
গ্রাহকের কাছ থেকে কৌশলে উৎকোচ গ্রহণ, টাকার বিনিময়ে বাণিজ্যিক ও আবাসিক লাইন সংযোগ, অফিসের খরচে লাইন নির্মাণ ও সংযোগ প্রদান করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে হরিরামপুর জোনাল অফিস গিলে খাচ্ছেন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আফজাল খান।
ফলে অনিয়ম-দুর্নীতি উৎকোচ গ্রহণের আখরায় পরিণত হয়েছে মানিকগঞ্জের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির হরিরামপুর জোনাল অফিস।
অনুসন্ধানে জানা যায়, আফজাল হোসেন খান ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের ৫ তারিখে হরিরামপুর জোনাল অফিসে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগদান করার পর থেকে হরিরামপুরের প্রতিটি গ্রামে নিজের পছন্দের দালালদের সিন্ডিকেট তৈরি করে। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শুরু করেন রমরমা বাণিজ্য। আবাসিক মিটার সংযোগ থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক লাইন নির্মাণ, লাইন মেরামত ও সংযোগ আবেদন হলেই শুরু হয় নানান তালবাহানা। গ্ৰাহক একপ্রকার জিম্মি হয়েই উপায়ান্তর না পেয়ে অফিসের শরণাপন্ন হন। অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী পাঠিয়ে দেয় ইঞ্জিনিয়ার আফজালের কাছে। সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে আফজাল নিজের পকেট ভারি করছেন বিগত তিন বছর ধরে।
হরিরামপুর জোনাল অফিসের একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারী জানায়, আফজাল স্যার এই অফিসে যোগদান করার পর থেকেই অফিসের নিয়ম পাল্টে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছে । তাকে টাকা না দিলে একটি কাজেও স্বাক্ষর করেন না তিনি। শুধু তাই নয়! তার কারণে পল্লী বিদ্যুতের অনেক লস হচ্ছে, যেমন: ঝিটকা নতুন পেঁয়াজের পাইকারি বাজারে যে সংযোগটি দেওয়া হয়েছে, সেই সংযোগটি করা হয়েছে ৪ টি খুঁটির। প্রথমে দুই খুঁটির আবেদন করে তার পাঁচ দিন পর আবারও দুই খুঁটির আবেদন করে অফিসের খরচে লাইন সংযোগ করা হয়েছে আফজালের নেতৃত্বে। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে যে টাকা নিয়েছে সম্পূর্ণ টাকাই তারা কয়েকজন ভাগাভাগি করে নিয়েছেন।
ভুক্তভোগী মক্কা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের স্বত্বাধিকারী শেখ সেলিম বলেন, আমার মিটারের সমস্যা দেখা দিলে ইঞ্জিনিয়ার আফজাল স্যার কে জানাই। পরবর্তীতে লোক পাঠানোর কথা থাকলেও কোনো লোক পাঠায় না তারা। যার কারণে আমার মিটার জ্বলে যায়। আমি বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে আফজালকে জানাই বিষয়টা। তিনি আমাকে নতুন মিটারের সংযোগ দেওয়ার কথা বলে ১০ হাজার টাকা চায়। আমি টাকা জোগাড় করে পরের দিন ওনাকে টাকা দিলে, আমার প্রতিষ্ঠানে ক্ষুদ্র শিল্প মিটার সংযোগ দেয়।
ঝিটকা বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুধীর বিশ্বাস জানান, আমার বাসায় লাইন নিতে চার লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। ৫০ হাজার টাকা তো আমি ঘুষই দিয়েছি তাদের।
ঝিটকা আলমদি গ্রামের আলম হোসেন বলেন, আমার নতুন খুঁটির জন্য আমি বিদ্যুৎ অফিসের লোকদের ১৫ হাজার টাকা দিয়েছি পরে আরো পাঁচ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে এই খুঁটির জন্য।
পল্লী বিদ্যুতের হরিরামপুর জোনাল অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আফজাল হোসেন খান বলেন, যারা এসব অভিযোগ করেছে তাদের হয়ত স্বার্থে আঘাত লাগছে। কিন্তু আমি কোনো লেনদেনের সাথে জড়িত না।
এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুতের হরিরামপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সামিউল কবির বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবো, যদি কোনো অনিয়ম হয় তবে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এএন
- ১টেকসই অর্থায়নে উল্লম্ফন, কমেছে পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে বিনিয়োগ
- ২বিদেশি ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণে ভাটা, আমানত-মুনাফা ও রপ্তানি আয়ে গতি
- ৩সুন্দরবনের বাঘ ও আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: পরিবেশমন্ত্রী
- ৪ওয়ানডে দলের নতুন অধিনায়ক লিটন দাস
- ৫পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার
- ৬ডিজিটাল কনটেন্টে স্বাস্থ্যবার্তা ছড়ানোর আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর
- ৭স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হবে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৮ন্যাশনাল হাউজিংয়ের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ৯সিকদার ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১০বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১চাঁদপুরে নদীতে পড়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু
- ২শ্রীমঙ্গলে নাহিদ-হাসনাতদের গাড়িবহর আটকে দিলো পুলিশ
- ৩চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার
- ৪চাঁদপুরে পাট উৎপাদনে শীর্ষে সদর
- ৫হাসপাতালে দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে
- ৬মৌলভীবাজারে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পিটিয়ে আহত ৩
- ৭কেএমপির নতুন কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান
- ৮ভূরুঙ্গামারীতে গাঁজাসেবীর কামড়ে দুই যুবক আহত
- ৯চট্টগ্রামে বন্যায় ১৪১ কোটি টাকার গ্রীষ্মকালীন সবজি নষ্ট
- ১০পাথরঘাটায় খালের পাড়ে জলবায়ু-সহনশীল ৭৫০০ বৃক্ষরোপণ





পাঠকের মতামত