
কয়েকদিন ধরে ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। চারার গোড়া বা পাতা পচা রোগ এবং হলুদ বর্ণ ধারণ করে দুর্বল হয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন চাষিরা।
এদিকে সূর্যের আলো ঠিক মত না পাওয়ায় বোরোর বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হবার আশঙ্কা করছেন তারা। তবে বোরোর চারা রক্ষায় কৃষকদের পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে রাখাসহ বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন কৃষি বিভাগ।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় গত কয়েক দিন বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ায় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষিরা। আর এতে বোরো ধানের আবাদ ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বীজতলা নষ্ট হওয়ায় লোকসানের মধ্যে পড়েছেন চাষিরা।
জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ১ নম্বর করেরহাট, ২ নম্বর হিঙ্গুলী, ৩ নম্বর জোরারগঞ্জ, ৮ নম্বর দুর্গাপুর, ১২ নম্বর খৈয়াছড়া, ১৫ নম্বর ওয়াহেদপুর ও ১৬ নম্বর সাহেরখালী ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় বীজতলা তৈরি করা হয়। কিন্তু কুয়াশা ও শীতের তীব্রতায় এসব বীজতলার অধিকাংশই নষ্ট হয়ে গেছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর ১৪০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৫ হেক্টর বেশি জমিতে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শীত ও কুয়াশায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বোরো ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। সবুজ বীজতলা এখন ফ্যাকাশে, লালচে ও পচে নষ্ট হওয়ায় লোকসানে পড়েছেন চাষিরা। কোনো কোনো স্থানে ধানের বীজ অঙ্কুরিত হওয়ার আগেই পচে যাচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা জানান, বীজতলা রক্ষায় বিভিন্ন প্রকার ছত্রাকনাশক ছিটিয়েও ফল পাচ্ছেন না। এমনকি প্রতিদিন কুয়াশার পানি আলাদা করেও রক্ষা হচ্ছে না বীজতলা।
দুর্গাপুর ইউনিয়নের বোরো চাষি ইউসুফ বলেন, অতিরিক্ত কুয়াশা ও শীতে তাদের বেশির ভাগ বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। এখন আর সময় নেই পুনরায় বীজতলা করে আবাদ করার।
উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের মধ্যম ওয়াহেদপুর গ্রামের আব্দুল হান্নান বলেন, গত কয়েক বছরের মধ্যে এবার বেশি কুয়াশা পড়ছে। শীতের তীব্রতাও অনেক বেশি। ৬ শতক জমিতে বোরো ধানের বীজতলা তৈরি করেছি। বেশির ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। এখন কি করব বুঝতেছি না।
মিরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় বলেন, বোরো বীজতলা শীত ও কুয়াশায় ক্ষতির সম্মুখীন হলে সেচ দিয়ে সারা দিন ভিজিয়ে রেখে সন্ধ্যায় পানি ছেড়ে দিতে হবে। এতে বীজতলা ক্ষতির মুখে পড়বে না বলে জানান। তিনি আরো বলেন, কুয়াশা কমে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এ ছাড়া শুকনো স্থানে বীজতলা করার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছি।
- ১খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পারে : আইজিপি
- ২চকরিয়ায় বন্যার্ত ৫০ পরিবারকে ধরা’র ত্রাণ বিতরণ
- ৩সৌদিতে ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের হামলা, তেল পরিশোধনাগার থেকে বের হচ্ছে ধোঁয়া
- ৪ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জড়িত
- ৫রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রজ্ঞাপন জারি
- ৬ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন প্রত্যাহার
- ৭রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় তারেক রহমান
- ৮কোনো ধানাই-পানাই মানবো না, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতেই হবে
- ৯আ.লীগই ইতিহাস সবচেয়ে বেশি বিকৃত করেছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী
- ১০শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ প্রথম উইকেট মাত্র, আন্দোলন চলবে: সিজেপি
- ১চা শ্রমিককে মারধরের অভিযোগে দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি ও মানববন্ধন
- ২ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে : তথ্যমন্ত্রী
- ৩আত্মঘাতী বোমা হামলায় পাকিস্তানের ১২ সেনাসহ ১৫ জন নিহত
- ৪কয়রায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি’র সদস্য মনোনয়নে বিতর্ক
- ৫সংবিধান রক্ষা করেছি, নতুন সরকার দেশ চালাচ্ছে, এসব আমারই কৃতিত্ব
- ৬শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় মদসহ ২ চোরাকারবারি আটক
- ৭বীরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার
- ৮কুলাউড়ায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু
- ৯মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চা-শ্রমিকদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ
- ১০হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু





পাঠকের মতামত