
গত সপ্তাহের শেষ দিকে সফলভাবে দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছে উত্তর কোরিয়া। ক্ষেপণাস্ত্রটি জাপানের অনেক অংশে আঘাত হানতে সক্ষম। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে আজ সোমবার এ তথ্য জানানো হয়। উত্তর কোরিয়ার গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা থমকে আছে। এর মধ্যে দেশটি নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়েই যাচ্ছে।
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএর বরাত দিয়ে বিবিসি অনলাইন জানায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার বা ৯৩০ মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে উত্তর কোরিয়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব লঙ্ঘন করেনি। তবে দেশটি অতীতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব লঙ্ঘন করে নিষিদ্ধ অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞায় পড়েছে।
বিবিসি বলছে, কঠোর নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থেকেও উত্তর কোরিয়া ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল। এর মধ্য দিয়ে এ বিষয় ইঙ্গিত করে, খাদ্যের ঘাটতি ও অর্থনৈতিক সংকটে থাকা সত্ত্বেও উত্তর কোরিয়া অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম।
উত্তর কোরিয়া তাদের নতুন এ অস্ত্রকে ‘অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ কৌশলগত অস্ত্র’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে, যা সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের সামরিক শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনার বাস্তবায়ন।
পিয়ংইয়ং সর্বশেষ মার্চে নতুন স্বল্পপাল্লার কৌশলগত ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছিল। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেন ক্ষমতা বুঝে নেওয়ার ঘণ্টাখানেক পরও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়।
জাপানের চিফ কেবিনেট সেক্রেটারি কাতসুনুবু কাতো বলেন, টোকিও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। এ পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করবে জাপান।
যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, এ পরীক্ষা ডিপিআরকের (উত্তর কোরিয়া) সামরিক কর্মসূচির উন্নয়নে ক্রমাগত প্রচেষ্টা এবং তার প্রতিবেশী ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য হুমকি সৃষ্টি করার বিষয়টি তুলে ধরে। যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানকে যে কোনো পরিস্থিতিতে ‘রক্ষা করে’ যাবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয় ।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) ইয়ুনহাপ নিউজ এজেন্সিকে বলেন, মার্কিন গোয়েন্দাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি গভীর বিশ্লেষণ চলছে। তবে তিনি বিস্তারিত কিছুই জানাননি।
- ১বিদেশি ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণে ভাটা, আমানত-মুনাফা ও রপ্তানি আয়ে গতি
- ২সুন্দরবনের বাঘ ও আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: পরিবেশমন্ত্রী
- ৩ওয়ানডে দলের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস
- ৪পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার
- ৫ডিজিটাল কনটেন্টে স্বাস্থ্যবার্তা ছড়ানোর আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর
- ৬স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হবে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৭ন্যাশনাল হাউজিংয়ের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৮সিকদার ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৯বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১০নর্দান ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১চাঁদপুরে নদীতে পড়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু
- ২শ্রীমঙ্গলে নাহিদ-হাসনাতদের গাড়িবহর আটকে দিলো পুলিশ
- ৩চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার
- ৪চাঁদপুরে পাট উৎপাদনে শীর্ষে সদর
- ৫মৌলভীবাজারে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পিটিয়ে আহত ৩
- ৬হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে
- ৭কেএমপির নতুন কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান
- ৮চট্টগ্রামে বন্যায় ১৪১ কোটি টাকার গ্রীষ্মকালীন সবজি নষ্ট
- ৯ভূরুঙ্গামারীতে গাঁজাসেবীর কামড়ে দুই যুবক আহত
- ১০নিয়ম না মানলে নার্সিং ও মেডিকেল কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা





পাঠকের মতামত