
করোনাভাইরাসের এই দুঃসময়ে সীমিত লোকবল নিয়েও গ্রাহকদের বিশেষ সেবা দিচ্ছে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাহক পর্যায়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছে ব্যাংকটি। গ্রাহক সেবায় জীবাণুনাশক, মাস্ক, পিপিই ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
এক সময়ের অবলুপ্ত বাংলাদেশ কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে ১৯৯৯ সালে তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে কমার্স ব্যাংকের যাত্রা শুরু। বর্তমানে করোনা সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে ব্যাংকটির ৬৭টি শাখা।
ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নাজমুল করীম সিদ্দিকী রাইজিংবিডিকে বলেন, শুরু থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইডলাইন অনুসরণ করে ব্যাংকিং কার্যক্রম চলছে। সাধারণ ছুটির সময়ে কমার্স ব্যাংকের ৬৭টি শাখাই রোস্টার সিস্টেমে কার্যক্রম চালিয়েছে। অধিকাংশ শাখাই খোলা ছিল। যেখানে কাছাকাছি একাধিক শাখা রয়েছে, সেখানে রোস্টার পদ্ধতিতে শাখাগুলো কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। বর্তমান সবগুলো শাখাই স্বাভাবিক নিয়মে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইডলাইন অনুসারে করোনা রোধে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ই-ব্যাংকিংও সক্রিয়। গ্রাহক চাইলে ইন্টারনেটে লেনদেন করতে পারে। এছাড়া রয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং। শিওর ক্যাশের মাধ্যমে মোবাইলে লেনদেন বা যেকোনও বিল পরিশোধ করতে পারবে। এছাড়া এটিএম বুথ সংখ্যা কম হলেও ডেভিট ও ক্রেডিট কার্ডধারী গ্রাহকরা অন্যান্য ব্যাংকের বুথ ব্যবহার করতে পারবেন।
সূত্র জানায়, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চাচ্ছে গ্রাহকরা যেন অনলাইন ব্যাংকিং সুবিধা গ্রহণ করে। কারণ তাদের মোবাইল ব্যাংকিংসহ অনলাইন ব্যাংকিং চলমান রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসরণ করে গ্রাহকের সঞ্চয়ী হিসাবের কিস্তি, ঋণের কিস্তি কিংবা বিদ্যুৎসহ যেকোনও বিলে জুন পর্যন্ত বিলম্ব জরিমানা মওকুফ করা হয়েছে। কৃষকসহ স্বল্প আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতে ব্যাংকটির রয়েছে ৫০ হাজার টাকা জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা। ঋণ বিতরণের অন্যান্য ক্ষেত্রেও সরকারের নির্দেশনা অনুসারে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি অন্যান্য বাণিজিক ব্যাংকের মতো সব ধরনের সেবা দিচ্ছে কমার্স ব্যাংক।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে, কর্মীদের জন্য রয়েছে স্বাস্থ্যবীমা এবং করোনা আক্রান্তদের ফ্রি চিকিৎসা সুবিধা। বিভিন্ন কার্যালয়ের প্রবেশমুখে সাবান ও পানি রাখা হয়েছে হাত ধোয়ার জন্য। বড় শাখাগুলোতে থার্মাল স্ক্যানার দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ব্যাংকের কার্যক্রম চলছে।
- ১বিএনপি নব্য স্বৈরাচার হওয়ার পথে হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম
- ২ডিজিটাল ট্রেড ও ফ্রিল্যান্সারদের সহায়তায় একাধিক নতুন বিধান
- ৩স্বাস্থ্যখাতে গবেষণায় খুবই কম ব্যয় করা হচ্ছে: জিয়াউদ্দিন হায়দার
- ৪আলোচিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন কারাগারে
- ৫পাবনায় যমুনা ব্যাংকের উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী, সনদ ও ক্রেস্ট বিতরণ
- ৬মৌলিক প্রশিক্ষণ নেওয়া ৫৬ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বদলি
- ৭ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ‘বাংলা কিউআর’ চালু করল ব্র্যাক ব্যাংক
- ৮আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত
- ৯সিরাজগঞ্জে নদীভাঙন কবলিতদের পাশে জেলা প্রশাসক
- ১০২০২৬ সালের মধ্যে বন্ধ কারখানা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- ১জবির নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্প নিয়ে ভয়ংকর নীলনকশা!
- ২নেশা চক্রের খপ্পরে অচেতন গরু ব্যবসায়ী, উদ্ধারের দুই দিন পর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল ‘আজকের তারুণ্য’
- ৩বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ
- ৪চাঁদপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
- ৫সরকারি বীজ খোলা বাজারে অবৈধভাবে বিক্রির দায়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড
- ৬শুধু নিরাময় নয়, রোগ প্রতিরোধে মনোযোগ দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ৭নবীনগর উপজেলা পরিষদে মাতৃদুগ্ধ কর্নার ও নারীদের নামাজের স্থান চালু
- ৮টেকসই অর্থায়নে উল্লম্ফন, কমেছে পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে বিনিয়োগ
- ৯বাকৃবিতে স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
- ১০একটি সাক্ষরের ভুলে ভেঙে গেল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন





পাঠকের মতামত