
কুষ্টিয়ার মিরপুরে শতবর্ষী রেলস্টেশন চালু রাখা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্টেশন মাস্টার পদায়নসহ ৭ দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মিরপুর উপজেলা উন্নয়ন কমিটির উদ্যোগে মিরপুর রেলস্টেশনে অবস্থান নিয়ে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
অবরোধের ফলে খুলনা-রাজশাহী ও ঢাকাগামী দুটি ট্রেন আটকা পড়ে। এতে খুলনার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগে সিডিউল বিপর্যয় ঘটে এবং যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
বিক্ষোভকারীরা জানান, শতবর্ষী মিরপুর রেলস্টেশনটি চালু হওয়ার পর দীর্ঘদিনেও উল্লেখযোগ্য কোনো সংস্কার হয়নি। অবকাঠামোর বেহাল দশা, স্টেশন মাস্টারের অভাবসহ নানা সংকটে যাত্রীসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এসব কারণে স্টেশন সংলগ্ন ও পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রায় ১৫ লাখ মানুষ নিয়মিত রেলসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বারবার দাবি জানানো হলেও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলেও অভিযোগ করেন তারা।
দুই ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচি চলাকালে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করেন আন্দোলনকারীরা। এরপর ধীরে ধীরে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এই অবরোধ কর্মসূচিতে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন।
মিরপুর উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি নজরুল করিম জানান, প্রায় দেড়শ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই স্টেশনটি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে বন্ধের পথে। এখানে গত ৩ বছর যাবৎ স্টেশন মাস্টার নেই। তাছাড়া দীর্ঘদিন ধরে স্টেশনের সংস্কারও করা হয়না। আমরা এ বিষয়ে রেলওয়ের কর্তৃপক্ষের সাথে বার বার কথা বলেও কোন লাভ হওয়ায় অজকের এই কর্মসূচি। দাবি পূরণ না হলেআরো কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
কুষ্টিয়ার মিরপুরের উন্নয়নবঞ্চিত রেলওয়ে স্টেশনটি আধুনিকায়নের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চান কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিষ্টার রাগীব রউফ চৌধুরী।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ব্রিটিশ আমলে নির্মিত কুষ্টিয়ার মিরপুর রেলওয়ে স্টেশনে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি দীর্ঘদিন ধরে। উপজেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত মিরপুর রেলওয়ে স্টেশনটি নানা সমস্যায় জর্জরিত। এই স্টেশনের কোনো উন্নয়ন হতে দেখিনি। একই সঙ্গে যাত্রী সেবার মানও খুবই নিম্নমুখী।
ব্রিটিশ শাসন আমলে প্রতিষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলাধীন এ রেলস্টেশন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ অঞ্চলের মানুষের রেলসেবা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছিল স্টেশনটি। তবে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের ছোঁয়া লাগেনি স্টেশনটিতে। স্টেশন মাষ্টারবিহীন এ স্টেশনে রেলস্টেশন চালু রাখা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্টেশন মাস্টার পদায়নসহ ৭ দফা দাবিতে ঐক্যমত পোষণ করেন।
পরে রেলওয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এনজে
- ১ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী
- ২তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- ৩‘তেলাপোকাদের’ চিহ্নিত করে গুন্ডা দমন আইনে মামলার ঘোষণা শুভেন্দুর
- ৪মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
- ৫পল্টনে আল ওয়াহদাহ ফাউন্ডেশনের ফ্রি কুরআন বিতরণ
- ৬খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পারে : আইজিপি
- ৭চকরিয়ায় বন্যার্ত ৫০ পরিবারকে ধরা’র ত্রাণ বিতরণ
- ৮সৌদিতে ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের হামলা, তেল পরিশোধনাগার থেকে বের হচ্ছে ধোঁয়া
- ৯ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জড়িত
- ১০রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রজ্ঞাপন জারি
- ১চা শ্রমিককে মারধরের অভিযোগে দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি ও মানববন্ধন
- ২চকরিয়ায় বন্যার্ত ৫০ পরিবারকে ধরা’র ত্রাণ বিতরণ
- ৩বীরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার
- ৪রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় তারেক রহমান
- ৫কুলাউড়ায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু
- ৬হাইটেক পার্ক আধুনিকায়ন, বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
- ৭হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
- ৮কুড়িগ্রামে রয়েল হাসপাতালকে জরিমানা ও কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ
- ৯সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে দেশের নতুন চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী
- ১০চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যায় ভেসে গেল ফসল, কৃষকের মাথায় হাত





পাঠকের মতামত