
ঈদের পরে দুদিনে ভারতের পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ৫ টাকা বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দেশি পেঁয়াজের বাজারেও। এতে খুচরা বাজারে ভারতের পেঁয়াজের দাম দেশি পেঁয়াজের সমান। বাজারে এখন উভয় পেঁয়াজ কিনতে গুনতে হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। যা ঈদের আগেও ৫ টাকা কম ছিল।
পেঁয়াজের আমদানিকারক আবদুল মাজেদ বলেন, ‘করোনার বিধিনিষেধে ভারত থেকে পেঁয়াজ আনা যাচ্ছে না। এ কারণে বাজারে ভারতের পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। আমদানি প্রায় বন্ধ।’
তিনি বলেন, ‘দেশি পেঁয়াজের দাম বাড়েনি মোকামে। কিন্তু ভারতের পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণে খুচরা পর্যায়ে দেশি পেঁয়াজও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।’
রাজধানীর খিলগাঁও বাজারের খুচরা বিক্রেতা আবু হানিফ বলেন, ‘ভারতের প্রতিকেজি পেঁয়াজ ঈদের পরে মোকামে ৩৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা ঈদের আগে ৩২ থেকে ৩৩ টাকা ছিল।’
অপরদিকে কাঁচাবাজারে ঈদের পর থেকে বেড়ে যাওয়া সবজি, মাছ, মাংসের দাম কমেনি। যদিও ঈদের পরদিন কাঁচাবাজারে অধিকাংশ দোকান বন্ধ ছিল, ছিল না ক্রেতার খুব একটা আনাগোনাও। তারপরও দাম চড়া।
রোববার (১৬ মে) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে পাইকারিতে কাঁচা মরিচ, পেঁপে, গাজর, করলা, কাকরোলসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে।
আড়তদাররা বলছেন, ঈদের দিন অনেকেই মোকাম করেননি। গ্রাম থেকে সবজি আসছে না। এ কারণে দাম বেড়ে গেছে।
এদিকে খুচরা বাজারে এক কেজি পেঁপের দাম উঠেছে ৮০ টাকায়। ঈদের আগে যে কাঁচা মরিচ ৮০ টাকায় বিক্রি হতো, তা এখন ১২০ টাকা কেজি। একইভাবে গাজর বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। কাঁচা কলার হালি ৪০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৬০ টাকা।
শুধু পটল আর ভেন্ডি (ঢেঁড়শ) ছাড়া অন্যান্য প্রায় সব সবজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। শুধু পটল আর ভেন্ডির দাম ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে।
তালতলা বাজারের ব্যবসায়ী বাছেদ হোসেন বলেন, ‘আরতে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে ঈদের পর থেকে। এর মধ্যে পেঁপে, কাঁচা মরিচ ও কলার দাম বেড়েছে বেশি। মরিচের দাম এক রাতে দ্বিগুণ হয়েছে।’
এদিকে রোববারও বিভিন্ন বাজারে অনেক দোকান বন্ধ দেখা গেছে। দু-একদিন পর থেকে রাজধানীতে মানুষ পুরোদমে ফিরতে শুরু করলে বাজার আবার জমে উঠবে।
এদিকে ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকা থেকে নামেনি। একই সঙ্গে পাকিস্তানি মুরগি ২৬০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৪০ টাকা ও দেশি মুরগি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
তালতলা বাজারে মুরগির দোকানি সবুজ বলেন, ‘রাস্তা-ঘাটে যানজট না থাকলে মুরগির সরবরাহ অনেক বাড়বে আজ-কালের মধ্যে। তখন দাম কমে আবার আগের মতো ১৪০ টাকায় আসবে।’
এদিকে বাজারে এখনও গরুর মাংস ৬০০ থেকে ৬২০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। খাসির মাংসের দাম ৯০০ টাকা কেজি।
মালিবাগ বাজারের মাংস ব্যবসায়ী বুলু মিয়া বলেন, ‘গরুর দাম ও পরিবহনের ভাড়ার কারণে প্রতিকেজি মাংসে ৬১৫ টাকা খরচ হচ্ছে। গরুর দাম না কমলে মাংসের দাম আগের অবস্থায় যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।’
- ১রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
- ২হাসিনার নির্দেশে গুম করা হয়েছিল সালাহউদ্দিন আহমদকে
- ৩সড়ক-বাড়িতে দূষিত পানি, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সরিষাবাড়ীবাসী
- ৪গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে শিল্পকারখানা, ঋণের সুদ মওকুফ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার
- ৫বাংলা কিউআর ব্যবহারে চাঁদাবাজি ও জাল নোটের ঝুঁকি কমবে : গভর্নর
- ৬সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেকের পরিবার পাবে ৫ লাখ টাকা
- ৭৪২ কৃতী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও সম্মাননা দিল মোড়লগঞ্জ মডেল একাডেমি
- ৮ইরানের শর্ত পুরোপুরি মানলেই খুলবে হরমুজ প্রণালি: আইআরজিসি
- ৯অসহায় মায়ের ৫০০ টাকার ভাড়ার জন্য চুল বিক্রি, তবু জোটেনি ঘর
- ১০দেশে বিনিয়োগ করতে চায় গুগল-মেটা-টিকটক: আইসিটি মন্ত্রী
- ১সিন্ডিকেট-মজুদদারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করবে সরকার
- ২সাতক্ষীরা-ভেটখালী সড়কে বড় বড় খানাখন্দ, চলাচলে চরম ভোগান্তি
- ৩আখাউড়ায় শাহপীর কল্লা শহীদ’র ওরস সোমবার শুরু
- ৪অসময়ে তরমুজ চাষে কৃষকের দৃষ্টান্ত স্থাপন
- ৫চিকিৎসক সমাজের পেশাগত উৎকর্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ড্যাব
- ৬সমনবাগ চা বাগানে ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে গণবিক্ষোভ
- ৭ভরিতে ফের ৪৩৭৪ টাকা বাড়লো সোনার দাম
- ৮কাপাসিয়ায় বাবার খরিদকৃত জমি দখল চেষ্টা, থানায় মেয়ের অভিযোগ
- ৯আমরা বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই: শিক্ষামন্ত্রী
- ১০সিরাজগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় বাসচালকসহ নিহত ২, আহত ১০





পাঠকের মতামত