
রাষ্ট্রক্ষমতা পরিচালনা করা কোনোকালেই কুসুমাস্তীর্ণ পথ ছিল না, তবে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যে পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড়িয়ে দেশের শাসনভারের দায়িত্ব নিয়েছে, তাকে কেবল কণ্টকাকীর্ণ বললে সত্যের অপলাপ হবে। এটি আসলে এক পরিকল্পিত ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে দেশ গড়ার এক অমানবিক লড়াই। বিগত দেড় দশকের শাসন আমল উন্নয়নের যে গালভরা বুলি আউড়েছে, তার পর্দার আড়ালে যে কত বড় এক ঋণের পাহাড় আর লুটপাটের মহোৎসব চলেছে, তা এখন কঙ্কালসার চেহারায় বেরিয়ে আসছে। দেশের অর্থনীতির প্রতিটি শিরা-উপশিরা আজ রক্তশূন্য, আর তার ওপর চেপে বসেছে পর্বতপ্রমাণ বৈদেশিক ঋণের বোঝা। এই দুরবস্থা বোঝার জন্য আমাদের কোনো তাত্ত্বিক অর্থনীতির জটিল সমীকরণে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, কেবল দুটি বৃহৎ প্রকল্পের ব্যবচ্ছেদ করলেই স্পষ্ট হয়ে যায় কীভাবে উন্নয়নের নামে একটি দেশকে অর্থনৈতিক দেউলিয়াত্বের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে।
আমরা যদি ২০১৩ সালের সেই বিতর্কিত রাশিয়া সফরের দিকে ফিরে তাকাই, তবে দেখতে পাই বর্তমান সংকটের বীজ বপন করা হয়েছিল ঠিক তখনই। শেখ হাসিনা যখন পুতিনের সাথে ক্রেমলিনে সাক্ষাৎ করেন, তখন তিনি কেবল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুক্তিই করেননি, বরং দেশের ভবিষ্যৎকে বন্ধক রেখে এসেছিলেন তিনটি কঠিন শর্তের বেড়াজালে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য রাশিয়ার রোসাটমকে ১২.৬৫ বিলিয়ন ডলারের কাজ দেয়া হয়, যার সাথে যুক্ত ছিল ১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ক্রয় এবং রাশিয়ার সরকারি কোম্পানি গ্যাজপ্রমকে বাংলাদেশের গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ দেয়ার অন্যায্য শর্ত। এই পুরো প্রক্রিয়ার ৯০ শতাংশ অর্থায়ন করছে মস্কো, যা চার শতাংশ সুদে ২৮ বছরের কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে।
একজন সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন মানুষও যদি বিশ্ববাজারের ঋণের হারের দিকে তাকান, তবে তিনি শিউরে উঠবেন। যেখানে বিশ্বব্যাংক স্বল্পোন্নত দেশের জন্য মাত্র ০.৭৫ শতাংশ সুদে ৩০ থেকে ৪০ বছরের মেয়াদে ঋণ দেয়, কিংবা এডিবি এবং জাইকা যেখানে এক শতাংশের নিচে সুদে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দিয়ে থাকে, সেখানে কেন চার শতাংশ সুদে এই বিশাল ঋণের বোঝা কাঁধে তুলে নেয়া হলো? এই বাড়তি সুদের বোঝা কেবল অর্থনৈতিক অদূরদর্শিতা নয়, বরং এর পেছনে লুকিয়ে ছিল এক গভীর যোগসাজশ।
রূপপুর প্রকল্পের এই বিশাল ব্যয়ের অসংগতি আরও প্রকট হয়ে ওঠে যখন আমরা প্রতিবেশী ভারতের তামিলনাড়ুর কুদানকুলাম পাওয়ার প্ল্যান্টের দিকে নজর দিই। একই রাশিয়ান কোম্পানি রোসাটম সেখানে দুটি ইউনিট নির্মাণের কাজ করেছে মাত্র ৬.৫ বিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ, বাংলাদেশের একই প্রকল্পের খরচ ভারতের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, কুদানকুলাম প্ল্যান্টে প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ যেখানে মাত্র ৫.৪ সেন্ট, সেখানে আমাদের রূপপুরে এই খরচ দাঁড়াবে ৯.