
হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক, পিপিই ও করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে আরটি-পিসিআর কিট উৎপাদন ও প্রস্তুত করার কাঁচামাল আমদানির ওপর বিদ্যমান শুল্ককর মওকুফের সুবিধা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এর ফলে এসব সুরক্ষা সামগ্রীর দাম বাড়বে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ প্রস্তাব করেন । অর্থমন্ত্রী হিসেবে তার এটি চতুর্থ বাজেট। এবার প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।
অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বিশেষ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে করোনাভাইরাস টেস্টিং কিট, বিশেষ ধরনের মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক ও পিপিই উৎপাদনে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল এবং করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে আরটি-পিসিআর কিট প্রস্তুত করার প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানির ওপর প্রযোজ্য সমুদয় শুল্ককর মওকুফ করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী দিক-নির্দেশনায় দেশে এখন করোনা পরিস্থিতির সমূহ উন্নতি ঘটেছে। তাই এসব পণ্যের ওপর প্রদত্ত বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা আগামী ৩০ জুনের পর রহিত করার প্রস্তাব করছি।
তবে ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী উৎপাদনে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানিতে বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করেন তিনি।
জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্বে অধিবেশনে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এতে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫ শতাংশে রাখার কথা বলা হচ্ছে। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় ৭৪ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা বেশি। আর সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৮৪ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা বেশি। নতুন বাজেটে সরকারের আয়ের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা হতে যাচ্ছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। অনুদান ছাড়া ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। আর অনুদানসহ ঘাটতি ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা।
আয়ের লক্ষ্যমাত্রা চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের তুলনায় ৪৪ হাজার ৭৯ কোটি টাকা বেশি। কর বাবদ ৩ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা আয় করার পরিকল্পনা করছে সরকার। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। নতুন অর্থবছরে এনবিআরকে আগের বছরের তুলনায় ৪০ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দিচ্ছে সরকার। এনবিআর বহির্ভূত কর থেকে আয় করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। আর কর ছাড়া আয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। বৈদেশিক অনুদান থেকে আয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ২৭১ কোটি টাকা।
- ১মার্জিন বিধিমালার সংশোধনী গেজেট প্রকাশ
- ২লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টার থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি
- ৩ন্যাশনাল হাউজিংয়ের কর্পোরেট পরিচালকের শেয়ার বিক্রয়ের ঘোষণা
- ৪বেরোবিতে শিক্ষার্থীদের থেকে প্রায় সাত লাখ টাকা অতিরিক্ত ফি আদায়
- ৫দুদক কমিশনার হলেন সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া
- ৬কালকিনিতে তিন ব্যবসায়ীকে ৯ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা
- ৭কয়রায় নিজ বাড়ি থেকেই ইয়াবাসহ আটক ২
- ৮ন্যানোপ্রযুক্তি নিয়ে বাংলা ভাষায় বই প্রকাশ যবিপ্রবি অধ্যাপকের
- ৯চাঁদপুরে কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বেহাল দশা
- ১০দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস
- ১ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে ন্যাশনাল ব্যাংকের ‘সিএএসএ’ ক্যাম্পেইন
- ২ছাত্রদলের শীর্ষ পদে সর্বোচ্চ আলোচনায় জবির জিয়াউদ্দিন বাসিত
- ৩এসএসসিতে ১২ লাখ খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন, আরও বাড়তে পারে
- ৪চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে বন্যার শঙ্কা
- ৫উপসচিব হলেন ২৭৭ কর্মকর্তা
- ৬বাংলাদেশ-কানাডা প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে আলোচনা
- ৭অভিযানে জব্দ দুই কোটির মালামাল এজাহারে হয়ে গেল ৩ লাখ টাকা
- ৮দর বৃদ্ধির শীর্ষে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স
- ৯ব্লক মার্কেটে লেনদেন ২৫ কোটি টাকার
- ১০চাঁদপুরে অচেতন করে স্বর্ণালঙ্কার লুটের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২





পাঠকের মতামত