ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: আগস্ট ২৮, ২০২৫ ৪:৫০ পিএম

নুরউদ্দিন জাবেদ, লক্ষ্মীপুর

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সমিতিরহাট-হাওলাদার সড়কের পাশে থাকা ছায়াদার প্রায় ৪০টি গাছ কোনো প্রকার টেন্ডার ছাড়াই বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব গাছ ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিন্টু ফরাজি এবং যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মাসুদ শেখ টাকা ভাগাভাগি করেছেন।

গাছগুলোর ক্রেতা আবু তাহের সাংবাদিকদের বলেন, দুই মাস আগে মাসুদ শেখ আমার কাছে ৩২টি গাছ ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। আমি সুবিধা বুঝে গাছ কেটে নিয়েছি। এ জন্য যদি দোষী হই, শাস্তি মেনে নেব। তবে পুরো টাকা এখনো দেওয়া হয়নি। ১০ হাজার টাকা মাসুদ শেখকে দিয়েছি, বাকি টাকা ইউনিয়ন পরিষদে দেওয়ার কথা।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, টেন্ডার ছাড়া গাছ বিক্রি করার কোনো নিয়ম নেই। অথচ দুই দলের প্রভাবশালী নেতারা যোগসাজশে গাছ বিক্রি করে অর্থ লুট করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে যুবদল নেতা মাসুদ শেখ বলেন, সড়ক নির্মাণের সময় গাছগুলো রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল। জনগণের সুবিধার্থে চেয়ারম্যান মিন্টু ফরাজির অনুমতি নিয়ে আমি বিক্রি করেছি। এখনো ক্রেতা পুরো টাকা দেয়নি। সমাজসেবার কাজে এগোতে গিয়ে যদি অপরাধ করে থাকি, তবে দায় স্বীকার করছি।

তবে চেয়ারম্যান মিন্টু ফরাজি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, গাছ বিক্রির অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই। বিষয়টি নিয়ে আমি ইউএনও স্যারকে জানিয়েছি। তিনি গাছগুলো কেটে এক জায়গায় রাখতে বলেছেন। বিক্রির ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান খান বলেন, গাছ বিক্রির বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। ইউনিয়ন পরিষদের গাছ কোনোভাবেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া বিক্রি করার নিয়ম নেই।

এম জি

শেয়ার

পাঠকের মতামত

পারিবারিক বিরোধের জেরে তায়েবাকে হত্যার অভিযোগ, ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে আলোচিত শিশু তায়েবা হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক বছর পর মামলার তদন্তে চাঞ্চল্যকর ...

সাতক্ষীরায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা

দুর্নীতি বিরোধী শপথের প্রদীপ্ত স্বাক্ষরে নতুন সূর্য শিখা জ্বলবেই এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণসচেতনতা সৃষ্টি ...