প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫ ৫:২২ পিএম

ফাল্গুনের বাতাসে বসন্তের ঘ্রাণ, ভালোবাসার উষ্ণতা পহেলা ফাল্গুন, ভালোবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে ঘিরে সারা দেশে ফুলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে জেলার ফুলচাষিরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ফুল পরিচর্যা, সংগ্রহ ও বাজারজাত করার কাজে।

ভোরের আলো ফোটার আগেই চাষিরা নেমে পড়েন ক্ষেতে। গাঁদা, গোলাপ, রজনীগন্ধা, চন্দ্রমল্লিকা, গ্লাডিওলাসসহ নানা জাতের ফুল সংগ্রহের কাজ চলে টানা দুপুর পর্যন্ত। এরপর ফুলগুলো ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না, কালীগঞ্জ উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা, মহেশপুর উপজেলার নেপা বাজারে পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। এই ফুলগুলো হাত বদলে পৌঁছে যায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে। সারাদেশে গাঁদা ফুলের ৭০ শতাংশ চাহিদা মিটে থাকে ঝিনাইদহ থেকে।

সরেজমিনে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের চান্দের পোল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ফুলের চাষ করেন সোলাইমান হোসেন ও তার বাবা। নতুন করে এক বিঘা জমিতে জারবারা ফুলের চাষ করেছেন। বর্তমানে ১ একর জমিতে চন্দ্রমল্লিকা, জারবারা, গোলাপ ও গাঁদা ফুলের চাষ করেন। এসময় দেখা যায়, সামনে বিশেষ দিবসকে ঘিরে ফুল গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে সোলাইমান ও তার বাবা। অন্যদিকে শ্রমিক দিয়ে চন্দোমল্লিকা বাগান থেকে ফুল উঠানো হচ্ছে বিক্রয়ের জন্য। গোলাপ বাগানে ফুলে ক্যাপ পরিয়ে রাখা হয়েছে। জারবারা শেডেও নেওয়া হচ্ছে বাড়তি যত্ন, যেন আগামী দিবসে বাড়তি দামে বাগানের ফুলগুলো বিক্রি করতে পারে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে, ঝিনাইদহে ২২৪ হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ হচ্ছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা ২৭ হেক্টর, কালীগঞ্জে ৭৫ হেক্টর, কোটচাঁদপুরে ৫২ হেক্টর এবং মহেশপুরে ৭০ হেক্টর। এর মধ্যে সব থেকে ঝিনাইদহ ও কালীগঞ্জে গাঁদা ফুলের চাষ বেশি হয়ে থাকে। আর এই ফুল সারাদেশের মধ্যে বিখ্যাত।

এম জি

শেয়ার

পাঠকের মতামত

পাথরঘাটায় খালের পাড়ে জলবায়ু-সহনশীল ৭৫০০ বৃক্ষরোপণ

বরগুনার পাথরঘাটায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ...