
অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন “একটি চিতা বাঘ কখনো তার শরীরের দাগ বদলাতে পারে না।” পুনঃতফসিল করা ঋণগুলোর বেশিরভাগই আবার খেলাপি হয়ে যায়। এর জন্য প্রভিশন আরও বাড়ানো উচিত ছিল, অথচ আমাদের এখানে দেওয়া হচ্ছে ছাড়।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সামগ্রিক স্বাস্থ্য এখন এমন এক সংকটে রয়েছে, যেখানে বাইরে থেকে কৃত্রিম অক্সিজেনের মাধ্যমে রোগীকে বাঁচিয়ে রাখার প্রাণান্তকর চেষ্টা চলছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত ডিসেম্বর (২০২৫) প্রান্তিকের তথ্য এবং ব্যাংকগুলোর বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনগুলোর মূল্যায়ন করলে প্রকৃত সত্যটি সামনে আসে, তা হলো দেশের ব্যাংকিং ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মূলধন ও তারল্য সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা।
২০২৫ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে দেশের ২০টি ব্যাংকের পুঞ্জীভূত মূলধন ঘাটতি (ক্যাপিটাল শর্টফল) দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকায়। যদিও সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের (২.৮২ লাখ কোটি টাকা) তুলনায় এটি সামান্য কমেছে, কিন্তু এই কমে আসার পেছনে কোনো কাঠামোগত সংস্কার বা খেলাপি ঋণ আদায়ের ভূমিকা ছিল না। এটি হয়েছে কেবল বাংলাদেশ ব্যাংকের উদার ‘লোন রিশিডিউলিং’ বা ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ নীতিমালার আইনি ছাড়ের কারণে। বাস্তবে এই সংকট আরও গভীর ও বিপজ্জনক।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নিয়মাচার (ব্যাজেল-৩) অনুযায়ী যেখানে ব্যাংকগুলোর মূলধন ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের অনুপাত (সিআরএআর) ন্যূনতম ১২.৫% থাকা বাধ্যতামূলক, সেখানে আমাদের সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতের এই অনুপাত নেমে এসেছে ঋণাত্মক ২.৬৪ শতাংশে (নেগেটিভ ২.৬৪%)। বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসে ক্যাপিটাল অ্যাডেকুয়েশনের এই রেকর্ড পতন এর আগে কখনো ঘটেনি।
রাজনৈতিক লাইসেন্স ও ‘জম্বি’ ব্যাংকের উত্থান
এই নজিরবিহীন মূলধন সংকটের মূলে রয়েছে বিগত দেড় দশকের পুঞ্জীভূত অনিয়ম, রাজনৈতিক বিবেচনায় ঢালাও ব্যাংকের লাইসেন্স অনুমোদন এবং প্রভাবশালী একটি স্বার্থান্বেষী মহলের মাধ্যমে দেশের অন্তত ৭ থেকে ৮টি ব্যাংক দখল করে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটে নেওয়ার প্রত্যক্ষ পরিণতি।
ব্যাংক কোম্পানি আইনের তোয়াক্কা না করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে যে ঋণগুলো বিতরণ করা হয়েছিল, আজ তা পাহাড়সম খেলাপি ঋণে (এনপিএল)পরিণত হয়েছে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে দেশের ব্যাংক খাতে অফিশিয়াল খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বিতরণকৃত ঋণের ৩০.৬%। অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকা ঋণের ৩০ টাকাই এখন স্রেফ কাগজ, যা ফেরত আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো বছরের পর বছর ধরে জনগণের করের টাকায় ‘বেইলআউট’ বা পুনঃমূলধন পেয়েও নিজেদের মূলধন ভিত্তি দাঁড় করাতে পারেনি। রাষ্ট্রায়ত্ত ৪টি ব্যাংকেরই মূলধন ঘাটতি এখন ৩৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা, যার মধ্যে জনতা ব্যাংকের একক ঘাটতিই ২২ হাজার ৪৮২ কোটি টাকা।
অন্যদিকে, একটি নির্দিষ্ট গ্রুপ কর্তৃক দখলকৃত ও পরবর্তীতে পর্ষদ ভেঙে দেওয়া ৭টি ইসলামী ব্যাংকের সম্মিলিত মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১,৭৪,০৮৭ কোটি টাকায়। এর মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ঘাটতি একাই ৬৪,১৬২ কোটি টাকা। বেসরকারি খাতের ৭টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঘাটতি ৩৩,১৩৮ কোটি টাকা। এই পরিসংখ্যানগুলো প্রমাণ করে সংকট এখন কোনো নির্দিষ্ট ব্যাংকে সীমাবদ্ধ নেই, এটি পুরো ব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে।
ডেফারেল সুবিধা: ‘কাগজের মুনাফা’
এই চরম সংকটের মাঝেও ব্যাংকগুলো কীভাবে বছর শেষে ‘মুনাফা’ দেখায়, তা এক জাদুকরী প্রহসন। মূলত প্রভিশন বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি সংরক্ষণের ব্যর্থতা ঢাকতে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯টি ব্যাংককে ২ লাখ ৬৩ হাজার ২১০ কোটি টাকার বিশাল ‘ডেফারেল সুবিধা’ (ব্যয় বা ঘাটতি পরে দেখানোর আইনি ছাড়) দিয়েছে।
এই কৃত্রিম অক্সিজেন বা ডেফারেল সুবিধা নিয়ে ১১টি ব্যাংক কাগজে-কলমে নিজেদের ‘মুনাফামুখী’ হিসেবে জাহির করেছে।
