
আত্মবিশ্বাস কোনো রাতারাতি অর্জিত গুণ নয়। এটি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজে থেকেই তৈরি হয় না; বরং শিশুর দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা, শেখার পরিবেশ এবং পারিবারিক সহায়তার মাধ্যমে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। একজন শিশুর আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠার পেছনে বাবা-মায়ের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিছু সচেতন পদক্ষেপ সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-
সন্তানের প্রচেষ্টার প্রশংসা করুন
শিশু কোনো কাজে সফল হলে শুধু ফলাফলের নয়, তার প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমেরও প্রশংসা করুন। এতে সে নতুন কিছু শেখার ও চেষ্টা করার সাহস পাবে।
ভুলকে শেখার অংশ হিসেবে দেখান
ভুল করলে বকাঝকা না করে তাকে বোঝান যে ভুল করা শেখারই একটি অংশ। এতে ব্যর্থতার ভয় কমে এবং নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণে আগ্রহ তৈরি হয়।
অন্যদের সঙ্গে তুলনা করবেন না
ভাই-বোন, সহপাঠী বা প্রতিবেশীর সন্তানের সঙ্গে তুলনা করা শিশুর আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। প্রতিটি শিশুর নিজস্ব গুণ ও সক্ষমতা রয়েছে—সেটিই গুরুত্ব দিন।
রেস্তোরাঁয় তাদের নিজেদের জন্য অর্ডার করতে দিন
রেস্তোরাঁয় যাওয়া আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর একটি দারুণ উপায় হতে পারে। আপনার সন্তানের হয়ে কথা বলার পরিবর্তে, তাদেরকেই ওয়েটারকে বলতে দিন যে তারা কী অর্ডার করতে চায়। এই ছোট আলাপচারিতা শিশুদের যোগাযোগ করতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে শেখায়। প্রথমে তারা লজ্জা পেলেও, এই ছোট ছোট কথোপকথনের অনুশীলন তাদের সামাজিক পরিস্থিতিতে আরও স্বচ্ছন্দ হতে সাহায্য করে।
গাড়ি চালানোর সময় তাদের দিকনির্দেশনা নিন
ভ্রমণের সময় একটি সহজ কৌশল শিশুর আত্মবিশ্বাস তৈরিতে অবদান রাখতে পারে এবং এর পাশাপাশি সমস্যা সমাধান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ কনা শিখতেও সাহায্য করে। ভ্রমণের সময় বাবা-মায়েরা শিশুদের দিকনির্দেশনায় সাহায্য করতে, পরিচিত স্থান চিহ্নিত করতে বা তারা কোথায় যাচ্ছে তা খেয়াল করতে বলতে পারেন। শিশুদের দিকনির্দেশনা শিখতে সাহায্য করার জন্য তাদের হাতে জিপিএস ট্র্যাকারও তুলে দিতে পারেন।
দৈনন্দিন দায়িত্বগুলোকে একটি মজার পরিচয় দিন
কখনও কখনও শিশুরা দায়িত্বশীল হতে এবং বড়দের কাজ করতে ভালোবাসে। এই কৌশলটি শিশুদের ছোটখাটো গৃহস্থালির কাজে যুক্ত করতে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে। শিশুদের শুধু একটি কাজ না দিয়ে তাদের একটি মজার পরিচয় দিতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, যখন আপনি আপনার সন্তানকে গাছে পানি দিতে বলেন, তখন তার নাম দিন ‘গাছের তত্ত্বাবধায়ক’। এইভাবে শিশুরা তাদের সামর্থ্য সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে এবং তাদের মধ্যে দায়িত্ববোধও গড়ে ওঠে।
নিজেদের জিনিসপত্র গোছাতে দিন
কোনো ভ্রমণ বা বাইরে যাওয়ার আগে সন্তানদের নিজেদের জিনিসপত্র নিজেরাই গুছিয়ে নিতে বলুন। শিশুদের নিজেদের পছন্দের পোশাক বা খেলনা বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা দিলে তা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে। এই সহজ অভ্যাসটি শিশুদের গোছানোর অভ্যাস এবং স্বাবলম্বী হতে শেখায়।
পরিচয় দিতে শেখা
নতুন কারও সঙ্গে দেখা হলে তাদের নিজেদের পরিচয় দিতে উৎসাহিত করুন। প্রতিবেশী, নতুন শিক্ষক বা পারিবারিক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করা হোক না কেন, আপনার সন্তানকে তার নাম বলতে, অভিবাদন জানাতে এবং নিজের সম্পর্কে কিছু বলতে উৎসাহিত করুন। এই ছোট ছোট সামাজিক দক্ষতাগুলো ধীরে ধীরে শিশুদের আরও সক্ষম এবং স্বাধীন বোধ করতে সাহায্য করে।
বিএইচ
- ১ভরিতে ২২১৬ টাকা বাড়িয়ে সোনার নতুন দাম কার্যকর
- ২বাংলাদেশসহ ১৪ দেশ নিয়ে সৌদির সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠন
- ৩শেরপুরে বিএনপি ছেড়ে দুই নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান
- ৪শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
- ৫চট্টগ্রামে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোকানে যাত্রীবাহী বাস, নিহত ২
- ৬জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৪
- ৭বাংলাদেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র
- ৮টাঙ্গাইলে বাস ট্রাকের সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩
- ৯বিএনপি নব্য স্বৈরাচার হওয়ার পথে হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম
- ১০ডিজিটাল ট্রেড ও ফ্রিল্যান্সারদের সহায়তায় একাধিক নতুন বিধান
- ১জবির নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্প নিয়ে ভয়ংকর নীলনকশা!
- ২নেশা চক্রের খপ্পরে অচেতন গরু ব্যবসায়ী, উদ্ধারের দুই দিন পর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল ‘আজকের তারুণ্য’
- ৩বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ
- ৪শুধু নিরাময় নয়, রোগ প্রতিরোধে মনোযোগ দিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ৫একটি সাক্ষরের ভুলে ভেঙে গেল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন
- ৬নবীনগর উপজেলা পরিষদে মাতৃদুগ্ধ কর্নার ও নারীদের নামাজের স্থান চালু
- ৭মানবপাচার ও অনলাইন স্ক্যাম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ৮মিরসরাইয়ে পৈতৃক ভিটা রক্ষার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
- ৯বাকৃবিতে স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
- ১০এনসিপি নতুন বন্দোবস্ত বাস্তবায়নের নামে ভন্ডের রাজনীতি করছে: রাশেদ খাঁন





পাঠকের মতামত