
অনিয়ম-জালিয়াতির মাধ্যমে সব টাকা এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে এখন অন্য গ্রাহকদের রপ্তানি বিল দিতে পারছে না দেশের সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।
আহমেদ গ্রুপের চারটি প্রতিষ্ঠানের ৩৪ লাখ ৭২ হাজার ডলার রপ্তানি বিল ইসলামী ব্যাংকে পড়ে আছে। বিলগুলো ওভারডিউ হওয়ার পরও পরিশোধ করতে গড়িমসি করছে ইসলামী ব্যাংক। বিল আদায়ে ব্যর্থ হয়ে আহমেদ গ্রুপের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু বিপরীতে এস আলমের একটি প্রতিষ্ঠানের ৩ লাখ ৭৩ হাজার ডলারের এলসির দায় পরিশোধে তৎপর দেখা যাচ্ছে ইসলামী ব্যাংকে। এ লক্ষ্যে ইসলামী ব্যাংক নাছিরাবাদ শাখা থেকে অনুমতি প্রদানের জন্য প্রধান কার্যালয়ে একটি চিঠিও দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বললে আহমেদ গ্রুপের একজন কর্মকর্তা বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন, ইসলামী ব্যাংকের কাছে আমাদের অনেকগুলো রপ্তানি বিল ওভারডিউ হয়ে গেছে। বিল চাইলে শুধু দিচ্ছি দিব বলে। কিন্তু বিল আর দিচ্ছে না।
এ বিষয়ে জানতে ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) মুহাম্মদ মনিরুল মওলার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি বিষয়টি উল্লেখ করে তার হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিলেও তিনি কোনো রিপ্লাই দেননি। সবশেষ জনসংযোগ বিভাগের মাধ্যমেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আহমেদ গ্রুপের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইশরাক স্পিনিং মিলের ২২টি বিলে মোট ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৭৮৬ ডলার, ইশরাক কটন মিলের মোট রপ্তানি বিল ১৫ লাখ ৯৭হাজার ৭০২ ডলার, ইশরাক রোটোর স্পিনিং মিলের ১ লাখ ৩৫ হাজার ডলারের রপ্তানি বিল এবং ইশরাক টেক্সটাইল মিলের মোট রপ্তানি বিল হল ৯ লাখ ৮১ হাজার ৮৫৭ডলার।
অন্যদিকে, এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইউনিটেক্স কম্পোজিট মিলস লিমিটেডের এলসির দায় বাবদ ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৬৮৮ ডলার পরিশোধে বেশ তৎপর ইসলামী ব্যাংক। এলসির দায় পরিশোধের অনুমতি চেয়ে গত ২১ জানুয়ারি ইসলামী ব্যাংক নাছিরাবাদ শাখা থেকে প্রধান কার্যালয়ের স্পেশাল ইনভেস্টমেন্ট উইংয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়েছে।
চিঠি সূত্রে জানা গেছে, ইউনিটেক্স কম্পোজিট মিলের ৬ টি এলসি বাবদ বিদেশি কয়েকটি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৬৮৮ মার্কিন ডলার পাবে। সবগুলো বিলই ২০২৪ সালের বিভিন্ন সময়ে ওভারডিউ হয়ে গেছে।
এসব বিষয় নিয়ে কথা বললে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বাণিজ্য প্রতিদিনকে বলেন, ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ছায়া এখনো আছে। তার ইশারাতেই সব কিছু হচ্ছে। তারা এখনো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এস আলমের প্রতিষ্ঠানের সুবিধা দিয়ে থাকে।
এম জি
- ১ম্যারিকোর অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ ঘোষণা
- ২পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ার আর নেই
- ৩সিরাজগঞ্জে অস্তিত্বহীন মিলে চাল বরাদ্দের অভিযোগ
- ৪কাপাসিয়ায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়মের অভিযোগ
- ৫এনসিপির সমাবেশ ঘিরে সিলেটে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
- ৬সেতু বিভাগের সচিব এর সাথে পিপিপি প্রকল্পের বিকল্প ঋণদাতা প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
- ৭বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম
- ৮চাঁদপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
- ৯ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১০জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাবে আজ ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর
- ১শ্রীমঙ্গলে নাহিদ-হাসনাতদের গাড়িবহর আটকে দিলো পুলিশ
- ২চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার
- ৩পাথরঘাটায় খালের পাড়ে জলবায়ু-সহনশীল ৭৫০০ বৃক্ষরোপণ
- ৪মৌলভীবাজারে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পিটিয়ে আহত ৩
- ৫লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার
- ৬হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে
- ৭ভূরুঙ্গামারীতে গাঁজাসেবীর কামড়ে দুই যুবক আহত
- ৮জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে যবিপ্রবির ছাত্রী হলে প্রকাশ হবে দেয়াল পত্রিকা
- ৯সিকদার ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১০স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হবে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী





পাঠকের মতামত