
২৩৩ প্রতিষ্ঠানে অডিট ও অভিযান চালিয়ে এক হাজার ৬৭৬ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে ভ্যাট নিরীক্ষা গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। বিদায়ী ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ভ্যাট গোয়েন্দার কার্যক্রম মূল্যায়নে এ চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৪১টি প্রতিষ্ঠানে অডিট করে ও ৯২টি প্রতিষ্ঠানে সরাসরি অভিযান চালিয়ে ওই ফাঁকির বিষয়টি উদঘাটন করা হয়।
রোববার (৮ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বলেন, নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন শুরুর মধ্যেই করোনার বিস্তারের কারণে বড় ধরনের অভিযানে নামেনি ভ্যাট গোয়েন্দা। পরবর্তীতে অর্থনৈতিক কার্যক্রম ধীরে ধীরে চালু হওয়ায় এনবিআরের নির্দেশে ভ্যাট ফাঁকি রোধে মাঠ পর্যায়ের গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করে ভ্যাট গোয়েন্দা। এতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণও মিলেছে। ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদফতর ২৩৩টি তদন্তে এক হাজার ৬৭৬ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি উদঘাটন করেছে। জরিমানা হিসেবে আদায় হয়েছে ১৪৩ কোটি টাকা।
ভ্যাট গোয়েন্দা জানায়, গত অর্থবছরে রাজধানী ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান করাসহ নিয়মিত অডিটের মাধ্যমে প্রায় বিপুল পরিমাণ ফাঁকি উদঘাটন করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদফতর। এ তালিকায় ব্যাংক, বিমা, অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। বিশেষ অডিট ও অনুসন্ধান কার্যক্রমের মাধ্যমে সর্বমোট ১৪১টি প্রতিষ্ঠানের অডিট কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রায় এক হাজার ৪০৪ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটিত হয়েছে।
অডিটে সর্বোচ্চ রাজস্ব উদঘাটিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ৪৬২ কোটি ২৮ লাখ, প্রিমিয়ার ব্যাংক ১৪৫ কোটি ১৬ লাখ, ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংক ১২৫ কোটি ৭৩ লাখ, বেসিক ব্যাংক ১০০ কোটি ৫১ লাখ, জনতা ব্যাংক ৪৯ কোটি ৫২ লাখ, আমেরিকান লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ৪৮ কোটি ৮৪ লাখ, সোনালী ব্যাংক ৪৪ কোটি ২৭ লাখ, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট ২৬ কোটি ৩৭ লাখ, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ২৫ কোটি ২৮ লাখ, ডিপিএসএসটিএস স্কুল ২৩ কোটি ৩ লাখ, কারিশমা সার্ভিসেস ২০ কোটি ৯৭ লাখ, লংকা বাংলা ফাইন্যান্স ২০ কোটি ৬০ লাখ, এলিট পেইন্ট অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডা. ২১ কোটি ২০ লাখ টাকাসহ তালিকায় রয়েছে অনেক নামি-দামি প্রতিষ্ঠান।
এছাড়া গোয়েন্দা দল সরেজমিনে প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও দলিলাদি জব্দ করার মাধ্যমে প্রায় ১৩৪ কোটি ৬ লাখ টাকা উদঘাটিত হয়েছে। অভিযানে সর্বোচ্চ রাজস্ব উদঘাটিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে আকতার ফার্নিচার ৩৯ কোটি ৬৩ লাখ, মোহাম্মদী ট্রেডিং ৩৮ কোটি ৯৯ লাখ, চারুতা প্রাইভেট লিমিটেড ৩০ কোটি ৩৬ লাখ, উজালা পেইন্টস ২৭ কোটি ১৪ লাখ, হোটেল লেকশোর সার্ভিস ১৬ কোটি ৯৮ লাখ, ফুড ভিলেজ প্লাস ১৩ কোটি ৫২ লাখ, ফুড ভিলেজ লিমিটেড ১২ কোটি ৯৩ লাখ, ডিবিএল সিরামিক্স ৬ কোটি ৮৯ লাখ, খান কিচেন ৩ কোটি ৬০ লাখ, সুং ফুড গার্ডেন ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকাসহ তালিকায় রয়েছে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান।
এ উদঘাটন ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৫ গুণ বেশি এবং তাৎক্ষণিক আদায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি। ওই অর্থবছরে ভ্যাট ফাঁকি উদঘাটন হয়েছিল ৩১৯ কোটি টাকা।
- ১৪২ ঋণখেলাপির পাচারের অর্থ ফেরাতে ৮ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি
- ২রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল, ১১ দলের অলি আহমদ
- ৩বাগেরহাটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই নারীর সর্বস্ব পুড়ে ছাই
- ৪পাবনায় সমতল আদিবাসী নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
- ৫চাঁদপুর সিভিল সার্জনকে ক্ষমা করে বদলির আদেশ প্রত্যাহার করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ৬পাবনায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক ১
- ৭মোড়লগঞ্জে ৯ হাজার ৭৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
- ৮বাগেরহাটে বাসের ধাক্কায় অটোবাইক চালক নিহত, আহত ৪
- ৯শেরপুরের সীমান্তবর্তী বনে ১৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকার ভারতীয় মদ জব্দ
- ১০স্ট্রোকের পর সংকটাপন্ন রাবি শিক্ষার্থী
- ১কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
- ২রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী অলি আহমদ
- ৩সোমবার সকাল ১০টায় এসএসসি ও সমমানের ফল উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী
- ৪প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে উৎসবের আমেজ, বুকভরা আশা হাটহাজারীবাসীর
- ৫হেলিকপ্টারে মহেশখালীর পথে প্রধানমন্ত্রী
- ৬সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেফতার
- ৭আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে যা পারেনি, আমরা ৫ বছরেই তা করার চেষ্টা করবো
- ৮রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
- ৯আজ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- ১০কল-কারখানা স্থাপন করে উপকূলের বেকার সমস্যা সমাধান করা হবে: প্রধানমন্ত্রী





পাঠকের মতামত