ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) হুমায়ুন কবির বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন, আমরাও এগুলো নিয়ে চিন্তিত। তবে এসব ঋণ আদায়ের জন্য আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। টাকা আদায়ে প্রয়োজনে আমরা আদালতে যাবো। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবো।

প্রতিবেদন অনুযায়ী ইচ্ছাকৃত খেলাপি গ্রাহক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:

আগ্রাবাদ শাখার গ্রাহক বিএলইউ ইন্টারন্যাশনালের ৯৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা, আগ্রাবাদ শাখার গ্রাহক চৌধুরী ট্রেডার্সের ৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, আগ্রাবাদ শাখার গ্রাহক হরিজন এন্টারপ্রাইজের ৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, আগ্রাবাদ শাখার গ্রাহক কর্নফুলি পুল্ট্রি এন্ড ডেইরি ফার্মের ৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, আগ্রাবাদ শাখার গ্রাহক মার্স টেক্সটাইলের শূন্য দশমিক ৯৪ লাখ টাকা, আগ্রাবাদ শাখার গ্রাহক এস আলম এন্ড কোম্পানির ১১৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, বদরখালি শাখার গ্রাহক ডে টু ডে সুপার মার্টের শূন্য দশমিক ৭৯ কোটি টাকা, বনানী শাখার গ্রাহক রেঙ্ক ডেনিম টেক্সটাইল মিলের ৩৫১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, বনানী শাখার গ্রাহক রেঙ্ক সোহেল কম্পোজিট টেক্সটাইল মিলের ২০০ কোটি টাকা, বনানী শাখার গ্রাহক রোট এপারেলসের ১০৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা, বনানী শাখার গ্রাহক রোট ট্রেডিং করপোরেশনের ১১১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

কক্সবাজার শাখার গ্রাহক আলম ট্রেডিং এন্ড বিজনেস হাউজের ৬ কোটি ৪ লাখ টাকা, দিলকুশা শাখার গ্রাহক এডভান্স ট্রেডিংয়ের ৬০ কোটি ৩২ লাখ টাকা, দিলকুশা শাখার গ্রাহক আকিজ মটরের ৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা, দিলকুশা শাখার গ্রাহক আল ফালাহ ট্রেডার্সের ৬২ কোটি ২ লাখ টাকা, দিলকুশা শাখার গ্রাহক ব্লুবেরি ইন্টারন্যাশনালের ৭৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা, দিলকুশা শাখার গ্রাহক চৌধুরী ট্রেড সেন্টারের ৮৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, দিলকুশা শাখার গ্রাহক সিটিজেন ট্রেড হাউজের ৩৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, দিলকুশা শাখার গ্রাহক ফিফু ট্রেড কর্ণারের ৬১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, দিলকুশা শাখার গ্রাহক এম. এম করপোরেশনের ৭৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা, দিলকুশা শাখার গ্রাহক মজিদ ট্রেডার্সের ৫৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা, দিলকুশা শাখার গ্রাহক মোস্তাক ট্রেডার্সের ৫৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, দিলশাখা শাখার গ্রাহক নাবা অ্যাপারেলসের ৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, দিলকুশা শাখার গ্রাহক ন্যাশনাল ট্রেডিং কর্পোরেশনের সাত কোটি ৭৯ লাখ টাকা, দিলকুশা শাখার গ্রাহক প্রাইম বিজনেস হাউজের ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা, দিলকুশা শাখার গ্রাহক সোলেমান এন্টারপ্রাইজের ৩৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা, ফটিকছড়ি শাখার গ্রাহক ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এসোসিয়েটের ৪১ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

