
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ড্রোন হামলায় শিশুসহ ১০ আফগান নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) এ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।যদিও ক্ষতিপূরণ নেওয়ার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন নিহতদের স্বজনরা। খবর বিবিসির।
কাবুল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের এক দিন আগে, ২৯ আগস্ট ওই ড্রোন হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কির প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার সেক্রেটারি কলিন কাহলও আফগানিস্তানে সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান স্টিভেন কোওনের এক বৈঠকের পর।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সেক্রেটারি লয়েড অস্টিন এ ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং তিনি ক্ষমাও চেয়েছেন তাদের কাছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর করার জন্য কাজ করা হচ্ছে বলেও জানানো হয় বিবৃতিতে।
তবে নিহত আহমাদির ২২ বছরের ভাগ্নে ফারশাদ হায়দারি এএফপিকে বলেছেন, এটি যথেষ্ট নয়। তাদেরকে অবশ্যই এখানে আসতে হবে এবং মুখোমুখি ক্ষমা চাইতে হবে।
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল গত ১৫ আগস্ট তালেবান নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর দেশটি থেকে লোকজন সরানো শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্ররা। সবশেষ ৩১ আগস্ট আফগানিস্তানের মাটি ছাড়েন মার্কিন সেনারা। এর মাঝে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে কাবুলের হামিদ কারজাই বিমানবন্দরে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে ১৭৫ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে ১৩ মার্কিন সেনাও ছিলেন। এ ঘটনার পরপরই কাবুলের দুটি স্থানে ড্রোন হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
দ্বিতীয় দফায় গত ২৯ আগস্ট কাবুল বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এসময় যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল, সন্দেহভাজন আইএস সদস্যের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে এবং ওই ব্যক্তি বিস্ফোরকভর্তি গাড়ি নিয়ে বিমানবন্দরে হামলার পরিকল্পনা করছিলেন।
পরে ওয়াশিংটন পোস্ট ও নিউইয়র্ক টাইমসের তদন্তের রিপোর্টে গাড়িচালকের পরিচয় জানা যায়। তার নাম জেমারি আহমাদি। ৪৩ বছর বয়সী এই প্রকৌশলী আফগানিস্তানে ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক সংস্থা নিউট্রিশন অ্যান্ড এডুকেশন ইন্টারন্যাশনালে কাজ করতেন। তার স্বজনদের দাবি, আহমাদি ও তার পরিবারের আরেক সদস্য মার্কিন সেনাদের কন্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ করছিলেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী হিসেবে যাওয়ার জন্য আবেদনও করেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের তদন্তেও একই তথ্য উঠে আসে। পরে হামলার ঘটনার কথা স্বীকার করে যুক্তরাষ্ট্র।
- ১ছাত্রলীগকে ডিফেন্ড করা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারী রাকসু ভিপির
- ২চাঁদপুরে নদীতে পড়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু
- ৩দেশের ৯ জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা
- ৪জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
- ৫সংসদের গণপূর্ত প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আগুন, তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ
- ৬২৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো আড়াই বিলিয়ন ডলার
- ৭সঞ্চয়পত্রে বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
- ৮মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
- ৯হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ অনেকে আহত
- ১০প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- ১নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩
- ২চাঁদপুরে অনুমতি ছাড়া নদী দখল করে হোটেল নির্মাণ
- ৩রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন ড. সোবহান
- ৪চরফ্যাসনে পানিতে ডুবে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু
- ৫স্পিকারের দিকনির্দেশনা পেলেই গাজী নজরুলের এমপি পদের সিদ্ধান্ত নেবে ইসি
- ৬ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক-অপরাধ দমনে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ
- ৭জুলাইয়ে অপেক্ষা করতাম, কখন জবির মিছিল আসবে: নাহিদ ইসলাম
- ৮দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু
- ৯বিএসইসির কমিশনার হলেন হোসেন সাদাত
- ১০পুলিশ জনগণকে সঙ্গে নিয়েই বাঁচবে, কারও লাঠিয়াল বাহিনী হবে না





পাঠকের মতামত