
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা প্রাণি সম্পদ হাসপাতালের ২ কর্মকর্তা ও এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে চাকরি প্রদানের নাম করে ২ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সিংরইল গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে ওমর ফারুক রোববার (১ সেপ্টেম্বর) নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এতে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর নান্দাইল উপজেলার কৃত্রিম প্রজনন টেকনিশিয়ান হিসেবে চাকরির জন্য তিনি দারস্থ হন প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের কাছে। তখন একই অফিসের ঘাস সম্প্রাসারণ প্রকল্পের কর্মী খায়রুল ইসলাম মোরাদ ও উপসহকারী প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিনের যোগসাজশে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দেন। বিনিময়ে তারা আশ্বস্ত করেন তাকেই চাকরি দেওয়া হবে। কিন্তু এরপর থেকে প্রায় এক বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও তাকে নিয়োগ প্রদান করা হয়নি। বরং টাকা ফেরত চাইতে গেলে বাড়াবাড়ি না করার হুমকি দেয়।
তিনি অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করেন, ঘুষের বিনিময়ে বিভিন্ন সময় এই তিন ব্যক্তি কর্মী নিয়োগ করে থাকেন। এমনকি ঘাস সম্প্রসারণ প্রকল্পের খায়রুল ইসলাম মোরাদ স্বীকার করেছেন তিনিও ঘুষের মাধ্যমেই চাকরি পেয়েছেন।
একই অভিযোগ করেন উপজেলার চর কামটখালী গ্রামের মো. গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মোকাররম হোসেন মানিক। তার কাছ থেকেও একই পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেয় অভিযুক্ত ৩ জন।
এসব বিষয়ে কথা হয় নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ভুক্তভোগীর সাথে। তারা জানান, তাদের কাছ থেকেও বিভিন্ন সময়ে কৃত্রিম প্রজনন কর্মী হিসেবে নিয়োগ দিবেন বলে ঘুষ নিয়েছেন হারুন অর রশিদ ও জসিম উদ্দিন। একজন ভুক্তভোগীর সাথে জসিম উদ্দিনের ঘুষ গ্রহণ সম্পর্কিত ফোনালাপের রেকর্ডও পাওয়া গিয়েছে। এসব ভুক্তভোগীরা তাদের কাছ থেকে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা ঘুষ আদায় করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে তারা এতোদিন চুপ ছিলেন।
এ বিষয়ে জানতে প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা হারুন অর রশিদকে ফোন করা হলে তিনি জানান, ‘ব্যক্তিগত আক্রোশে কেউ আমার প্রতি মিথ্যা অভিযোগ আনতে পারে। এরকম কোনো কিছুর সাথে আমি সম্পৃক্ত না’৷
অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন জানান, ‘আমি নামাজে আছি তাই একটু ব্যস্ত। তবে যারা এই দাবি করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই’।
একইভাবে অভিযুক্ত খায়রুল ইসলাম মোরাদও জানান, তিনি এই অভিযোগের ব্যাপারে কিছু জানেন না। এর সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততাও নেই
নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুণ কৃষ্ণ পাল জানান, ‘আমি এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দেখা হবে’।
এম পি
- ১টেকসই অর্থায়নে উল্লম্ফন, কমেছে পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে বিনিয়োগ
- ২বিদেশি ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণে ভাটা, আমানত-মুনাফা ও রপ্তানি আয়ে গতি
- ৩সুন্দরবনের বাঘ ও আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: পরিবেশমন্ত্রী
- ৪ওয়ানডে দলের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস
- ৫পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার
- ৬ডিজিটাল কনটেন্টে স্বাস্থ্যবার্তা ছড়ানোর আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর
- ৭স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হবে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৮ন্যাশনাল হাউজিংয়ের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৯সিকদার ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১০বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১চাঁদপুরে নদীতে পড়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু
- ২শ্রীমঙ্গলে নাহিদ-হাসনাতদের গাড়িবহর আটকে দিলো পুলিশ
- ৩চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার
- ৪চাঁদপুরে পাট উৎপাদনে শীর্ষে সদর
- ৫হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে
- ৬মৌলভীবাজারে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পিটিয়ে আহত ৩
- ৭কেএমপির নতুন কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান
- ৮ভূরুঙ্গামারীতে গাঁজাসেবীর কামড়ে দুই যুবক আহত
- ৯চট্টগ্রামে বন্যায় ১৪১ কোটি টাকার গ্রীষ্মকালীন সবজি নষ্ট
- ১০পাথরঘাটায় খালের পাড়ে জলবায়ু-সহনশীল ৭৫০০ বৃক্ষরোপণ





পাঠকের মতামত