৪ সেন্ট। এই যে বিপুল অর্থের ব্যবধান, এর জবাব কার কাছে? গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পোরেশনের রিপোর্ট বলছে, শেখ হাসিনা ও তাঁর সহযোগীরা কেবল এই একটি প্রকল্প থেকেই ৫৯ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এই বিশাল অংকের লুটপাট কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি ছিল একটি পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় দস্যুতা। বিএনপি যখন আজ রাষ্ট্রক্ষমতায়, তখন তাদের সামনে পাহাড়সম এই ঋণের বোঝা এক মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৭-২৮ অর্থবছর থেকেই রূপপুর প্রকল্পের ঋণের ৫০০ মিলিয়ন ডলার সুদ পরিশোধের সময় শুরু হবে। যে কোষাগার আওয়ামী লীগ শূন্য করে দিয়ে পালিয়েছে, সেখান থেকে এই বিশাল অংকের ডলার কীভাবে জোগান দেয়া হবে, তা নিয়ে এখন জনমনে গভীর উদ্বেগ বিরাজ করছে।
উন্নয়নের নামে লুটপাটের দ্বিতীয় উদাহরণ হিসেবে আমরা যদি ঢাকা এমআরটি বা মেট্রো রেল প্রকল্পের দিকে তাকাই, তবে সেখানেও জাইকার অর্থায়নের আড়ালে এক ভয়াবহ টেন্ডার মেকানিজম দেখতে পাই। এমআরটি-৬ এর ২১.২৬ কিলোমিটার প্রকল্পে প্রতি কিলোমিটারে খরচ হয়েছে ১,৫৪৬ কোটি টাকা। কিন্তু এরপরের প্রকল্পগুলোর ব্যয় যে হারে ধরা হয়েছে, তা কল্পনাকেও হার মানায়। এমআরটি ১ এবং ৫ এর প্রজেক্টেড খরচ ধরা হয়েছে প্রতি কিলোমিটারে প্রায় ৩,১০০ কোটি টাকা। এই অংকটি কেন এত বেশি, তার কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা বিগত সরকার দিতে পারেনি। তুলনা করলে দেখা যায়, ভারতের পাটনা মেট্রো নির্মাণে প্রতি কিলোমিটারে খরচ হয়েছে মাত্র ৪০.৭৭ মিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশের খরচের চার ভাগের এক ভাগ মাত্র।
এমনকি ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা মেট্রোতেও খরচ বাংলাদেশের তুলনায় অনেক কম। এই যে কিলোমিটার প্রতি কয়েক হাজার কোটি টাকার হেরফের, এই টাকাগুলো কার পকেটে গিয়েছে তা আজ দিবালোকের মতো স্পষ্ট। বর্তমানে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার এই অতিরিক্ত ব্যয় কমানোর জন্য নতুন করে নেগোসিয়েশন করার চেষ্টা করছে, কিন্তু যে ঋণের জালে দেশকে ইতোমধ্যেই আটকে ফেলা হয়েছে, সেখান থেকে বেরিয়ে আসা চাট্টিখানি কথা নয়। দেশের মোট পাবলিক ঋণ এখন ১৬৫ বিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ৩৮.৫ শতাংশ। একটি উন্নয়নশীল দেশের জন্য এই ঋণের বোঝা যে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, তা অর্থনীতিবিদরা ভালো করেই জানেন। অথচ উন্নয়নের সয়লাব বয়ে যাচ্ছে বলে যারা প্রচার করত, তারা মূলত ঋণের টাকায় ঘি খেয়ে দেশটাকে দেউলিয়া করে দিয়ে গিয়েছে।
সবচেয়ে বিস্ময়কর এবং হতাশাজনক বিষয় হলো, যখন এই ভয়াবহ দুর্নীতির চিত্রগুলো একে একে বেরিয়ে আসছে, তখন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বা টিআইবি-র মতো সংস্থাগুলো হঠাৎ করেই অন্য সুরে গান গাইতে শুরু করেছে। বিগত পনেরো বছর ধরে যখন এই মেগা প্রকল্পের আড়ালে মেগা লুটপাট চলছিল, তখন তাদের কণ্ঠস্বর যতটা জোরালো হওয়ার কথা ছিল, তা অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়নি। আর আজ যখন বিএনপি এই ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করে দেশটাকে আবার কক্ষপথে ফেরানোর চেষ্টা করছে, তখন টিআইবি এই বিশাল দুর্নীতির দায়ভার পরোক্ষভাবে বর্তমান প্রশাসনের ওপর চাপিয়ে দিতে চাইছে। এটি কি কেবলই কাকতালীয়, নাকি এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক অভিসন্ধি আছে? বিরোধী দলগুলোও এই সুযোগে বিএনপিকে একটি ব্যর্থ সরকার হিসেবে প্রমাণ করার জন্য আদাজল খেয়ে মাঠে নামছে। তারা চাচ্ছে এই ১৫ বছরের পুঞ্জীভূত জঞ্জাল আর ঋণের দায় বর্তমান সরকারের ওপর চাপিয়ে দিয়ে তাদের কোণঠাসা করতে। অথচ বাস্তবতা হলো, বিএনপি ক্ষমতায় বসেছে এমন এক সময়ে যখন দেশের ব্যাংকগুলো তারল্য সংকটে ভুগছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে এবং সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে। এই সবকিছুর মূলে রয়েছে বিগত সরকারের সেই রাক্ষুসে অর্থনীতি, যা কেবল নির্দিষ্ট কিছু মানুষের পকেট ভারী করার জন্যই সাজানো হয়েছিল।
