
বাংলাদেশে নিবন্ধিত দেশীয় ও জয়েন্ট ভেঞ্চারভিত্তিক অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনক্রিডেন্স (এপিআই) মলিকিউল ও ল্যাবরেটরি বিকারক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে আয়কর থেকে শর্ত সাপেক্ষে অব্যাহতি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বাংলাদেশে ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে উৎসাহিত করতে এমন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য উৎপাদনের কাঁচামাল হচ্ছে এপিআই, যা প্রায় সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর। এপিআই খাতে টেকসই শিল্পায়নের মাধ্যমে রফতানি বহুমুখীকরণ এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে।
সোমবার (১১ অক্টোবর) এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। প্রজ্ঞাপনে এই সুবিধা ২০১৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়, যা ২০৩২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে নিবন্ধিত (দেশীয় ও জয়েন্ট ভেঞ্চার) অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনক্রিডেন্স (এপিআই) মলিকিউল ও ল্যাবরেটরি বিকারক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে আয়কর থেকে শর্ত সাপেক্ষে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য শর্তগুলো হলো- ২০১৬ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা পেতে এপিআই মলিকিউল ও ল্যাবরেটরি বিকারক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে তার নিজস্ব কারখানায় স্থানীয়ভাবে এপিআই মলিকিউল ও ল্যাবরেটরি বিকারক উৎপাদন করতে হবে।
২০২২ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সম্পূর্ণ করমুক্ত সুবিধা পেতে এপিআই মলিকিউল ও ল্যাবরেটরি বিকারক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে প্রতি বছর অন্তত ৫টি নতুন এপিআই ও ল্যাবরেটরি বিকারক উৎপাদন করতে হবে।
উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে প্রতি বছর বিধি অনুসারে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।
মানহীন ওষুধ উপকরণ উৎপাদন করলে জরিমানা আরোপিত হবে এবং ওই বছরের কর সুবিধা বাতিল করা হবে ইত্যাদি।
২০১৮ সালে বাংলাদেশে ওষুধ খাতে বিনিয়োগকারীদের সুবিধা দিতে জাতীয় এপিআই (কার্যকর ওষুধ উপকরণ) ও ল্যাবরেটরি বিকারক উৎপাদন-রফতানি নীতি করা হয়। ওই নীতিমালায় বাংলাদেশে নিবন্ধিত সব এপিআই ও ল্যাবরেটরি বিকারক উৎপাদনকারীদের জন্য কর অবকাশ সুবিধার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল।
বাংলাদেশে উৎপাদিত ফার্মসিউটিক্যাল পণ্য অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ মিটিয়ে থাকে। বাংলাদেশ বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে ওষুধ রফতানি করছে। এপিআই না থাকায় ওষুধ উৎপাদনে ব্যবহৃত এপিআইয়ের প্রায় ৯৫ শতাংশ আমদানি করতে হয়। আমদানি নির্ভর কাঁচামালের ওপর ওষুধ শিল্প টেকসই হয় না এমন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দেশীয়ভাবে ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে কর অবকাশসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেয় সরকার।
- ১কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক
- ২বিমানে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পেতে পারেন জুলাই যোদ্ধারা : বিমানমন্ত্রী
- ৩চাঁদপুরে জিপিএ-৫ অর্জনের পাশাপাশি সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে তিন শিক্ষার্থী
- ৪এসএসসিতে পিপিআইএমএসসির বাজিমাত, পাসের হার ৯৮.৮০ শতাংশ; জিপিএ-৫ পেল ৪১ জন
- ৫মোড়লগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১০
- ৬জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী
- ৭বাগেরহাটে হাসপাতালের গেটে অ্যাম্বুলেন্সে ভয়াবহ আগুন
- ৮বন্ধ তিন রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল চালু করতে চুক্তি সই, বিনিয়োগ ৬১৯ কোটি টাকা
- ৯শ্রীপুরে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ
- ১০রোহিঙ্গাদের জন্য আরও সুইডিশ সহায়তা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ১ব্যাংক রেজুলেশন আইনের ১৮ক ধারা বিলুপ্ত হচ্ছে
- ২এসএসসির ফলে খুলনা সবার শীর্ষে, দ্বিতীয় যশোর, তৃতীয় চুয়াডাঙ্গা
- ৩অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র: তথ্যমন্ত্রী
- ৪অভিবাসন ব্যয় কমাতে কাজ করছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ৫ওয়েলিংটনে এমএফএটির সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের ৩ দফা কৌশলগত প্রস্তাব
- ৬এবার ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী বুঝে পেল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
- ৭বাইউস্টের ১৭তম ফাইন্যান্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
- ৮চাঁদপুরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত
- ৯সাকিব আল হাসান নষ্ট, পচে যাওয়া মানুষ : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
- ১০পাবনা ক্যাডেট কলেজে ৫২ জন অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে সবাই





পাঠকের মতামত