
চল্লিশ বছর বয়সী মো. বাবলু ফকির। হত্যাসহ মোট দেড় ডজন মামলার আসামি তিনি। এরমধ্যে বিজ্ঞ আদালত তার বিরুদ্ধে ৩টি মামলায় গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেন। এসব মামলা আর পরোয়ানা মাথায় নিয়েই তিনি দিনের বেলায় প্রকাশ্যে দিতেন সংঘর্ষসহ নানা অপকর্মের নেতৃত্ব আর রাতে ঘুমিয়ে থাকতেন গভীর জঙ্গলে। অবশেষে শেষ রক্ষা হল না তার। পুলিশের জালে ধরাই পড়লেন তিনি।
একাধিক মামলার আলোচিত আসামি বাবলু ফকির ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের সংঘর্ষ প্রবণ এলাকা
হিসেবে পরিচিত বড় খারদিয়া গ্রামের মৃত মোজাম ফকিরের ছেলে। মঙ্গলবার রাতে খারদিয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন সালথা
থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শেখ সাদিক বলেন- গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে খারদিয়া ছয়আনিতে অবস্থিত একটি গভীর জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে বাবলু ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে গত ৫ মে খারদিয়া গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত সিরাজুল হত্যা, সালথা উপজেলা পরিষদ ও থানা ভাঙচুর, দ্রুত বিচার আইন, পুলিশ বাদীসহ বিভিন্ন অপরাধের ১৮টি মামলা রয়েছে। এসব মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন। তারমধ্যে তিনটি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেছেন বিজ্ঞ আদালত। এরমধ্যে সিরাজুল হত্যার দায় স্বীকার করে আজ বুধবার (২৫ মে) বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন বাবলু।
খারদিয়া গ্রামের একাধিক বাসিন্দা বলেন- একাধিক মামলার আসামি থাকার পরেও বাবলু ফকির গ্রামে থেকে প্রকাশ্যে নানা ধরণের অপকর্মের সাথে জড়িত ছিলেন। এলাকায় টুকটাক ঝামেলা হলে তিনি তাতে ইন্ধন দিয়ে বড় ধরণের সংঘর্ষ সৃষ্টি করে সবার আগে থেকে নেতৃত্ব দিতেন। সংঘর্ষ শেষে লোকজন নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর- লুটপাট করতেন।
তারা আরও বলেন- শুধু নিজের গ্রাম নয়, পাশের বোয়ালমারীর পরমশর্দী গ্রামে গিয়েও সংঘর্ষ সৃষ্টি করে বাড়িঘর ভাঙচুর ও
লুটপাট করতেন বাবলু। তার মূল পেশাই ছিল প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট করে উপার্জন করা। তবে পুলিশের ভয়ে রাতে তিনি বাড়িতে থাকতেন না। কাঁথা-বালিস ও মশারি নিয়ে কখনো পাট ক্ষেত আবার কখনো জঙ্গলে গিয়ে ঘুমাতেন। অবশেষে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করায় গ্রামে হয়তো শান্তি ফিরে আসবে।
- ১বিদেশি ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণে ভাটা, আমানত-মুনাফা ও রপ্তানি আয়ে গতি
- ২সুন্দরবনের বাঘ ও আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: পরিবেশমন্ত্রী
- ৩ওয়ানডে দলের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস
- ৪পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার
- ৫ডিজিটাল কনটেন্টে স্বাস্থ্যবার্তা ছড়ানোর আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর
- ৬স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হবে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৭ন্যাশনাল হাউজিংয়ের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৮সিকদার ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৯বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১০নর্দান ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১চাঁদপুরে নদীতে পড়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু
- ২শ্রীমঙ্গলে নাহিদ-হাসনাতদের গাড়িবহর আটকে দিলো পুলিশ
- ৩চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার
- ৪চাঁদপুরে পাট উৎপাদনে শীর্ষে সদর
- ৫হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে
- ৬মৌলভীবাজারে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পিটিয়ে আহত ৩
- ৭কেএমপির নতুন কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান
- ৮ভূরুঙ্গামারীতে গাঁজাসেবীর কামড়ে দুই যুবক আহত
- ৯বেড়া উপজেলার ৫০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে কারণ দর্শানো নোটিশ
- ১০পাথরঘাটায় খালের পাড়ে জলবায়ু-সহনশীল ৭৫০০ বৃক্ষরোপণ





পাঠকের মতামত