অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়কারী মো. আক্তার হোসেন, এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক সাবেক প্রধান সমন্বয়কারী জুয়েনা আজিজ।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ যৌথভাবে উপস্থাপন করেন যথাক্রমে ইউএনডিপির আমিনুল আরিফিন এবং সাইটসেভার্সের অয়ন দেবনাথ। তারা সমতা ভিত্তিক ও প্রবেশগম্য বাংলাদেশ বিনির্মাণে অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। পাশাপাশি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, প্রবেশগম্য ও টেকসই সমতার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন এবং প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
সাইটসেভার্স বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর এবং ডিজ্যাবিলিটি এল্যায়েন্স অন এসডিজিস বাংলাদেশের আহ্বায়ক অমৃতা রেজিনা রোজারিও অনুষ্ঠানে বলেন, প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক জাতীয় কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্যে সরকারের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগীদের আরও জোড়ালোভাবে জন্য কাজ করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারি গুয়েন লুইস, বাংলাদেশে আইএলও-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর টমো পটিয়ানন, ইউএনওমেনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলী সিং, ইউনিসেফের শিশু সুরক্ষা প্রধান নাতালি ম্যাকলে এবং ইউএনডিপির সহকারি আবাসিক প্রতিনিধি আনোয়রুল হক ভার্চুয়ালি যোগ দেন।
প্রধান অতিথি মো. আখতার হোসেন জাতীয় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) সূচক এবং প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তির মধ্যে শক্তিশালী সারিবদ্ধতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। সেন্টার ফর সার্ভিসেস অ্যান্ড ইনফরমেশন অন ডিজঅ্যাবিলিটির নির্বাহী পরিচালক খন্দকার জহুরুল আলমের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা এবং বিভিন্ন প্রতিবন্ধী সংস্থার প্রতিনিধিরা মুক্ত ও বিষয় ভিত্তিক আলোচনার সেশনে প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক কমিটির পুনরুজ্জীবিতকরণ, জাতীয় কর্মপরিকল্পনার জন্য বাজেট বরাদ্দ, প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক নিয়োগ, প্রতিবন্ধিতা ভাতা বৃদ্ধি, সরকারের জবাবদিহিতাসহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
পাঠকের মতামত