
বিগত সরকারের আমলে দেশের ইসলামী ব্যাংকগুলো লুটেরাদের লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত হয়েছিল। তারা ঋণের নামে অনিয়ম আর জালিয়াতি করে হাজার হাজার কোটি লুটে নিয়েছে। এতে দুর্বল হয়ে পড়ে মানুষের আস্থার জায়গায় শীর্ষে থাকা ইসলামী ব্যাংকগুলো। দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংক খাতের অনিয়ম শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মতো চেপে রাখা হলেও সরকার পতনের পর এসব অনিয়মের প্রকৃত চিত্র বেড়িয়ে আসতে থাকে। আস্থার সংকট তৈরি হয় পুরো ব্যাংক খাতে। লুটেরাদের লুটপাটের খেসারত দিতে হচ্ছে সংকটে থাকা বেশ কয়েকটি ব্যাংককে। বিশেষ করে সঞ্চয়কারীদের মধ্যে আস্থা কমে যাওয়ায় ইসলামী ব্যাংকগুলোর আমানত ধারাবাহিক কমছিল।
তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ব্যাংকগুলোর আমানত কিছুটা বেড়েছে। চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ইসলামী ব্যাংকগুলোর আমানত কমেছিল ৪ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা। পরের মাস ফেব্রুয়ারিতে আমানত বেড়েছে ২ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা। তবে আমানত বাড়লেও কমেছে প্রবাসী ও রপ্তানি আয় এবং আমদানি বিল পরিশোধ।
ইসলামী ব্যাংকিং নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকগুলোর আমানতের স্থিতি ছিল ৩ লাখ ৮০ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা। আর পরের মাস ফেব্রুয়ারীতে ব্যাংকগুলোর আমানতের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮২ হাজার ১২ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসে পূর্ণাঙ্গ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোতে আমানত বেড়েছে ১ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা।
আর আর চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে শরীয়াহ ভিক্তিক ইসলামী ব্যাংকিংয়ের (পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংক, প্রচলিত ব্যাংকের ইসলামী ব্যাংকিং শাখা, ইসলামী উইন্ডো) মোট আমানতের স্থিতি ছিল ৪ লাখ ৩৩ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা। আর পরের মাস ফেব্রুয়ারিতে ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থায় আমানত দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৩৫ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা। সে হিসেবে এক মাসে আমানত বেড়েছে ২ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা।
তথ্যানুযায়ী, জানুয়ারি শেষে প্রচলিত ব্যাংকের ইসলামী ব্যাংকিং শাখাগুলোতে আমানত ছিল ৩০ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা। আর পরের মাস ফেব্রুয়ারিতে এসব শাখার আমানত দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৫১০ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসে বেড়েছে ১ হাজার ৫৬ কোটি টাকা। তবে ইসলামী উইন্ডোগুলোতে কমেছে ৬৬ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, আর চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ইসলামী ব্যাংকগুলোর মোট বিনিয়োগের স্থিতি ছিল ৫ লাখ ২৬ হাজার ২৯৫ কোটি টাকা। আর পরের মাস ফেব্রুয়ারিতে বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ২৮ হাজার ৯৯ কোটি টাকা।
আর চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইসলামী ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আমদানি বিল পরিশোধ হয়েছিল ১২৯ কোটি টাকা। আর পরের মাস ফেব্রুয়ারিতে পরিশোধ হয়েছে ১১০ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসে আমদানি বিল পরিশোধ কমেছে ১৯ কোটি টাকা।
আর চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইসলামী ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রপ্তানি আয় এসেছিল ৭৯ কোটি টাকা। আর পরের মাস ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানি আয় এসেছে ৭১ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ৮ কোটি টাকা।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইসলামী ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছিল ৫৩ কোটি টাকা। আর পরের মাস ফেব্রুয়ারিতে প্রবাসী আয় এসেছে ৫০ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসে প্রবাসী আয় কমেছে ৫ কোটি টাকা।
এম জি
- ১চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৩ জনের প্রাণহানি
- ২সূচকের উত্থানে চলছে লেনদেন
- ৩বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম
- ৪সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৩ জুলাই
- ৫সিটি ব্যাংকের বোর্ড সভা ২৬ জুলাই
- ৬আরএকে সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৬ জুলাই
- ৭রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা
- ৮দু:সহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বার্ষিকী আজ
- ৯সৌদি আরবের ওপর হুথি গোষ্ঠির সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা জারি
- ১০দেশের ১৯ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
- ১রণক্ষেত্র দিল্লি: ভারতের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে বড় আন্দোলনের’ ডাক সিজেপির
- ২মতিগঞ্জে টর্নেডোয় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান
- ৩গ্রাহকদের জন্য নিজস্ব ওএমএস চালু করছে মর্ডান সিকিউরিটিজ
- ৪কেশবপুরে দুই দিনব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- ৫চাঁদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ছাড়া খাবার তৈরি করায় জরিমানা
- ৬সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
- ৭সাতক্ষীরায় বিলে মৎস্য ঘের থেকে গাড়িচালকের মরদেহ উদ্ধার
- ৮৯৯৯-এ ফোনে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১০ শিক্ষার্থী উদ্ধার
- ৯ঝুঁকিতে চাঁদপুর মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প
- ১০যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন





পাঠকের মতামত