
গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রায় দুই যুগের দুর্ভোগ জলাবদ্ধতা নিরসনে স্বপ্রণোদিত হয়ে ড্রেন নির্মাণ করছে স্থানীয় বাসিন্দারা। উপজেলার নয়নপুর এলাকার হানু মার্কেট থেকে ডেকো গার্মেন্টস অভিমুখী আসাদুজ্জামানের বাড়ী পর্যন্ত এক হাজার ফুট ড্রেন নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। নিজেদের অর্থায়নে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় তাদের এমন উদ্যোগ এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এলাকার সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে নিজেরাই সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব নিয়েছেন। স্থানীয় পর্যায়ে যারা এই কাজটির সমন্বয় ও নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সব মহলে ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছেন। ড্রেন নির্মাণের ফলে মশার উপদ্রব, দুর্গন্ধ ও পানিবাহিত রোগের প্রকোপ কমে আসবে। এমন উন্নয়নমূলক কাজে এলাকার অন্যান্য বাসিন্দাদেরও অনুপ্রাণিত করা সম্ভব বলে মনে করেন সচেতন মহল।
ব্যবসায়ী রফিক মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাওনা-ধনুয়া আঞ্চলিক সড়কের ওই অংশ জলাবদ্ধতার কারণে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পোশাক কারখানার শ্রমিক, যানবাহনের যাত্রী, চালক ও সাধারণ মানুষের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়ে আসছে। নতুন ড্রেন নির্মাণের ফলে জমে থাকা পানি দ্রুত নিষ্কাশনের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং চলাচল আরও সহজ হবে।
অটো রিক্সা চালক ফয়েজ উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন সময়ে এলাকায় দ্রুত শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠায় সড়কে জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথ সংকুচিত হয়ে পড়ে। এতে করে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন যানবহানের চালকদেরকে দীর্ঘদিন ধরে সড়কে জমে থাকা ময়লা পনি মাড়িয়ে দুর্ভোগ মাথায় নিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। সড়কের সংস্কারকাজ চলমান থাকায় এলাকাবাসী সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় না থকে প্রায় ৪০টি পরিবার একত্রিত হয়ে নিজ উদ্যেগে তারা ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু করেছে।
স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম, সুজন, মর্জিনা ও আলপনা আক্তার বলেন, বছরের ৪-৫ মাস সড়কটির এই নিচু অংশ পানিতে তলিয়ে থাতকো। বর্ষা মৌসুমে এখান দিয়ে চলাচল কষ্ট হয়ে যেতো। রিক্সা বা সাইকেল দিয়েও পানি পার হওয়া যেতো না। মাঝে মাঝে কাদা পানিতে পড়ে গিয়ে জামা-কাপড় ময়লা পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেলে ওইদিন স্কুল বা কলেজে যাওয়া যেতো না। স্থানীয়দের এ উদ্যেগকে সত্যিই প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।
ফল ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে সম্মিলিতভাবে নিজস্ব অর্থায়নে স্থানীয়দের জনকল্যাণমূলক ড্রেন নির্মাণের এই উদ্যোগ ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হবে।
মুদি দোকানি ইসমাইল হোসেন বলেন, ড্রেন নির্মানে সাময়িক দুর্ভোগ হলেও দীর্ঘদিনের জ লাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে আমরা মুক্তি পাচ্ছি। ড্রেন নির্মাণ শেষ হলেই আমরা পুরো সুবিধা ভোগ করতে পারব। সরকার বা জনপ্রতিনিধি যদি তাদের মতো চিন্তা করতো তাহলে এ দুর্ভোগ থেকে অমরা আরো আগেই মুক্তি পেতাম।
স্থানীয় বিএনপি নেতা ও মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফুল ইসলাম সরকার বলেন, সড়ক সংস্কার কাজ চলমান থাকাঅবস্থায় এখনই ড্রেন নির্মাণের উপযুক্ত সময়। এলাকাবাসীর এই উদ্যোগ জনস্বার্থে অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তাদের এ সমন্বিত উদ্যেগ আশপাশের এলাকার মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) শ্রীপুর উপজেলা প্রকৌশলী তৌহিদ আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি। তবে কাজ শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করলে কাজটা আও সহজ এবং ভালো হতো। এলাকাবাসীকে আবেদন করতে বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ম অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে।
এনজে
- ১বিদেশি ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণে ভাটা, আমানত-মুনাফা ও রপ্তানি আয়ে গতি
- ২সুন্দরবনের বাঘ ও আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: পরিবেশমন্ত্রী
- ৩ওয়ানডে দলের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস
- ৪পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার
- ৫ডিজিটাল কনটেন্টে স্বাস্থ্যবার্তা ছড়ানোর আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর
- ৬স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হবে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৭ন্যাশনাল হাউজিংয়ের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৮সিকদার ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৯বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১০নর্দান ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১চাঁদপুরে নদীতে পড়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু
- ২শ্রীমঙ্গলে নাহিদ-হাসনাতদের গাড়িবহর আটকে দিলো পুলিশ
- ৩চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার
- ৪চাঁদপুরে পাট উৎপাদনে শীর্ষে সদর
- ৫হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে
- ৬মৌলভীবাজারে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পিটিয়ে আহত ৩
- ৭কেএমপির নতুন কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান
- ৮ভূরুঙ্গামারীতে গাঁজাসেবীর কামড়ে দুই যুবক আহত
- ৯বেড়া উপজেলার ৫০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে কারণ দর্শানো নোটিশ
- ১০চট্টগ্রামে বন্যায় ১৪১ কোটি টাকার গ্রীষ্মকালীন সবজি নষ্ট





পাঠকের মতামত