
শীতপ্রধান দেশ হিসেবে কানাডায় তুষারপাত হলেও এর তীব্রতা প্রতি বছরে একেক রকম হয়ে থাকে কানাডায় জীবনযাত্রা যেন মোটামুটি স্বাভাবিক রাখা যায় তাই বিভিন্ন প্রদেশে বাজেটের শতকরা ৫০ থেকে ৬০ ভাগ বরফ সরানোর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বরাদ্দ থাকে।
বাংলাদেশে বর্ষা থেকে কখনো কখনো বন্যার আবির্ভাব হয় কিন্তু কানাডায় তুষারপাত থেকে বন্যার সৃষ্টি হয় না। দেশে বর্ষায় রাস্তা ঘাটের যে ক্ষতি হয় তা সংস্কারের জন্য কতটুকু বরাদ্দ থাকে তা জানা যায় না হয়তো অবকাঠামো উন্নয়ন খাত থেকে খরচ করা হয় কিংবা বন্যা মোকাবিলায় খরচ ও পুনর্বাসনের জন্য বাজেটে যতটুকু বরাদ্দ থাকে তা বোধ করি সংকুলান হয়না। সেজন্য বিভিন্ন সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দান করে থাকে।
শীতপ্রধান দেশ হিসেবে কানাডায় তুষারপাত হলেও এর তীব্রতা প্রতি বছরে একেক রকম বিশেষ করে দু-একটি প্রদেশ যেমন নুনাভিট বছরের ৮ মাসেই বরফে ঢাকা থাকে। আবার টরেন্টো থেকে আলবার্টা, কিংবা সাসকাচুয়ানে ভারি তুষারপাত হয়। এসব প্রদেশে তাপমাত্রা থাকে -৪০ থেকে -৬০ ডিগ্রি হিমাঙ্কের নিচে। জীবনযাত্রা যেন মোটামুটি স্বাভাবিক রাখা যায় তাই এখানে বিভিন্ন প্রদেশে বাজেটের শতকরা ৫০ থেকে ৬০ ভাগ বরফ সরানোর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে বরাদ্দ থাকে। অঙ্কের হিসেবে যা ৮ মিলিয়ন ডলার থেকে ১৫ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত খরচ করা হয়।
এখন আমি দুই দেশের বন্যার কিছুটা চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করছি। বন্যার চিত্র দুই দেশের প্রায় একই রকম তবে পৌনঃপুনিক সংঘটন ও এর ক্ষয়ক্ষতির একটা বড় ধরনের তারতম্য আছে। বাংলাদেশে প্রায় প্রতি বছর বন্যা সংগঠিত হয়ে থাকে। পাহাড়ি ঢল, ফারাক্কা বাঁধ, নদী খনন পরিকল্পনার ঘাটতি ইত্যাদি এর প্রধান কারণ। বন্যার ফলে জীবন-জীবিকা ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। অনেক মানুষকে বাঁধের ওপর আশ্রয় নিতে হয়।
ঘরবাড়ি বিনষ্ট হয়, পশুসম্পদ, মাছের পুকুরের ক্ষতি হয়। সবচেয়ে মর্মান্তিক হলো, যে ফসলের ওপর নির্ভর করে সাধারণ মানুষকে জীবিকা নির্বাহ করতে হয় তারা সবকিছু হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে। শুধু এই বছরেই সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনাসহ সারাদেশে যে বন্যা সংঘঠিত হয়েছে তাতে পাঁচ শতাধিক মানুষ জীবন হারিয়েছে আর ফসলের ক্ষতি হয়েছে ৫০ হাজার হেক্টরের বেশি জমি।
কানাডায়ও বন্যা হয় তবে প্রতি বছর নয়। ১৯৫৪ সালে হ্যাজেল নামে হ্যারিকেনের পর ২০১৩ সালে গ্রেটার টরোন্টোতে ভয়ংকর বন্যা সংঘটিত হয়েছে। বৃষ্টিপাত হয়েছে ১২৬ মিলিমিটার যা বন্যা সংঘঠনের প্রধান কারণ। ৮১ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, লেক পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহের জীবনযাত্রা দুই সপ্তাহের জন্য প্রায় অচল ছিল। তবে ভূপ্রকৃতি ও ভিন্ন ধরনের জীবনযাত্রার জন্য কিছু ঘরবাড়ি বিনষ্ট ও গাড়ির ক্ষতি ছাড়া অন্যকোনো ক্ষতি সাধিত হয়নি।
তাছাড়া কানাডা ধান উৎপাদনশীল দেশ নয় বরং চাল আমদানিনির্ভর যা ভারত পাকিস্তান এবং আমেরিকা থেকে আমদানি করে থাকে। সব দেশের সব সরকারই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য আরও সচেষ্ট হলে হয়তো মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাবে। ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা দিনদিন কমবে। বেঁচে থাকার জন্য মনে জাগবে আশার সঞ্চার।
- ১হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি: প্রধানমন্ত্রী
- ২বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজনের গলিত মরদেহ উদ্ধার
- ৩৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই: ডিবিপ্রধান
- ৪বিএটি বাংলাদেশের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাখাবের বেনিদজে
- ৫শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড ও কাউন্সিলর একরাম হত্যার বিচার শুরু হয়েছে
- ৬সাতক্ষীরার ব্লিস হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড, নিরাপদে সরানো হলো রোগীদের
- ৭প্রাণিজ ও কৃষিপণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহী মালয়েশিয়া
- ৮বাংলাদেশে খাদ্য, এআই ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব
- ৯ফার্মগেটে ‘রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ সভায় যোগ দিলেন তারেক রহমান
- ১০সরিষাবাড়ীতে নিরপরাধ কিশোরকে মারধর করে চোর বানিয়ে ভিডিও প্রচার
- ১চাঁদপুরে জুলাই আন্দোলনের মামলায় ৩৭৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
- ২অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে: বিদ্যুৎ বিভাগ
- ৩নবীনগরে দেড়শ বিঘায় নতুন সম্ভাবনার আউশ আবাদ
- ৪প্রধানমন্ত্রী ভারত যাবেন কিনা সময়ই বলে দেবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ৫বেইলি ব্রিজ ধস, মতলব-দাউদকান্দি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ
- ৬চাঁদপুর ট্রাফিক পুলিশের রেকর্ড পরিমাণ মামলা ও জরিমানা আদায়
- ৭বাংলা কিউআরের প্রসারে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ক্যাম্পেইন উদ্বোধন
- ৮রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ৯গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ভুক্তভোগী পাবে ক্ষতিপূরণ
- ১০জুলাইয়ে রপ্তানি আয় কমে ৪.৭২ বিলিয়ন ডলার





পাঠকের মতামত