
গত কয়েক বছর ধরে পশ্চিমাদের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক অনেকটাই শীতল। দেশটি ইউরোপের চারপাশে ক্রমাগত সামরিক মহড়া বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যার ফলে গোটা মহাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকটাই হুমকির মুখে পড়েছে।
যদিও রাশিয়া বরাবরই এধরনের অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এ অঞ্চলের আকাশপথে রুশ-মার্কিন সামরিক বিমানগুলো মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা বেড়েছে কয়েকগুণ।
কিছুদিন আগেই ক্রিমিয়া সীমান্তে রাশিয়ার একটি যুদ্ধবিমান মার্কিন নৌবাহিনীর একটি জেটবিমানের পিছু নিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও এদিন অপ্রীতিকর কিছু ঘটেনি। তারপরও এ ধরনের সাক্ষাৎ অনেকটা নিয়মিত হয়ে ওঠায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বিশেষজ্ঞদের।
মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্যমতে, কৃষ্ণসাগরের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৯০ শতাংশ পরিদর্শন ফ্লাইটের সঙ্গেই রুশ বিমানের দেখা হয়। এ নিয়ে অস্বস্তি সৃষ্টি হয়েছে মার্কিন নৌসেনাদের মধ্যেও।
মার্কিন নৌবাহিনীর টাস্কফোর্স ৬৭’র কমোডোর ক্যাপ্টেন টিন থম্পসন বলেন, সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হচ্ছে হিসাবের গড়মিল। রাশিয়ানরা প্রায়ই এসব উড়োজাহাজের মুখোমুখি হয়। তাদের খুবই পেশাদার ও নিরাপদ মনে হয়। তবে কখনও কখনও তারা অপেশাদারও হতে পারে।
মার্কিন নৌবাহিনীর পি-৮এ পসেইডন বিমানের পাইলট ড্যানিয়েল লুডন বলেন, আমরা আসলেই জানি না অন্য উড়োজাহাজগুলো কী করছে। তারা অননুমেয় পাইলট হতে পারে। হতে পারে নতুন পাইলট বা এরকম কিছু। সুতরাং এটা সবসময়ই বড় চ্যালেঞ্জ।
রাশিয়ার যুদ্ধবিমানগুলো ক্ষীপ্র ও দ্রুতগামী। তারা যেকোনও মুহূর্তে গতিপথ বদলাতে সক্ষম। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের পি-৮এ হচ্ছে বোয়িংয়ের ৭৩৭ জেটলাইনার। লুডনের মতে, পি-৮এ ওড়াতে আনন্দদায়ক হলেও এটি তৈরি হয়েছে সোজা পথে চলার জন্য। এই বিমান রুশ যুদ্ধবিমানের মুখোমুখি হওয়ার মতো নয়।
ঠিক এই ঘটনাই ঘটেছিল গত ২৮ আগস্ট। সেদিন কৃষ্ণসাগরের ওপর মার্কিন বিমানবাহিনীর বি-৫২ বোম্বার বিমানের একেবারে নাক ঘেঁষে গিয়েছিল রাশিয়ার দু’টি এসইউ-২৭ যুদ্ধবিমান। মার্কিন বাহিনীর ধারণকৃত ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি রুশ ফাইটার মার্কিন বিমানের এতটাই কাছে চলে এসেছিল যে এর জন্য বোম্বারের ভেতর কাঁপুনি সৃষ্টি হয়।
গত ২৬ মে রাশিয়ার দু’টি এসইউ-৩৫ যুদ্ধবিমান মার্কিন নৌবাহিনীর আরেকটি বিমানকে দুইপাশ দিয়ে ঘিরে ধরেছিল বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এভাবে তারা প্রায় ৬৪ মিনিট মার্কিন বিমানটিকে তাড়া করেছিল বলে দাবি মার্কিনিদের। তবে এ অভিযোগও অস্বীকার করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
ইউরোপে মার্কিন নৌবাহিনীর ডিরেক্টর অব অপারেশন্স রিয়ার অ্যাডমিরাল অ্যান্থনি কার্লো বলেন, রাশিয়া শুধু কৃষ্ণসাগরেই নয়, ভূমধ্যসাগর, ব্যাল্টিক সাগর, ব্যারেন্টস সাগর, এমনকি আর্কটিক সাগরেও কার্যক্রম বাড়িয়েছে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের পরিদর্শন মিশনগুলো আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
তিনি বলেন, আমরা এখানে তাদের ওপর নজর রাখছি এবং তার কী করছে তা দেখছি।
মিত্রদের উদ্দেশে এ মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এটি সমস্ত সম্ভাব্য শত্রুদের জন্য একটি বার্তা। আমাদের অংশীদার ও মিত্রদের বলছি, এখানে তাদের সাহায্য করার জন্য আমরা আছি। সূত্র: সিএনএন
- ১ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারিতে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জড়িত
- ২রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রজ্ঞাপন জারি
- ৩ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন প্রত্যাহার
- ৪রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় তারেক রহমান
- ৫কোনো ধানাই-পানাই মানবো না, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতেই হবে
- ৬আ.লীগই ইতিহাস সবচেয়ে বেশি বিকৃত করেছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী
- ৭শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ প্রথম উইকেট মাত্র, আন্দোলন চলবে: সিজেপি
- ৮নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই সাংবাদিকতার মূল দর্শন হওয়া উচিত: তথ্যমন্ত্রী
- ৯বঙ্গভবনে অফিস, স্পিকারের বাসভবনে থাকবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
- ১০সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় ‘হাতিয়ার’ হতে দেওয়া হবে না: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা
- ১মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমা সদৃশ বস্তু, নিষ্ক্রিয় করেছে পুলিশ
- ২চা শ্রমিককে মারধরের অভিযোগে দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি ও মানববন্ধন
- ৩ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে : তথ্যমন্ত্রী
- ৪সংবিধান রক্ষা করেছি, নতুন সরকার দেশ চালাচ্ছে, এসব আমারই কৃতিত্ব
- ৫আত্মঘাতী বোমা হামলায় পাকিস্তানের ১২ সেনাসহ ১৫ জন নিহত
- ৬শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় মদসহ ২ চোরাকারবারি আটক
- ৭বীরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার
- ৮কয়রায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি’র সদস্য মনোনয়নে বিতর্ক
- ৯মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চা-শ্রমিকদের কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ
- ১০কুলাউড়ায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু





পাঠকের মতামত