
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত পার্টনার প্রকল্পের আওতায় কৃষক পর্যায়ে দিনব্যাপী ‘পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, কৃষি সেবার সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের দক্ষতা উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এ কংগ্রেসে আলোচনা করা হয়।
রোববার উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের মিলনায়তনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত কৃষক, কৃষি উদ্যোক্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।
উদ্বোধনী অধিবেশনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবীনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তি।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ হোসেন রাজু, দেলোয়ার হোসেন সোহেল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা এবং হোপের নির্বাহী পরিচালক আসাদুজ্জামান কল্লোল।
পরে অনুষ্ঠিত কারিগরি অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মুন্সী তোফায়েল হোসেন। অধিবেশনে কৃষি প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুজন মিয়া এবং উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল কৃষি উন্নয়ন ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পার্টনার প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, আবাদি জমির কার্যকর ব্যবহার এবং নিরাপদ কৃষিপণ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল পরিচালনা করা হচ্ছে।
দিনব্যাপী কংগ্রেসে প্রকল্পের ১০টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও কার্যক্রমের ওপর স্বচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং কৃষি উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, “পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের আধুনিক ও টেকসই কৃষি চর্চায় উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষি সেবা সহজলভ্য করা এবং উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।”
তিনি বলেন, প্রকল্পের আওতায় উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত সম্প্রসারণ, ‘ফার্মার স্মার্ট কার্ড’-এর মাধ্যমে কৃষি সেবা প্রদান, নিরাপদ কৃষিপণ্য উৎপাদন নিশ্চিতকরণ, এগ্রি-ফুড উদ্যোগের উন্নয়ন, কৃষি গবেষণা ও সম্প্রসারণ ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৃষিপণ্যের ভ্যালু চেইন উন্নয়ন এবং কৃষি তথ্য ও বাজার বিশ্লেষণসহ মোট ১০ ধরনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
কৃষি কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে উপজেলার কৃষি উৎপাদন ও কৃষকের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি টেকসই কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এনজে
- ১মাদক সংশ্লিষ্টতার সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলেও ছাড় নয়: ডিআইজি
- ২ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ৩স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম
- ৪পোশাকশিল্পের বিকাশে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
- ৫পারিবারিক বিরোধের জেরে তায়েবাকে হত্যার অভিযোগ, ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ৬বন্যাকবলিত ৩ হাজার ৫০ পরিবারকে ত্রাণ দিল শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন
- ৭সাতক্ষীরায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা
- ৮‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে বৈদেশিক সম্পর্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৯মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু
- ১০UCB Price Sensitive Information
- ১এক মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি
- ২একনেক সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
- ৩ভরা মৌসুমে চাঁদপুরে মাছঘাটে প্রচুর পাঙ্গাস আমদানি
- ৪এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার
- ৫শ্রীপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজ অর্থায়নে স্থানীয়দের ড্রেন নির্মাণ
- ৬সবার জন্য চালু হচ্ছে ‘ন্যাশনাল হেলথ কার্ড’: আইসিটিমন্ত্রী
- ৭মানিকগঞ্জে বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান
- ৮অনলাইনে রিটার্ন দাখিল ৪৭ লাখ
- ৯আস্থাহীন পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরাতে পারবে কি নতুন কমিশন?
- ১০প্রবাসে থাকা ছেলের ঔষধ পাঠাতে গিয়ে চাঁদপুরে মায়ের মৃত্যু





পাঠকের মতামত