শফিকুল ইসলাম মাসুদ
নখের কালি শুকাতে না শুকাতেই আমরা জুলাই সনদ ভুলিয়ে দিতে বসেছি

পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে আমাদের চার বছরের সন্তানরাও জীবন দিয়েছে। আমরা যখন দেখেছি বিগত ১৭ বছর উন্নয়নের কথা বলে আমাদের নির্বাচন ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল, আবার বিগত দেড় বছর আমরা লক্ষ্য করলাম যে শেষ সময়ে আমরা কেউ কেউ নির্বাচন এবং নির্বাচন বলে বলে আমরা আমাদের মাথা থেকে বিচার এবং সংস্কারটাই ভুলিয়ে দিয়েছিলাম। আবার এখন এসে আমরা দেখলাম যে আমাদের নখের কালি শুকাতে না শুকাতেই উন্নয়নের কথা বলে আবার জুলাই সনদটাই ভুলিয়ে দিতে বসেছি।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে গণভোট ও জুলাই সদনের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আমাদের সন্তানরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে সেদিন কি প্ল্যাকার্ডে এটা লিখেছিল যে আমরা একটা ফ্যামিলি কার্ডের জন্য আজ রাস্তায় দাঁড়িয়েছি? সেদিন তারা দাঁড়িয়েছিল সংস্কারের জন্য। আমাদের সন্তানরা বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে, পা হারিয়ে, চোখ হারিয়ে দাঁড়িয়ে রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে একটা লেখা লিখেছিল আর সেটা হলো ‘রাস্তা সংস্কারের কাজ না, রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ চলছে’। আমরা যেন সংস্কারের কথাটা মাথায় নিতে পারছি না। আমরা সংস্কারের পরিবর্তে এখন সংশোধনীর দিকে যাচ্ছি। এই সংশোধনীর জন্য আমাদের ছেলেরা, আমাদের তরুণ যুবকরা, আমাদের জনতারা রক্ত দেয়নি।
সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি আরও বলেন, আমি একটা কথা পরিষ্কার বলি, অ্যামেন্ডমেন্টের (সংশোধনীর) জন্য তো শেখ হাসিনাও সেদিন অফার করেছিল— ২৪ ঘণ্টা দরজা খোলা আছে, তোমরা সংশোধনীর জন্য আসো। সেদিন এই ছাত্র-জনতা সংশোধনী মেনে নেয়নি, তারা সংস্কারের জন্য কথা বলতে চেয়েছে। আজ আমরা সংস্কারটা মাথায় নিতে পারছি না।
খাল খনন-ফ্যামিলি কার্ড-কৃষি কার্ডের সমালোচনা করে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, আমরা আজ পরিষ্কার একটা কথা বুঝি যে আমাদের এই সংস্কারের প্রয়োজনটা দরকার। আমরা খাল খননে গুরুত্ব দিলাম, ফ্যামিলি কার্ডে গুরুত্ব দিলাম, কৃষি কার্ডে গুরুত্ব দিলাম, আমরা আরও অনেক কাজে গুরুত্ব দিলাম অথচ সংস্কার করলাম না। অথচ যেটার জন্য আজ নির্বাচন করে আমরা এখানে নিজেরা কথা বলার সুযোগ পেলাম, সেই সংস্কারে আমরা নজর দিতে পারলাম না কেন?
তিনি আরও বলেন, আমাদের আশঙ্কার জায়গাটা, উদ্বেগের জায়গাটা, উৎকণ্ঠার জায়গাটা, ওইখানে যে ১১টা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বদল হয়েছে। আমরা কি লক্ষ্য করলাম না— সবাই মিলে যদি বাংলাদেশ হয়। তাহলে সরকারি দলের বাইরে একজন যোগ্য লোক, সৎ লোক ওখানে খুঁজে পাওয়া গেলো না। ৪২টা যে জেলা প্রশাসক নিয়োগ হয়েছে। বাংলাদেশে এই ৪২ জন জেলা পরিষদের একজনও অন্য দলের নেই।
বিএইচ
- ১জিডিপির বাইরে থাকা পাঁচ খাতে বাড়ছে কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও মূল্য সংযোজন
- ২রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ উপলক্ষ্যে হাফিজ উদ্দিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা
- ৩কয়রায় জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের স্মরণে ছাত্রশিবিরের দোয়া অনুষ্ঠান
- ৪দেশে নতুন বিনিয়োগের ৯২ শতাংশই চীনের: বিডা
- ৫ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
- ৬শেরপুরে হাতি সংরক্ষণে জনসচেতনতা বিষয়ক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ
- ৭ যুক্তরাষ্ট্রের সিএইএস এর সাথে যবিপ্রবির এনএএমই ল্যাবের সমঝোতা
- ৮ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিনের বাসভবনে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার
- ৯উদীয়মান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টিএসি অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ
- ১০জামায়াতের এমপি মোমিনের ইমামতিকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত হাতাহাতি
- ১বগুড়ায় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনে আইনের খসড়া অনুমোদন
- ২যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ঘোষণায় সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক পাচ্ছে বাংলাদেশ
- ৩অদম্য তরুণ ইসমাইল ইকনের পাশে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- ৪মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেশসেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জুবাইদা রহমানের
- ৫ধর্ম-জাতিগত পরিচয়ের কারণে কাউকে সুযোগ কম দেওয়া যাবে না
- ৬ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, নতুন রোগী ৪৫০
- ৭খেলাপি হলে মিলবে না ইডিএফ ঋণের নতুন সুবিধা
- ৮থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দেশে ফিরছেন স্পিকার
- ৯দেড় বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পাইপলাইনে
- ১০বৃষ্টিমুখর পরিবেশে ঢাকার বায়ুর মান ‘ভালো’





পাঠকের মতামত