এছাড়াও দিলকুশা শাখার গ্রাহক স্ট্যান্ডার্ড পেসিফিক কর্পোরেশনের ৪৩ কটি ২৮ লাখ টাকা, গুলশান শাখার গ্রাহক আহসান আজাদের ১০২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, গুলশান শাখার গ্রাহক অনুপম ফ্যাশন ওয়্যারের ১১১ কোটি ১৬ লাখ টাকা, গুলশান শাখার গ্রাহক আজাদ অটোমোবাইলসের ২৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা, গুলশান শাখার গ্রাহক বেঙ্গল এন্ড এম সার্ভিসের ১৮৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, গুলশান শাখার গ্রাহক গোল্ড ষ্টার ট্রেডিং হাউজের ৫ কোটি ২১ লাখ টাকা, গুলশান শাখার গ্রাহক গ্রীন ট্র’র ১৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, গুলশান শাখার গ্রাহক জিম এন্ড জেসি কম্পোজিটিভ লিমিটেডের ২২ কোটি ৮২ লাখ টাকা, গুলশান শাখার গ্রাহক মমতাজুল হকের ৭৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা, গুলশান শাখার গ্রাহক পাওয়ারপ্যাক মতিয়ারা জামালপুর পাওয়ার প্লান্ট লিমিটেডের ১৮৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, গুলশান শাখার গ্রাহক আরএমএস গার্মেন্টসের ২০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, রোহিদা রাহিদ রানায়া কর্পোরেশনের ৪ কোটি টাকা, গুলশান শাখার গ্রাহক রংধনু বিল্ডার্স প্রাইভেট লিমিটেডের ২৫৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা, গুলশান শাখার গ্রাহক এসবি টেডার্স এর ২৮ কোটি ৪১ লাখ টাকা, সুঘু ইন্টারন্যাশনালের তিন কোটি ৬৬ লাখ টাকা, হাটখোলা শাখার গ্রাহক কন্টিনেন্টাল বিজনেস হাউজের ৯৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা, হাটখোলা শাখার গ্রাহক ইসলাম ট্রেডার্স এর ৯৫ কোটি ৭ লাখ টাকা, হাটখোলা শাখার গ্রাহক এম. তমিজউদ্দিনের ৯৯ কোটি ৭ লাখ টাকা, হাটখোলা শাখার গ্রাহক নিউ ষ্টার বিজনেস টেকের ৪০ কোটি ১৩ লাখ টাকা, খোলা শাখার নিউ ভিশন ট্রেডার্স এর ১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, হাটখোলা শাখা গ্রাহক ভিউ কর্পোরেশনের ৪২ কোটি ৩০ লাখ টাকা, কদমতলী শাখার গ্রাহক ডাইমেনশন কর্পোরেশনের ৩২ কোটি ২৫ লাখ টাকা, কদমতলী শাখার গ্রাহক জুপিটার ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর ৪৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা, কদমতলী শাখার গ্রাহক নর্থ লিংক এর ৪৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

কেরানিহাট শাখার গ্রাহক আব্দুল আউয়াল এন্ড সন্স এর ১২ কোটি ৯০ লাখ টাকা, রানিহাট শাখার গ্রাহক আমিন ট্রেডার্স এর ১৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা, খুলনা শাখার সঞ্জয় ট্রেডার্স এর শূন্য দশমিক ৮৫ কোটি টাকা, খুলনা শাখার গ্রাহক ঐশী পুলট্রি ফার্মের শূন্য দশমিক ৩০ কোটি টাকা, কবিরহাট শাখার গ্রাহক হার্ট অফ মদিনা ট্রেডার্স এর ২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, লালদীঘি শাখার গ্রাহক লিডিং লিংক এর ৩০ কোটি ৫২ লাখ টাকা, লালদিঘি শাখার গ্রাহক স্পটলাইট কর্পোরেশনের ২০ কোটি তিন লাখ টাকা, লিচুবাগ শাখার গ্রাহক আবু হানিফের ২০ কোটি ১৫ লাখ টাকা, ইনভেনশন ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ৩৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, মনপুরা এগ্রো লিমিটেডের ৩৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা, কৃষিবিদ প্রপার্টিজ লিমিটেডের ৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, রোডস ডেভলপমেন্ট লিমিটেডের ৬ কোটি ৭১ লাখ টাকা, জনতা এন্টারপ্রাইজের ৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, সেকান্দর ট্রেডিং হাউজের পাঁচ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, মেসার্স মুনিয়া ট্রেডার্সের ০. ৪৫ কোটি টাকা, ইলেকট্রিক প্লাসের তিন কোটি টাকা, মান্নান ট্রেডার্স এর ১০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, মর্ডান বিজনেস হাউজের ২১ কোটি টাকা, বড় আউলিয়া ফার্নিচার মার্টের দশমিক ১৫ কোটি টাকা, হারমোনিয়াজ বিজনেস হাউসের বিশ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