আমাদের বুঝতে হবে যে, একটি রাষ্ট্র যখন ১৬৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করে, তখন তার গতি অনেক মন্থর হতে বাধ্য। আওয়ামী লীগ সরকার কেবল টাকা পাচার করেনি, তারা রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। আমলাতন্ত্র থেকে শুরু করে বিচার বিভাগ, সবখানেই তারা তাদের দলীয় লোক বসিয়ে এক ধরণের প্রাতিষ্ঠানিক লুটপাটের ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করেছিল। এখন যখন সেই ব্যবস্থার পরিবর্তন করার চেষ্টা করা হচ্ছে, তখন সেই সুবিধাভোগী গোষ্ঠীটিই আবার বিভিন্ন ছদ্মবেশে সরকারের কাজে বাধা সৃষ্টি করছে। রূপপুর কিংবা মেট্রো রেলের মতো প্রকল্পগুলো আসলে একেকটি শ্বেতহস্তী, যা দিনের পর দিন কেবল রাষ্ট্রের সম্পদ গিলে খাবে। যে প্রকল্পে উৎপাদন খরচের দ্বিগুণ ব্যয় দেখানো হয়, সেখানে সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন কীভাবে সম্ভব? রাশিয়ার সাথে সেই বিতর্কিত চুক্তিটি করার সময় দেশের স্বার্থকে কেন জলাঞ্জলি দেয়া হয়েছিল, তার নির্মোহ তদন্ত আজ সময়ের দাবি। কেন আমরা বিশ্বব্যাংক বা জাইকার সহজ শর্তের ঋণ বাদ দিয়ে রাশিয়ার চড়া সুদের ঋণের দিকে ঝুঁকেছিলাম, তার উত্তর আজ জনগণের কাছে দিতে হবে। শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প থেকে প্রায় ৫৯ হাজার কোটি টাকা (৫ বিলিয়ন ডলার) আত্মসাতের যে অভিযোগ উঠেছে, তা বর্তমানে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি উচ্চ-অগ্রাধিকারমূলক তদন্তের বিষয়। এই বিশাল অংকের অর্থ ফিরিয়ে আনা বর্তমান প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলেও এটি পুনরুদ্ধারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এই যে রাজনৈতিক ডামাডোল আর অর্থনৈতিক অস্থিরতা, এর মধ্যে বিএনপিকে খুব সতর্কতার সাথে পা ফেলতে হবে। কারণ, দেশি-বিদেশি অনেক চক্রই চায় না বাংলাদেশ আবার নিজের পায়ে দাঁড়াক। তারা চায় এই ঋণের ফাঁদে দেশটা চিরতরে আটকে থাকুক। টিআইবি বা অন্যান্য সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের উচিত ছিল এই লুটপাটের সময় সোচ্চার হওয়া। এখন যখন দায়ভার চাপানোর খেলা চলছে, তখন সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। বিএনপি কোনো ম্যাজিক দেখাতে পারবে না, কারণ তাদের হাতে কোনো জাদুর কাঠি নেই। তাদের হাতে আছে একটি ভেঙে পড়া প্রশাসনিক কাঠামো আর শূন্য কোষাগার। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন কঠোর কৃচ্ছ্রসাধন এবং জাতীয় ঐক্য। কিন্তু বিরোধী দলগুলো সেই ঐক্যের পথে না হেঁটে বরং বর্তমান সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণের প্রতিযোগিতায় নামছে। তারা হয়তো ভাবছে, এই ঋণের বোঝা যদি বিএনপির কাঁধে চাপিয়ে দেয়া যায়, তবে তাদের রাজনৈতিক পথ প্রশস্ত হবে। কিন্তু তারা ভুলে যাচ্ছে যে, দেশ যদি অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে যায়, তবে কোনো দলই রক্ষা পাবে না। শ্রীলঙ্কার উদাহরণ আমাদের সামনেই আছে। সেখানেও উন্নয়নের নামে এমন মেগা প্রজেক্টের নেশায় দেশটাকে ডুবানো হয়েছিল। বাংলাদেশেও ঠিক একই চিত্রনাট্য অনুসরণ করা হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প বা ঢাকা মেট্রো রেলের মতো মেগা প্রজেক্টগুলো আজ আমাদের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে