
ফিলিস্তিনের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল হামাস ও ইসরায়েল সেনাবাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘাত গড়িয়েছে ষষ্ঠ দিনে। গত রোববার (০৯ মে) থেকে শুরু হওয়া উভয়পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত গাজায় প্রাণ গেছে ১৩৭ জনের, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশু ও নারী আছেন।
এদিকে ইসরায়েল সেনাবাহিনীর টানা বিমান হামলা ও গোলার আঘাত থেকে বাঁচতে বাড়ি ছেড়ে শরনার্থী শিবির ও জাতিসংঘের স্কুলগুলোতে আশ্রয় নেওয়া শুরু করেছেন গাজার ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ। ইতোমধ্যে এই সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
গাজার স্বাস্থ্যবিভাগ জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বিমান হামলা ও গোলার আঘাতে শনিবার সকাল পর্যন্ত সেখানে মারা গেছেন মোট ১৩৭ জন, তাদের ৩৬ জনই শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন আরো ৯২০ জন।
মধ্যপ্রাচ্য, আরব লীগ, জাতিসংঘসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় হামাস ও ইসরায়েলি সেনাবাহিনী— দু’পক্ষকে ইতোমধ্যে কয়েকবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। তবে কোনো পক্ষের মধ্যেই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার ইচ্ছা আপাতত দেখা যাচ্ছে না।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ইতোমধ্যে বলেছেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী যা ই করছে, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে করছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গাজার প্রধান রাজনৈতিক হামাসের মিলিশিয়া বাহিনী এখনও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে অব্যাহত রেখেছে রকেট হামলা। দেশটির সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, হামাসের রকেট হামলায় এখন পর্যন্ত ইসরায়েলে নিহতের হয়েছেন ৯ জন।
এদিকে গাজার এই অশান্ত পরিস্থিতির ঢেউ লেগেছে ফিলিস্তিনের অপর অংশ পশ্চিম তীরেও। ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এ পর্যন্ত পশ্চিম তীরে নিহত হয়েছেন ১১ ফিলিস্তিনি।
অবৈধ দখলদারিত্বের প্রতিবাদে গত ৯ মে রাতে আল-আকসায় মসজিদে শবে কদরের (লায়লাতুল কদর) নামাজ আদায় শেষে মসজিদ চত্বরে বিক্ষোভ শুরু করেন সেখানে উপস্থিত ফিলিস্তিনি মুসল্লিরা। স্বাভাবিকভাবেই তা দমাতে তৎপর হয়ে ওঠে ইসরায়েলের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ সময় বিক্ষোভকারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যকার সংঘাতে আহত হন অন্তত ৯০ জন ফিলিস্তিনি। সংঘাতের পর থেকে আল-আকসা মসজিদ ও এর সংলগ্ন এলাকা ঘিরে রেখেছিল ইসরায়েলি পুলিশ।
এর জেরে ফিলিস্তিনের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল হামাস হুমকি দেয় ইসরায়েলের ক্ষমতাসীন সরকারকে। হামাসের পক্ষ থেকে আল্টিমেটাম দিয়ে বলা হয়, ১০ মে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মসজিদ চত্বর থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের প্রত্যাহার না করা হলে তার পরিণতির জন্য ইসরায়েল সরকার দায়ী থাকবে।
ইসরায়েল এই হুমকিকে আমল না দেওয়ায় ১০ মে সন্ধ্যার পর গাজা থেকে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে রকেট হামলা শুরু করে হামাস। সেই হামলা এখনও অব্যাহত আছে। ফরাসী বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, সোমবার থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলে দেড় হাজারের বেশি রকেট নিক্ষেপ করেছে হামাস।
হামাসের রকেট হামলায় ইসলায়েলে এ পর্যন্ত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ইসরায়েলের রাষ্ট্রায়ত্ত একটি জ্বালানি কোম্পানির পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই পাইপলাইনে রকেট আঘাত হানার পর আগুন ধরে যায়।
এদিকে, হামাস রকেট হামলা শুরু করার অল্প কিছু সময় পর থেকেই গাজায় ফিলিস্তিনি ঘণবসতিপূর্ণ এলাকাগুলো লক্ষ্য করে বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী, যা এখনও চলছে।
আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০১৪ সালে গাজায় ইসরায়েলিদের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সাত সপ্তাহের যুদ্ধের পর এবারই সবচেয়ে বড় ধরনের সংঘাত হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স, আলজাজিরা
- ১এফবিসিসিআইয়ের নতুন প্রশাসক ফজলুল হক
- ২চাঁদপুরে বঞ্চনার ক্ষোভে ফুঁসছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা
- ৩১২ কেজির এলপিজির দাম বাড়ল ৭০ টাকা
- ৪সন্দ্বীপ চ্যানেলে ইলিশে সুদিন দেখছেন জেলেরা
- ৫কোলের সন্তানকে বিক্রি করলো মা, উদ্ধার করলো পুলিশ
- ৬সরকারের প্রধান লক্ষ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি: আমিনুল হক
- ৭৪ তরুণ-তরুণীর প্রাইভেটকারে ১৬ হাজার ইয়াবা পাচার
- ৮কুড়িগ্রামে আধুনিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত লাখো মানুষ
- ৯দর বৃদ্ধির শীর্ষে গ্রীন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড
- ১০দর পতনের শীর্ষে এস আলম কোল্ড রোল্ড
- ১প্রাইজবন্ডের ১২৪তম ড্র আজ, প্রথম পুরস্কার ৬ লাখ টাকা
- ২বাংলাদেশ আসিয়ানের সদস্য হওয়ার সম্ভাবনা নেই: মহাসচিব
- ৩নালিতাবাড়ীতে মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
- ৪চাঁদপুর মাছঘাটে ইলিশের ডিমের কেজি ৬ হাজার টাকা
- ৫পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৬যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ২৫ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ঢাকায় আসছেন: মাহদী আমিন
- ৭চকরিয়ার যাত্রীদের জন্য নতুন ট্রেন চালুর পরিকল্পনার ইঙ্গিত
- ৮জুলাইয়ে নির্যাতনের শিকার ৫০ সাংবাদিক
- ৯সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী
- ১০জামায়াত কখনো গুপ্ত ছিল না: গোলাম পরওয়ার





পাঠকের মতামত