নাবির ট্রেডিং কর্পোরেশনের ১০ কোটি ৩২ লাখ টাকা, হোয়াইট হার্ট ইন্টারন্যাশনাল এর ৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা, আরাবি ট্রেডার্সের ০.৬৬ কোটি টাকা, অগ্রণী ট্রেডিংয়ের ১৬৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, এলাইভ হোল্ডিং লিমিটেডের ১০৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা, এলাইন্স ইন্টারন্যাশনাল এর ১৫৫ কোটি ৯২ লাখ টাকা, এশিয়ান ইন্টারন্যাশনালের ১৪৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, ব্রডওয়ে ট্রেডিং কর্নারের ৮৭ কোটি ১৭ লাখ টাকা, ফেমাস ট্রেডিং কর্পোরেশনের ১৯৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, হায়াত ট্রেডিং এর ৭৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা, ইমেজ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর ১৩৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, ইনডেক্স ট্রেডিং কর্নারের ৮৮ কোটি ৫১ লাখ টাকা, ইন্সাল্ট কর্পোরেশনের ৫৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা, ইন্টেলেক্সুয়াল কর্পোরেশনের ১৩৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, এমএম কর্পোরেশনের ৮০ কোটি ৫ লাখ টাকা, এমটি ট্রেনিং কোম্পানির ৯৩ কোটি ৫ লাখ টাকা, মালেক এন্টারপ্রাইজের ৯৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, মামসু ল্যান্ড এন্ড প্রপারটি ডেভেলপমেন্টের ১১২ কোটি ৫১ লাখ টাকা, মাসুদ ট্রেডিংয়ের ১৪৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, মেক্সিমো কর্পোরেশনের ১৭৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

মেঘনা কনস্ট্রাকশনের ৭০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, মুকিম ট্রেড এজেন্সির ১৬৫ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, নিপটল ট্রেডিং কোম্পানির ৮৩ কোটি টাকা, নর্থপুল ইন্টারন্যাশনালের ১০৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, নুপটম ট্রেডিং এর ৬২ কোটি ১৯ লাখ টাকা, প্যারাগন বিজনেস হাউজের ৫৬ কোটি ৪ লাখ টাকা, প্রাইম ট্রেডিং হাউজের ৯৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা, প্রপারটি সলিউশনের ১১৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, রেডিয়েন্স ট্রেডিং এর ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, রফিক কর্পোরেশনের ১১৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা, রেপ তাস হাউসিং অ্যান্ড বিল্ডার্সের ৬৯ কোটি ৮ লাখ টাকা, সেভ সিকিউরিটি এন্ড ট্রেড সেন্টারের ১৮৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা, তাহের ট্রেনিং কর্পোরেশনের ১২৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, টিপসকো ইন্টারন্যাশনাল এর ৫৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা, ট্র্যাডিশনাল বিজনেস অ্যান্ড কমার্সের ৬৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা, উদয়ন কনস্ট্রাকশনের ১০০ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, ইউনিভার্সাল ট্রেডিং হাজার ১২০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

রাউত রাতুল হাউজের স্বপ্ন দশমিক ১৭ কোটি টাকা, নিউ ফিল্ডএক্সপ্লোরেশন এন্ড ট্রেডের ৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা, মায়ের দোয়া ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের শূন্য দশমিক ১১ কোটি টাকা, মনসুন এন্টারপ্রাইজের ২১ কোটি ৪০ লাখ টাকা, সানফ্লাওয়ার ট্রেডিং হাউজের ৮ কোটি ২০ লাখ টাকা, রহমান মেশিনারিজের ০.২৪ কোটি টাকা, রঞ্জন ট্রেডার্সের ০.২৫ কোটি টাকা, আমসন ট্রেডিং বিডির শূন্য দশমিক ৭৯ কোটি টাকা, হানিফ ইন্টারন্যাশনালের এক কোটি ২৯ লাখ টাকা এবং খান ফুড এন্ড এগ্রো কোম্পানির সৈন্য দশমিক ৬২ কোটি টাকা।

এম জি

শেয়ার

পাঠকের মতামত

এফবিসিসিআই’র রিপোর্ট গত বছরের তুলনায় এবার খাদ্যপণ্যের দামে বাড়তি চাপ

আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি আর জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে টালমাটাল দেশের নিত্যপণ্যের বাজার। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার রেশ ধরে ...

আইপিও তহবিলে অনিয়ম একমি পেস্টিসাইডসের, ব্যবসায় লোকসান হলেও লাগামহীন শেয়ারদর

আইপিও তহবিলের অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম, প্রসপেক্টাসে ঘোষিত সমসূচি না মানা, তহবিল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা ...