
যথাযোগ্য মর্যাদার মধ্যে দিয়ে মেহেরপুরে ঐতিহাসিক ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস পালিত হয়েছে। রবিবার সকালে মেহেরপুরের মুজিবনগর আম্রকান শেখ হাসিনা মঞ্চে বিশাল সমাবেশের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপিত হয়।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, যারা আজকের স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে দাবি করেন তারাই ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সহ তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছিল। কারাগারের অন্ধকার জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছিল। যেটি মানবতার ইতিহাসের সবচেয়ে কলঙ্কিত ঘটনা।
সমাবেশে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, পলাশীর আম্রকাননের যে সূর্য অস্তমিত গিয়েছিল ঠিক তারপর ১৯৭১ সালে এই মুজিবনগর আম্রকাননে স্বাধীনতার সূর্য উদিত হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, ১৯৪৭ সালে যে পাকিস্তান সৃষ্টি হয়েছিল, সেদিন যখন ৫৬ ভাগ লোকের মায়ের ভাষা বাংলাকে ওরা অস্বীকার করেছিল। সেই দিনই তরুন ছাত্রনেতা শেখ মুজিবুর রহমান উপলব্ধি করেছিলেন ইংরেজি শাসক শাসনের পরিবর্তে পাকিস্তানের শাসক শাসন শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ কখনো মুক্তি হবে না।
মোজাম্মেল হক বলেন, বাংলাদেশ মুক্তির লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি সংগ্রাম শুরু করেন। তারপর ধাপে ধাপে ভাষা আন্দোলন,যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান।তিনি বলেন, দেশ স্বাধীনের ৫১ বছরের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমতা ছিলেন সাড়ে তিন বছর।
জননেত্রী শেখ হাসিনা সাড়ে ১৮ বছর ক্ষমতায় রয়েছেন। বেশী সময়ে জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া দেশ পরিচালনা করেছেন বেশিরভাগ সময়। তারা দেশ পরিচালনা করলেও তারা দেশের জন্য কি করেছে, কী উন্নয়ন করেছে। আর বর্তমান সরকার দেশের জন্য কী উন্নয়ন করেছে তা আপনারাই বিচার করবেন।
সমাবেশে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরের এই পবিত্র মাটিতে শপথ গ্রহণের পরপরই সমগ্র বাঙালি জাতি জেগে উঠেছিল। তার পরের ইতিহাস ৯ মাসের রক্ত ক্ষয় যুদ্ধ, ৩০ লক্ষ শহীদ আর ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আরো বলেন, ৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এর পর থেকেই প্রতিবছর এই মুজিবনগরে যথাযথভাবে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত হয়ে আসছে। তিনি বলেন আজকে আমাদের বড় লজ্জা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ছাড়া জামাত -বিএনপি এই মহান দিবসটি পালন করে না। তারা নিজেদেরকে স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি হিসেবে দাবি করলেও এই দিবসটি তারা কখনোই পালন করে না। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির দপ্তর সম্পাদক আমজাদ হোসেন, সাঈদ খান, সদস্য পারভিন জামান কল্পনা।
- ১মাদক সংশ্লিষ্টতার সঙ্গে পুলিশ জড়িত থাকলেও ছাড় নয়: ডিআইজি
- ২ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ৩লোকসানী শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর এক মাসে বেড়েছে ৬৮ শতাংশ
- ৪স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম
- ৫পোশাকশিল্পের বিকাশে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
- ৬পারিবারিক বিরোধের জেরে তায়েবাকে হত্যার অভিযোগ, ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ৭বন্যাকবলিত ৩ হাজার ৫০ পরিবারকে ত্রাণ দিল শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন
- ৮সাতক্ষীরায় দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা
- ৯‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতেই চলবে বৈদেশিক সম্পর্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ১০মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু
- ১এক মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছে ৫০ হাজার কোটি
- ২একনেক সভায় ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
- ৩ভরা মৌসুমে চাঁদপুরে মাছঘাটে প্রচুর পাঙ্গাস আমদানি
- ৪এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার
- ৫মানিকগঞ্জে বেসরকারি হাসপাতালে অভিযান
- ৬শ্রীপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজ অর্থায়নে স্থানীয়দের ড্রেন নির্মাণ
- ৭সবার জন্য চালু হচ্ছে ‘ন্যাশনাল হেলথ কার্ড’: আইসিটিমন্ত্রী
- ৮স্থানীয় সরকার কার্যকর হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী হবে
- ৯অনলাইনে রিটার্ন দাখিল ৪৭ লাখ
- ১০আস্থাহীন পুঁজিবাজারে আস্থা ফেরাতে পারবে কি নতুন কমিশন?





পাঠকের মতামত