উদাহরণস্বরূপ: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ: ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৮৮ হাজার কোটি টাকার ডেফারেল সুবিধা নিয়ে মাত্র ১৩৬ কোটি টাকা নিট মুনাফা দেখিয়েছে। ইসলামী ব্যাংককে এমন সংকটে নিয়ে এসেছে এস আলম গ্রুপের ঋণ জালিয়াতি ও একক গ্রুপের পুরো ব্যাংকের শেয়ারের আধিপত্য।
রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক যদি বলি রূপালী ব্যাংক: ১৪,০১৪ কোটি টাকার ডেফারেল সুবিধা নিয়ে নিট মুনাফা দেখিয়েছে মাত্র ৬ কোটি টাকা।
এছাড়া আরেক রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক অগ্রণী ব্যাংক: ১৫,৩২৪ কোটি টাকার ডেফারেল পেয়ে ৫৮ কোটি টাকা নিট মুনাফা দেখিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর রুমী আলী এই অদ্ভুত ব্যাংকিং সংস্কৃতিকে তীব্রভাবে কটাক্ষ করে লিখেছেন: “৮৪ হাজার কোটি টাকার (বা তারও বেশি) প্রভিশন ঘাটতি থাকা একটি ব্যাংক কোনো রকমে ১৩৬ কোটি টাকার ‘মুনাফা’ প্রকাশ করতে পারছে এটি কেবল বাংলাদেশেই সম্ভব। অন্য যেকোনো দেশে হলে এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার জন্য ব্যাংক এবং তার পরিচালনা পর্ষদকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতো।”
এই কৃত্রিম মুনাফা দিয়ে ব্যাংকগুলো হয়তো সাধারণ আমানতকারীদের চোখ ফাঁকি দিতে পারছে, কিন্তু ডেফারেল সুবিধা পেয়েও ৮টি ব্যাংক আর লোকসান লুকাতে পারেনি। জনতা ব্যাংক ৫০,৯৪২ কোটি টাকার ডেফারেল সুবিধা পেয়েও ৩,৯৩১ কোটি টাকা নিট লোকসান গুনেছে।
একইভাবে এবি ব্যাংক, আইএফআইসি এবং ন্যাশনাল ব্যাংক হাজার হাজার কোটি টাকার ছাড় পেয়েও শত শত কোটি টাকার লোকসানে হাবুডুবু খাচ্ছে।
এই ক্যাপিটাল ক্রাইসিস বা মূলধন সংকট এখন আর শুধু ব্যাংকের ব্যালেন্স শিটের অভ্যন্তরীণ হিসাবের বিষয় নয়; এটি দেশের সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনীতিকে (ম্যাক্রোইকেোনমি) পঙ্গু করে দিচ্ছে। এর বহুমাত্রিক নেতিবাচক প্রভাবগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
মুলধন নেগেটিভ যেভাবে অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে
আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলো যখন বাংলাদেশের স্থানীয় ব্যাংকগুলোর সাথে লেনদেন করে, তখন তারা সবার আগে ব্যাংকের ক্যাপিটাল বেস বা মূলধন সক্ষমতা দেখে। যেহেতু দেশের প্রধান ব্যাংকগুলোর মূলধন কাঠামোই এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত, তাই বৈশ্বিক ব্যাংকগুলো আমাদের স্থানীয় ব্যাংকের সাথে ‘করেসপন্ডেন্ট ব্যাংকিং’ সম্পর্ক বা এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) কনফার্মেশন লাইন বাতিল কিংবা সীমিত করে দিচ্ছে।
এর ফলে আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে আমাদের অতিরিক্ত ‘এলসি মার্জিন’ বা শতভাগ নগদ অর্থ অগ্রিম দিতে হচ্ছে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কনফার্মেশন নেওয়ার কারণে ট্রেড ফিন্যান্স বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে, যা শেষ পর্যন্ত আমদানি পণ্যের দাম বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতিকে উস্কে দিচ্ছে।
ক্যাপিটাল সংকটের কারণে ব্যাংকগুলো তাদের ঋণ দেওয়ার আইনি ও আর্থিক সক্ষমতা পুরোপুরি হারিয়ে ফেলছে। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুবুর রহমান যথাযথই বলেছেন, “ক্যাপিটাল হলো ব্যাংকের মেরুদ-। এটি দুর্বল হলে ব্যাংক স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে না।” এর ফলে ব্যাংকগুলো নতুন করে বড় কোনো শিল্প বা একক গ্রাহককে ঋণ দিতে পারছে না। ফলে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি তলানিতে নেমে এসেছে, যা দেশের শিল্পায়ন, নতুন কর্মসংস্থান এবং জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধিকে স্থবির করে দিচ্ছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা ও সিস্টেমিক রিস্ক
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন এই পরিস্থিতিকে পুরো অর্থনীতির জন্য একটি ‘সিস্টেমিক রিস্ক’ বা পদ্ধতিগত ঝুঁকি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
মূলধন না থাকায় এবং আমানতকারীদের আস্থা সংকটের কারণে বহু ব্যাংক এখন স্রেফ বাংলাদেশ ব্যাংকের দৈনিক রেপো (Repo) বা বিশেষ তারল্য সহায়তার ওপর ভর করে টিকে আছে। একটি ব্যাংকিং ব্যবস্থা যখন দীর্ঘমেয়াদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টাকার ওপর নির্ভর করে চলে, তখন পুরো মুদ্রা বাজারের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে।
ব্যাংকিং খাতের এই মূলধন সংকটের টেকসই সমাধান কী?
