
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পুরো ১২ মাসে (জুলাই–জুন) প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে পাঠিয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৮ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার (৩৫,৫৮৯.৩৯ মিলিয়ন ডলার)। যা আগের অর্থবছরের পুরো সময়ের (৩০,৩২৮.৮১ মিলিয়ন ডলার) তুলনায় ১৭.৩৫ শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরের একক মাস হিসেবে মার্চ মাসে রেকর্ড ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ (৩,৭৫২.২১ মিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। আর জুনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২৮১ কোটি ৯০ লাখ (২,৮১৯.০৩ মিলিয়ন) ডলার।
রেমিট্যান্স প্রবাহে শীর্ষ ১০ দেশ
অর্থবছরের পূর্ণাঙ্গ ১২ মাসে শীর্ষ রেমিট্যান্স প্রেরণকারী দেশ হিসেবে নিজের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব। এ দেশ থেকে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৫৮৪ কোটি ৮৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার (৫,৮৪৮.৮৭ মিলিয়ন ডলার)। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য। ইউরোপের এই দেশ থেকে পুরো অর্থবছর (জুলাই-জুন) সময়ে এসেছে ৫০৭ কোটি ১৯ লাখ ৯০ হাজার ডলার (৫,০৭১.৯৯ মিলিয়ন ডলার)। তৃতীয় স্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে এসেছে ৪৫৮ কোটি ৩৯ লাখ ১০ হাজার ডলার (৪,৫৮৩.৯১ মিলিয়ন ডলার)। এর পরেই রয়েছে যথাক্রমে— মালয়েশিয়া (৩,৪০৩.৬৫ মিলিয়ন), যুক্তরাষ্ট্র (৩,০১৩.১৫ মিলিয়ন), ইতালি (২,০৫১.৫৩ মিলিয়ন), ওমান (২,০৪৮.১৫ মিলিয়ন), কুয়েত (১,৭৬৩.৭৩ মিলিয়ন), কাতার (১,৫৫৮.৫৩ মিলিয়ন) এবং সিঙ্গাপুর (১,৪৯৩.৯২ মিলিয়ন ডলার)।
অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক লেনদেনের চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রণোদনা, হুন্ডি দমনে নজরদারি জোরদার এবং মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হওয়ায় প্রবাসীরা আনুষ্ঠানিক পথে অর্থ পাঠাতে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। তারা মনে করেন, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বাড়াতে পারলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বার্ষিক রেমিট্যান্স আয় ৪০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করতে পারে।
এএ
- ১প্রবাসীদের সঞ্চয়কে নিরাপদ ও লাভজনক করতে চালু করেছি ‘বীর’ প্ল্যাটফর্ম
- ২মধ্যপ্রাচ্যে কমছে জনশক্তি রপ্তানি, বাড়ছে ইউরোপে
- ৩প্রবাসী আয়ে শীর্ষে ফিরলো ইসলামী ব্যাংক
- ৪রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব, দ্বিতীয় যুক্তরাজ্য
- ৫জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জুলাইয়ের রক্তের ঋণ শোধ হবে
- ৬রেমিট্যান্সের ৫২ শতাংশই ঢাকা বিভাগে, রংপুরে মাত্র ১ শতাংশ
- ৭নানা সংকটেও দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখছে প্রবাসী আয়
- ৮চট্টগ্রামে তীব্র গ্যাস সংকট, দুর্ভোগে নগরবাসী
- ৯গাজীপুরে অনিয়মের অভিযোগে ভুমি অফিসের চারজন বরখাস্ত
- ১০আমি হত্যার পক্ষে নই, এজন্যই ইরানের সঙ্গে চুক্তি চাই : ট্রাম্প
- ১পদ-পদবী সংকটে মানবেতর জীবন এমপিওভুক্ত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের
- ২১২ কেজির এলপিজির দাম বাড়ল ৭০ টাকা
- ৩এফবিসিসিআইয়ের নতুন প্রশাসক ফজলুল হক
- ৪প্রধানমন্ত্রীর আলোকচিত্রী পরাগের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাবনায় মানববন্ধন
- ৫শিগগিরই ঢাবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি, নেতৃত্বের দৌড়ে কারা এগিয়ে?
- ৬বিজয়নগরে জোরপূর্বক বৃদ্ধের জায়গা দখলের অভিযোগ
- ৭জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২.৮৫ বিলিয়ন ডলার
- ৮অপসাংবাদিকতার দৌরাত্ম্যে বিব্রত প্রকৃত সাংবাদিকরা
- ৯চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন
- ১০ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে নিঃস্ব হাজারো পরিবার, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি





পাঠকের মতামত