
মিয়ানমারের রাখাইন থেকে সেনা অভিযানের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশের অস্থায়ী ক্যাম্পগুলোতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্য থেকে দ্বিতীয় দফায় অন্তত এক হাজার জনকে দুর্গম ভাসানচরে ডিসেম্বরেই স্থানান্তর করা হবে।
বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনের (আরআরআরসি) সূত্রে রোববার (২৭ ডিসেম্বর) এ খবর জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
এর আগে, এ মাসের শুরুর দিকে অন্তত ১৬০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে কক্সবাজার জেলার অস্থায়ী ক্যাম্পগুলো থেকে ভাসানচরে স্থানান্তর করেছিল বাংলাদেশের সরকারি কর্তৃপক্ষ।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শরণার্থী কমিশনের ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কক্সবাজার থেকে শরণার্থী দলকে প্রথমে চট্টগ্রামে নেওয়া হবে। তারপর জোয়ার ভাটার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তাদেরকে ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হবে।
এ ব্যাপারে আরআরআরসি’র ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মাদ শামসুদ দৌজা রয়টয়ার্সকে জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ইচ্ছার ভিত্তিতেই তাদের ভাসানচরে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, রোহিঙ্গা শরনার্থীদের স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে থেকেই এ প্রক্রিয়া বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আসছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। এখনও তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। এমনকি, জাতিসংঘের বাংলাদেশ আবাসিক অফিসের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে – তাদেরকে সংশ্লিষ্ট না করেই স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ।
পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে ভাসানচরে তাদের পক্ষ থেকে একটি কৌশলগত এবং নিরাপত্তা জরিপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, বাংলাদেশের সরকারি কর্তৃপক্ষ তাদের অনুমতি না দেওয়ায় জরিপ শুরু করা যায়নি।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর উচিত, ভাসানচরের পরিবেশ নিয়ে চিন্তিত না হয়ে, রাখাইনে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন করার পরিবেশ আছে কি না – সে ব্যাপারে চিন্তিত হওয়া।
প্রসঙ্গত, মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্য থেকে সরকারি মদদপুষ্ঠ এক সেনা অভিযানের মুখে ২০১৭ সালের আগস্টে সীমান্ত সংলগ্ন বাংলাদেশের উখিয়া এবং টেকনাফে আশ্রয় নেয় প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা। ইতোমধ্যেই, কয়েকদফা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও মিয়ানমারের সদিচ্ছার অভাবে তা আলোর মুখ দেখেনি।
বাণিজ্য প্রতিদিন/এমআর
- ১বীরগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার
- ২অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ
- ৩রাষ্ট্রপতি কে হবেন সিদ্ধান্ত হবে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে: মির্জা ফখরুল
- ৪কুড়িগ্রামে রয়েল হাসপাতালকে জরিমানা ও কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ
- ৫১৭ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো সিরিয়া সফরে জাতিসংঘ মহাসচিব
- ৬চা শ্রমিককে মারধরের অভিযোগে দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি ও মানববন্ধন
- ৭রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা থাকলে খতিয়ে দেখা হবে: আইনমন্ত্রী
- ৮চাঁবিপ্রবির নতুন উপ-উপাচার্য ড.লোকমান হোসেন
- ৯সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে দেশের নতুন চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী
- ১০৯ নারীকে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত বিজিবির
- ১মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমা সদৃশ বস্তু, নিষ্ক্রিয় করেছে পুলিশ
- ২যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ঘোষণায় সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ শুল্ক পাচ্ছে বাংলাদেশ
- ৩শেরপুরে হাতি সংরক্ষণে জনসচেতনতা বিষয়ক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ
- ৪ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে : তথ্যমন্ত্রী
- ৫কয়রায় জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের স্মরণে ছাত্রশিবিরের দোয়া অনুষ্ঠান
- ৬আত্মঘাতী বোমা হামলায় পাকিস্তানের ১২ সেনাসহ ১৫ জন নিহত
- ৭সংবিধান রক্ষা করেছি, নতুন সরকার দেশ চালাচ্ছে, এসব আমারই কৃতিত্ব
- ৮ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিনের বাসভবনে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার
- ৯শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় মদসহ ২ চোরাকারবারি আটক
- ১০উদীয়মান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় টিএসি অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ





পাঠকের মতামত