প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৩ ১১:০৭ এএম

বিশ্বজুড়ে কত অদ্ভুত ঘটনা ঘটে, তাই না? এসব অদ্ভুত ঘটনা নিয়ে মানুষের কৌতুহলেরও শেষ নেই। এসব কিছুর অনেক ঘটনাই জায়গা করে নেয় গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। এই যেমন টার্কির কাপ্পাডোসিয়ার অ্যাভনোস শহরে একটি অদ্ভুদ জাদুঘর রয়েছে। যেখানে জাদুঘরের দেয়ালে নিজেদের চুল ঝুলিয়ে রাখেন নারীরা। অনন্য এই নিয়মের কারণে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পেয়েছে এই জাদুঘর।

অদ্ভুত এই জাদুঘরের প্রকৃত নাম হেয়ার মিউজিয়াম। এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন গ্যালিপ। ইনি চেজ গ্যালিপ নামেই বেশি পরিচিত এবং জনপ্রিয় ছিলেন। প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক এই জাদুঘর পরিদর্শন করেন এবং তাদের চুলের টুকরো এখানে রেখে যান। এই জাদুঘরটি বিশ্বের ১৫টি সবচেয়ে আকর্ষণীয় জাদুঘরের মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে নিজের জায়গা করে নিয়েছে। বর্তমানে জাদুঘরে ১৬ হাজারেরও বেশি নারীর চুল রয়েছে।

জাদুঘরটি কীভাবে তৈরি হয়েছিলো নেটা নিয়ে মজার একটি গল্প শোনা যায়। প্রায় পঁয়ত্রিশ বছর ধরে এই গল্প সেখানকার লোকের মুখে মুখে প্রচলিত।এক ফরাসি নারীর ফেলে যাওয়া চুল নিয়ে এই জাদুঘরটি শুরু হয়।

জাদুঘরের গল্প: প্রায় পঁয়ত্রিশ বছর আগে ক্যাপাডোসিয়াতে বেড়াতে যাওয়া এক ফরাসি নারীর সঙ্গে আলাপ হয় এক স্থানীয় ব্যক্তির। ঐ ব্যক্তি ছিলেন পেশায় পাথর কাটার শ্রমিক। সেই নারীরা প্রায় তিন মাস টার্কিতে ছিলেন। এবং এই সময়ে দুজনেই একে অপরের প্রেমে পড়েন।

এরপর যেদিন নারীর চলে যাওয়ার সময় হয়, তখন নিজের স্মৃতি স্বরূপ তার চুল কেটে ঐ ব্যক্তির ওয়ার্কশপের দেয়ালে ঝুলিয়ে দেন। তারপর থেকে, এখানে আসা প্রত্যেক নারীই এই গল্প শুনে তার নিজের চুল কেটে দেয়ালে ঝুলিয়ে দেন। এভাবে ধীরে ধীরে এই স্থানটি চুলের জাদুঘরে পরিণত হয়।

চুলের জাদুঘর: ৩৫ বছর আগে কেবলমাত্র একজন নারীর চুল দিয়ে শুরু হওয়া চুলের জাদুঘরটিতে আজ হাজার হাজার নারীর চুল শোভা পাচ্ছে। এই জাদুঘরের নাম ১৯৯৮ সালে গিনেস বুক অফ রেকর্ডসেও স্থান পেয়েছে।

জাদুঘরের মালিক: জাদুঘরের মালিক এবং প্রতিষ্ঠাতা গ্যালিপ প্রতি বছর পর্যটকদের মধ্যে একটি লটারির আয়োজন করেন এবং ২০ জন ভাগ্যবানকে ক্যাপাডোসিয়া ভ্রমণের সুযোগ দেন।

 

শেয়ার

পাঠকের মতামত

নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি: সমর্থন-বিরোধিতায় বিভক্ত রাজনৈতিক অঙ্গন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন পদ্ধতি (পিআর) চালুর প্রস্তাব রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। বর্তমানে প্রচলিত ...

জুলাই বিপ্লবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রক্তাক্ত দিনগুলো

২০২৪ সালের জুলাই মাস, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্যেও ছিল প্রতিবাদ আর আন্দোলনের ...