
গ্রাহকের সাথে প্রতারণা ও আইন ভঙ্গের কারণে বিতর্কিত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি। মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন বণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাফিজুর রহমান।
তিনি বলেন, ইভ্যালিসহ ১০ কোম্পানি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ভোক্তা অধিকার আইন ও দণ্ডবিধি আইন লঙ্ঘন করেছে। “ইভ্যালি, ইঅরেঞ্জ, ধামাকাসহ কয়েকটার সমস্যা নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। তারা আইন অমান্য করেছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আমরা এটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করবো। এর আগেও ইভ্যালির বিষয়ে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছি। তারা এ বিষয়ে কাজ করছে বলে জানতে পেরেছি।”
তিনি জানান, এই মুহুর্তে তারা কেবল ইভ্যালির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বাকী ৯টি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে হাফিজুর রহমান বলেন, “জনগণকে প্রটেকশন দেওয়ার কোনো নিশ্চয়তা আমরা দিতে পারছি না। তবে সরকার চেষ্টা করবে গ্রাহকদের পাওনা বা পণ্য যাতে বুঝে পায়। মার্চেন্টদের ক্ষেত্রেও তাই। তবে ইভ্যালি যদি টাকা পাচার করে থাকে বা সেই টাকা উদ্ধার করা না যায় তাহলে হয়তো বিষয়টি কঠিন হবে। তবে গ্রাহকদের স্বার্থকেই আমরা অগ্রাধিকার দেবো। অপরাধী যাতে শাস্তি পায় সেটা আমাদের বিবেচনায় আছে।”
তৃতীয় পক্ষের অডিট ফার্মের মাধ্যমে ই-কমার্স কোম্পানিগুলোর আর্থিক দিকটি নিরীক্ষা করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারিশের কথা মনে করিয়ে দিয়ে হাফিজুর রহমান বলেন, কোনো মন্ত্রণালয় এভাবে অডিট করতে পারে কিনা সেটা আমরা দেখবো। এখানে কিছু আইনি ব্যপার আছে। আমরা যদি পারি তবে অডিট করবো।”
বিপুল ডিসকাউন্টের লোভ দেখিয়ে ৭ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারির প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে ইভ্যালি অগ্রিম টাকা নিলেও তাদের পণ্য সরবরাহ করেনি। গত জানুয়ারি থেকে ক্রেতারা যেসব পন্যের অর্ডার দিয়ে অগ্রিম মূল্য পরিশোধ করেছেন, সেগুলো ডেলিভারি করতে পারছে না ইভ্যালি। সময়মত পণ্য ডেলিভারি দিতে ব্যর্থ হয়ে যেসব ক্রেতাকে রিফান্ড চেক দিয়েছিল ইভ্যালি, ব্যাংকে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকায় সেগুলো ক্যাশ হচ্ছে না। এ অবস্থায় অনেক ক্রেতা ফেসবুক পোস্টে কম মূল্যে ইভ্যালির দেওয়া চেক বিক্রির জন্য স্ট্যাটাস দিচ্ছেন।
ইভ্যালির নিজস্ব হিসাবেই কোম্পানিটির মোট সম্পদের মূল্য ১২১ কোটি টাকার বিপরীতে দায়ের পরিমাণ ৫৪৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ, ইভ্যালির সব সম্পদ বিক্রি করলে কাস্টমার ও মার্চেন্টদের পাওনার মাত্র ২২ শতাংশ পরিশোধ করা সম্ভব।
এদিকে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ইভ্যালি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথি চেয়ে বেশ কয়েকটি সরকারি সংস্থাকে চিঠি দিয়েছে। এছাড়াও জালিয়াতি বা আত্মসাতের তদন্ত চলমান থাকায় ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন এবং তার স্বামী ও কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
- ১অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র: তথ্যমন্ত্রী
- ২এবার ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী বুঝে পেল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
- ৩জবির আইন ও ভূমি প্রশাসন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রাব্বি-সম্পাদক মারুফ
- ৪চট্টগ্রাম বন্দরে তৃতীয় প্রান্তিকে পণ্য হ্যান্ডলিংয়ে নেতিবাচক প্রবণতা
- ৫অভিবাসন ব্যয় কমাতে কাজ করছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ৬ব্যাংক খাতে নতুন দুর্যোগ: ছোট ঋণেও আশঙ্কাজনক খেলাপি
- ৭ব্যাংক রেজুলেশন আইনের ১৮ক ধারা বিলুপ্ত হচ্ছে
- ৮জবিতে আইএমএলডিসির বার্ষিক বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- ৯চাঁদপুরে ঘূর্ণিস্রোতে সাড়ে চার হাজার বস্তা সিমেন্টসহ ট্রলার ডুবি
- ১০শিবচরে মেজর ছেলের প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, মানববন্ধন
- ১চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসির ফল বিপর্যয়, পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ
- ২৩ কোম্পানির লেনদেন সাময়িক স্থগিত
- ৩১২ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা
- ৪মৌলভীবাজারে পুত্রবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শ্বশুর কারাগারে
- ৫এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল : চট্টগ্রামের ৮ বিদ্যালয়ের কেউই পাস করেনি
- ৬এসএসসিতে কুড়িগ্রামের চার বিদ্যালয়ে পাসের খাতা শূন্য
- ৭সৌদিতে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি নিহত
- ৮এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার কমেছে ৩.৯৯ শতাংশ
- ৯নাছিমা-কাদির মোল্লা হাই স্কুলের ৩৮২ শিক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫
- ১০শেখ হাসিনা ও হাদির হত্যাকারীদের প্রত্যার্পনের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ





পাঠকের মতামত