
সুনামগঞ্জের বিভিন্ন হাওরে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের সোনালী ধান। চোখের সামনে কষ্টের ধান তলিয়ে যাওয়ায় কাঁদছেন কৃষকরা। অনেকেই আবার পানির নিচ থেকে আধাপাকা ধান কেটে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন।
প্রায় কোটি টাকার ধান পানিতে তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুনামগঞ্জের হাওরে হাসছে আধাপাকা সোনালী ধান। আর মাত্র কয়েক দিন পর কৃষক গোলায় তুলবেন সেই ধান। কিন্তু এই আধাপাকা ধান নিয়েই এখন হাওরপাড়ের কৃষকরা পড়েছেন উভয় সংকটে। কখনো আগাম বন্যার আতঙ্ক আবার কখনও শিলাবৃষ্টিতে ফসল হানির শঙ্কা।
তবে এই শঙ্কার মধ্যে এবার যোগ হয়েছে হাওরের জলাবদ্ধতা। হাওরে জলাবদ্ধতার কারণে এখন পর্যন্ত ৬০ হেক্টর বোরো ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। তাই নিরুপায় হয়ে সময়ের আগেই সেই আধাপাকা ধান কেটে ঘরে তুলছেন কৃষকরা।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের কৃষক ইউসুফ আলী মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুধে টাকা এনে ২০ একর জমিতে বোরো ধান করেছিলেন। পরিশ্রমে ফলানো সেই ধান আর কয়েকদিন পর ঘরে তোলার কথা থাকলেও গত ৩ দিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে। তাই কোমরপানিতে নেমে আধাপাকা ধান কেটে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
ইউসুফ আলী বলেন, আমার স্বপ্নের ফসল বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। এখন আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। ছেলে মেয়ে এবং ঋণ কীভাবে পরিশোধ করবো সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।
চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জের ১৩৭টি হাওরে বোরো ধানের আবাদ হলেও তারমধ্যে অন্যতম বৃহৎ দেখার হাওর। এই হাওরে সুনামগঞ্জ সদর, শান্তিগঞ্জ, ছাতক ও দোয়ারাবাজারসহ ৪ উপজেলার লক্ষাধিক কৃষকের ২৪ হাজার হেক্টর জমি রয়েছে। তবে গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের দরিয়াবাজ, কলাউড়া, ইছাগড়ি, হুরমত নগর, রউয়ারপাড়, গুয়ারছড়া, হরিপুরসহ ৭টি গ্রামের কয়েকশ কৃষকের ধান পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে সেই ধান নিরুপায় হয়ে পানির নিচ থেকে কেটে কেউ নৌকায় করে শুকনা স্থানে নিয়ে আসছেন, কেউবা আবার মেশিন দিয়ে মাড়াই করছেন।
হাওরপাড়ের কৃষকরা বলেন, অনেক কষ্ট করে ফসলের আবাদ করেছিলাম, কিন্তু ফসল পুরোপুরি পাকার আগেই বৃষ্টির পানিতে হাওরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ধান তলিয়ে গেছে। এখন এই ধানগুলো কোনো রকমে পানির নিচ থেকে তুলছি গবাদিপশুর খাবার হিসেবে।
এদিকে সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক জানান, দেখার হাওরে যে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে সেটি নিষ্কাশনের জন্য আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। সেইসঙ্গে যাদের ফসল তলিয়ে গেছে তাদের তালিকা তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
এ বছর সুনামগঞ্জ জেলায় ১৩ লাখ ৭০ হাজার ২৭০ টন বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হলেও এরইমধ্যে প্রায় ৩৫০ মেট্রিক টন ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। যার বাজারমূল্য প্রায় কোটি টাকা।
বিএইচ
- ১শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরল কমিটির হাতে
- ২রাষ্ট্রপতির সাথে বিদায়ি নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- ৩শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে : ডা. জুবাইদা রহমান
- ৪হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
- ৫বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবিসি ব্যাংকের উদ্যোগে চট্টগ্রামে বাংলা কিউআর মেলা অনুষ্ঠিত
- ৬শিশুদের প্রযুক্তি থেকে দূরে নয়, নিরাপদ ব্যবহার শেখাতে হবে : ববি হাজ্জাজ
- ৭ময়মনসিংহে ট্রাক চাপায় নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত
- ৮সরিষাবাড়ীতে যমুনা নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন
- ৯বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ২৯ জুলাই
- ১০শহীদ জিয়ার হত্যা মামলার আসামি মোজাফফরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ
- ১‘লুটপাটে সহায়তাকারী’ আইএফআইসির এমডি মনসুর মোস্তফা বহাল তবিয়তে
- ২গ্রাহকদের জন্য নিজস্ব ওএমএস চালু করছে মর্ডান সিকিউরিটিজ
- ৩৯৯৯-এ ফোনে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১০ শিক্ষার্থী উদ্ধার
- ৪যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন
- ৫জোট শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী
- ৬জিয়াউল আহসানের বাড়িতে দুদকের অভিযান শেষ, মালামাল জব্দ
- ৭জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ২.২ শতাংশ, বড় পতন শিল্প ও সেবাখাতে
- ৮হজে বাংলাদেশের জন্য ব্যাকআপ আবাসন ১ শতাংশ বহালের অনুরোধ ধর্মমন্ত্রীর
- ৯রাষ্ট্রের প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে
- ১০চাঁদপুরে নিজ বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে বাড়ির মালিকের মৃত্যু





পাঠকের মতামত