যে অর্থ লুট করা হয়েছে, তা দিয়ে বাংলাদেশের মতো দশটি দেশের বাজেট তৈরি করা সম্ভব ছিল। বিএনপি আজ এমন এক কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্ব নিয়েছে যখন আন্তর্জাতিক বিশ্বও আমাদের ওপর কড়া নজর রাখছে। এই ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে যদি সাধারণ মানুষের শিক্ষা বা স্বাস্থ্যের বাজেটে টান পড়ে, তবে তার দায় কার? অবশ্যই সেই সরকারের, যারা এই ঋণের চুক্তিগুলো করেছিল। তবে চক্রান্তকারীরা চাইবে এই দায় বর্তমান সরকারের ওপর চাপাতে। টিআইবি-র অতি-তৎপরতা বা বিরোধী দলগুলোর উসকানিমূলক বক্তব্য সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ বলে প্রতীয়মান হয়। আমাদের মনে রাখতে হবে, ধ্বংস করা সহজ কিন্তু গড়ে তোলা কঠিন। বিগত পনেরো বছরে যে ধ্বংসলীলা চালানো হয়েছে, তা মেরামত করতে সময় লাগবে। দেশের অর্থনীতিকে আবার সচল করতে হলে এই ঋণের দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে আসার বিকল্প নেই। আর তার জন্য প্রয়োজন লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের আত্মঘাতী চুক্তি থেকে বিরত থাকা। বিএনপিকে এখন কেবল শাসন করলে চলবে না, তাদের হতে হবে একজন দক্ষ সার্জন, যিনি এই পচন ধরা অর্থনীতিকে অস্ত্রোপচার করে সুস্থ করে তুলবেন। আর এই যাত্রায় সাধারণ মানুষের ধৈর্য এবং সমর্থনই হবে তাদের একমাত্র শক্তি। মেগা দুর্নীতির এই দায়ভার যেন কোনোভাবেই দেশপ্রেমিক শক্তির ওপর না বর্তায়, সেদিকে আমাদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
মতামত লেখকের নিজস্ব
লেখক : মো. সহিদুল ইসলাম সুমন, অর্থনীতি বিশ্লেষক, কলামিস্ট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষক।
E-mail: msislam.sumon@gmail.com
- ১চলতি অর্থবছরে ৫০ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশ
- ২সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর
- ৩সরকারের প্রতিজ্ঞা ভাঙ্গার কারণে সবকিছু হতাশায় পরিণত হয়েছে
- ৪নতুন বিনিয়োগ সৃষ্টি ও ব্যবসার সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকার
- ৫নামজারিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি: আব্দুল মান্নান
- ৬জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া : তথ্যমন্ত্রী
- ৭মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক
- ৮কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ সুপার মার্কেটের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
- ৯বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ১০যানজট নিরসনে নবীনগর বাজারে উচ্ছেদ অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
- ১‘লুটপাটে সহায়তাকারী’ আইএফআইসির এমডি মনসুর মোস্তফা বহাল তবিয়তে
- ২ভাইরাল ভিডিও সম্পর্কে যা বললেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম
- ৩চাঁদপুরে নিজ বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে বাড়ির মালিকের মৃত্যু
- ৪শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরল কমিটির হাতে
- ৫নবীনগরে সরকারি পুকুরপাড়ের লিজ নিয়ে বিতর্ক
- ৬পাথরঘাটায় তরুণী নিখোঁজ
- ৭ময়মনসিংহে ট্রাক চাপায় নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত
- ৮শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিসিএসের স্বপ্নে প্রিয়ন্তী
- ৯প্রবাসী কার্ডে মিলবে প্রায়োরিটি চেক-ইন ও বোর্ডিং সুবিধা
- ১০সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবুরের পরিবারকে সরকারি সহায়তা





পাঠকের মতামত