জাহিদ হোসেন এর মতে, মূলধন বাড়ানোর মাত্র তিনটি পথ খোলা আছে: মুনাফা, বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের থেকে নতুন মূলধন (রাইট ইস্যু) অথবা নতুন শেয়ার ইস্যু করা। বর্তমান অর্থনৈতিক মন্দা এবং পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার এই সময়ে কোনো ব্যাংকই শেয়ার ইস্যু করতে পারছে না। ফলে, ব্যাংকগুলো যদি প্রকৃত মুনাফা করতে না পারে, তবে ক্যাপিটাল ঘাটতি পূরণের কোনো বিকল্প পথ নেই।
কিন্তু বাস্তবতা হলো, খেলাপি ঋণ আদায়ের পরিবর্তে প্রভাবশালী পরিচালক এবং ব্যাংক মালিকদের সংগঠনগুলো উল্টো ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের ডাউনপেমেন্ট ১%-এ নামিয়ে আনার মতো অযৌক্তিক দাবি তুলছে।
রুমী আলী একে চমৎকারভাবে ব্যাখ্যা করেছেন” একটি চিতা বাঘ কখনো তার শরীরের দাগ বদলাতে পারে না।” পুনঃতফসিল করা ঋণগুলোর বেশিরভাগই আবার খেলাপি (জবষধঢ়ংব) হয়ে যায়। এর জন্য প্রভিশন আরও বাড়ানো উচিত ছিল, অথচ আমাদের এখানে দেওয়া হচ্ছে ছাড়।
তিনি ব্যঙ্গাত্মক সুরে প্রশ্ন তুলেছেন, আমরা যদি সারাক্ষণই ছাড় (ফরবিয়ারেন্স), আইন শিথিলকরণ আর নীতিমালার শিথিলতা চাই, তবে ‘ব্যাংক কোম্পানি আইন’ বা ‘বাংলাদেশ ব্যাংক’ রাখারই দরকার কী? এগুলো বিলুপ্ত করে দিলে আমলতান্ত্রিক জটিলতা কমবে ঠিকই, কিন্তু সাধারণ মানুষ কি আর ব্যাংকের ওপর আস্থা রেখে তাদের কষ্টার্জিত সঞ্চয় জমা রাখবে? তখন হয়তো মানুষের কাছে ব্যাংকের চেয়ে ‘বালিশের নিচে বা তোশকের তলে’ টাকা রাখাই বেশি নিরাপদ মনে হবে!
শাখাওয়াত প্রিন্স
লেখক: নিজস্ব প্রতিবেদক (ব্যাংকিং খাত), দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
- ১দেড় বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পাইপলাইনে
- ২ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, নতুন রোগী ৪৫০
- ৩মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেশসেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জুবাইদা রহমানের
- ৪অদম্য তরুণ ইসমাইল ইকনের পাশে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- ৫ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
- ৬থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দেশে ফিরছেন স্পিকার
- ৭বগুড়ায় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনে আইনের খসড়া অনুমোদন
- ৮প্রিমিয়ার ব্যাংক ও বিসিএস হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
- ৯ধর্ম-জাতিগত পরিচয়ের কারণে কাউকে সুযোগ কম দেওয়া যাবে না
- ১০প্রাইম ব্যাংক ও ডিএইচএস অটোসের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর
- ১লোকসানী শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর এক মাসে বেড়েছে ৬৮ শতাংশ
- ২চকরিয়ায় ২০ প্যাকেট ইয়াবাসহ মাদককারবারী আটক
- ৩চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও প্রো-ভিসিকে ছাত্রদলের শুভেচ্ছা
- ৪কেশবপুরে তিনদিনব্যাপী ফল মেলা’র উদ্বোধন
- ৫আকস্মিক বন্যায় কৃষকের স্বপ্ন মূহুর্তেই তছনছ
- ৬চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি ও প্রো-ভিসি নিয়োগ
- ৭বিশ্ববাজারে ফের বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম
- ৮ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিংয়ের বোর্ড সভা ২৯ জুলাই
- ৯তিন কেজি গাঁজাসহ কারবারি ডিবির জালে
- ১০মেরিকোর বোর্ড সভা ২৯ জুলাই





পাঠকের মতামত