
আগামীকাল সোমবার (২৮ জুন) থেকে বুধবার (২৯ জুন) পর্যন্ত বর্তমান নিয়মে শিল্পকারখানা, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও শেয়ারবাজার খোলা থাকবে। আর বৃহস্পতিবার থেকে কঠোর লকডাউনে যাচ্ছে দেশ। তবে কঠোর লকডাউন শুরু হলেও রফতানিমুখী শিল্পকারখানা খোলা থাকবে। একই সময়ে রফতানি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং সেবাও চালু থাকবে। তবে ব্যাংকের লেনদেনের সময়সীমা কী হবে, তা রোববার (২৭ জুন) নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
শনিবার (২৬ জুন) রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে অনলাইন মাধ্যমে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠকে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, তৈরি পোশাক-শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসান, নিট পোশাক-শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে কঠোর লকডাউনের মধ্যেও পোশাক কারখানা খোলা রাখার পক্ষে মতামত দেন মালিকপক্ষ। তারা বলেন, এই মুহূর্তে কারখানাগুলোতে অনেক অর্ডার রয়েছে, ব্যাংক থেকে ঋণও নেয়া আছে। কারখানা বন্ধ হলে শিপমেন্ট বন্ধ হয়ে যাবে, এতে ব্যাংক টাকা দেবে না। তাছাড়া আসন্ন ঈদে বেতন-বোনাসসহ আগামী মাসে (জুলাই) ১৫ দিনের বেতন দেয়াও সম্ভব হবে না।
পোশাক মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র একাধিক সদস্য মনে করেন, তৈরি পোশাক কারখানা লকডাউনে বন্ধ হলে শ্রমিকরা গ্রামে যাওয়ার চেষ্টা করবে, যেটা এর আগেও হয়েছিল। এমনটা হলে শহর ও গ্রামের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে করোনার নতুন ধরন। আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পাবে, প্রাণহানির শঙ্কাও বাড়বে। গার্মেন্টস কারখানা খোলা থাকলে কারখানা সংলগ্ন এলাকার শ্রমিক ও নিজস্ব পরিবহনে কর্মীদের এনে উৎপাদন চলবে। এতে সবাই নিরাপদে থাকবেন আবার উৎপাদনও চলমান থাকবে।
এ বিষয়ে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, আমরা কারখানা চালু রাখার যৌক্তিক কারণগুলো সরকারকে অবগত করেছিলাম। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমাদের যৌক্তিক কথার বাস্তবায়ন হয়েছে। এখন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে শিল্প উৎপাদন হবে, রফতানি আয় আসবে। আবার শ্রমিকেরা নিরাপদে থাকবেন। প্রয়োজনে আমরা তাদের পরিবহনের মাধ্যমে কারখানায় আনব। কঠোর স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করা হবে।
বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, আমরা সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। এ মুহূর্তে কারখানা বন্ধ করা হলে শিপমেন্ট হতো না, অর্ডারের পণ্য রফতানি আটকে গেলে বেতন-বোনাস নিয়ে জটিলতা তৈরি হতো। তাছাড়া ঈদ বোনাসের সঙ্গে আগামী মাসের অর্ধেক বেতনও সমন্বয় করে শ্রমিকের হাতে তুলে দেয়া সম্ভব হতো না।
- ১গভীর রাতে আড়িয়াল খাঁয় ড্রেজার, ভাঙনে ঘরবাড়ি হারাচ্ছে অর্ধশত পরিবার
- ২সৌদির দুই অঞ্চলে বিস্ফোরণ, আরামকো তেল ও জুবাইল গ্যাস স্থাপনায় আগুন
- ৩মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
- ৪সূচকের পতনে চলছে লেনদেন
- ৫হেলিকপ্টারে মহেশখালীর পথে প্রধানমন্ত্রী
- ৬ঢাকায় পুলিশের অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৪
- ৭দর বৃদ্ধির কারণ জানে না ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স
- ৮সোমবার সকাল ১০টায় এসএসসি ও সমমানের ফল উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী
- ৯ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
- ১০নাফ নদী থেকে বাংলাদেশি ৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি
- ১সাতক্ষীরা-ভেটখালী সড়কে বড় বড় খানাখন্দ, চলাচলে চরম ভোগান্তি
- ২আখাউড়ায় শাহপীর কল্লা শহীদ’র ওরস সোমবার শুরু
- ৩সিন্ডিকেট-মজুদদারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করবে সরকার
- ৪চিকিৎসক সমাজের পেশাগত উৎকর্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ড্যাব
- ৫অসময়ে তরমুজ চাষে কৃষকের দৃষ্টান্ত স্থাপন
- ৬সমনবাগ চা বাগানে ৫০০ টাকা মজুরির দাবিতে গণবিক্ষোভ
- ৭কাপাসিয়ায় বাবার খরিদকৃত জমি দখল চেষ্টা, থানায় মেয়ের অভিযোগ
- ৮চাহিদা অনুযায়ী বগুড়ার তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী
- ৯আমরা বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই: শিক্ষামন্ত্রী
- ১০সাতক্ষীরায় বর্ষা মৌসুমে পাট পঁচানোর ধুম





পাঠকের মতামত