
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের দুর্গাবাটি এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া উপকূল রক্ষা বেড়িবাঁধের পাশ দিয়ে দেয়া রিং বাঁধটি টানা ৫ দিন ধরে কয়েক হাজার স্বেচ্ছাশ্রম দেওয়া সাধারন মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রমে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টায় পানি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরে এসেছে।
গত সোমবার সকাল থেকে স্থানীয় সাবেক ও বতর্মান জনপ্রতিনিধিরা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতা এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ, স্থানীয় কয়েক হাজার মানুষের অংশগ্রহনে বাঁশ দিয়ে পাইর্লিং করে ও বালুর বস্তা ফেলে এই বাঁধের কাজ শুরু করা হয়। এর আগে গত ১৫ জুলাই রাত ১১ টার সময় দূর্গাবাটি এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর প্রায় ১ শত ৫০ ফুট এলাকাজুড়ে উপকুল রক্ষা বেঁড়িবাধটি ভেঙে প্রায় ১০ হাজার বিঘা মৎস্য ঘের পানিতে তলিয়ে যায়। এতে বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের অন্তত ১১টি গ্রাম ও পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী আটুলিয়া ইউনিয়নের ৪ টি গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়। ভেসে যায় হাজার হাজার বিঘা মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি। পানিবন্দী হয়ে পড়ে প্রায় ২৫ হাজার পরিবার।
সরেজমিনে স্থানীয়দের অনেকে জানান, এলাকায় পানি প্রবেশ ঠেকাতে সাড়ে তিন হাজার মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রমে রিং বাঁধ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এবার পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্প দেখিয়ে টাকা তুলে নেবে। প্রতিবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাউকে দেখা যায় না। এই এলাকার সাধারণ জনগন নিজেদের জানমাল রক্ষা করার জন্য স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে নিজেরাই বেড়িবাঁধ নির্মাণে সহোযোগিতা করে আর পানি উন্নয়ন বোর্ড তারা একাধিক প্রকল্প দেখিয়ে টাকা তুলে নেয়। আমাদের এলাকায় ঝড় বা জলোচ্ছ্বাস লাগে না। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে নদীতে পানি একটু বৃদ্ধি পেলেই বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। টেকসই নির্মাণ ছাড়া আমাদের দুঃখের দিন শেষ হবে না।
বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার জানান, সাতক্ষীরা-০৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দারের নির্দেশনায় ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের জিনিসপত্র, শ্রমিক, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং ইউনিয়ন পরিষদ, স্থানীয় এলাকাবাসী বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার হাজার উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণে পানি আটকানো সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, বতর্মান বেড়িবাঁধ মেরামত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে বাঁধটি সম্পূর্ণ মেরামত করা সম্ভব না হলেও কোন রকমে জোয়ারের পানি লোকলয়ে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য প্রানপন চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সাতক্ষীরা-০৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দায় জানান, দুপুরের জোয়ারে সামান্য কিছু পানি বালুর বস্তার উপর দিয়ে ওভার ফ্লো হয়ে প্রবেশ করেছে। তবে রাতের জোয়ারে বাঁধ বেধে ফেলেছে সাধারণ জনগন। মহান সৃষ্টিকর্তার দোয়ায় এখন আর পানি প্রবেশ করছে না।
- ১মালয়েশিয়ায় ৪১৫৯৬ অবৈধ প্রবাসী আটক
- ২‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডব্লিউএফপির সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ৩১৩ দিনে সরকারের ব্যাংক ঋণ ৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা
- ৪রপ্তানি খাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম: বাণিজ্যমন্ত্রী
- ৫পলিথিন ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা ও আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি
- ৬এনআরবিসি ব্যাংকে নবনিযুক্ত ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসারদের ওরিয়েন্টেশন
- ৭বাংলা কিউআরের প্রচারে সোনালী ব্যাংক
- ৮যমুনা ব্যাংকের এজিএম অনুষ্ঠিত
- ৯শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী
- ১০জাতীয় অধ্যাপক হলেন অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ
- ১চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ হবে: অর্থমন্ত্রী
- ২ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ৩০ জুলাই
- ৩২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক : তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
- ৪লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
- ৫মেঘনায় মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, হতাশা নিয়ে ফিরছেন জেলেরা
- ৬ফনিক্স ফাইন্যান্সের বোর্ড সভা ২৮ জুলাই
- ৭শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার
- ৮নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন শুরু ২ আগস্ট
- ৯রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইসি
- ১০জাতীয় অধ্যাপক হলেন অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ





পাঠকের মতামত