প্রকাশিত: এপ্রিল ৭, ২০২১ ৩:৫০ পিএম

প্রয়োজনের অতিরিক্ত চাল ও গম কেনা হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বুধবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে অর্থনৈতিক বিষয়ক ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর অনেক বেশি চাল আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সেই চাল ঠিকমতো দেশে ঢুকছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাল আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে আমাদের যতটুকু প্রয়োজন সেই পরিমাণ। কিন্তু সেখান থেকে যখন কোনো সাপ্লাইয়ার (সরবরাহকারী) তা সময় মতো দিতে পারে না, তখন আমরা এটাকে পরিবর্তন করে আরেক জায়গায় চলে যাই।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের খাদ্য মন্ত্রণালয় কৃষি মন্ত্রণালয়কে সাথে নিয়ে একদম ইন্টিগ্রিটেড ওয়েতে দেখে, কী পরিমাণ চাল দরকার। এগুলো নির্ধারণ হয় আমাদের প্রয়োজন এবং আমাদের আগামীর প্রয়োজন। আমাদের নেক্সট ফসল কখন আসবে, সেটাকে মাথায় রেখে আমাদের কাজটি করতে হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা বেশি চাল কিনবো না, বেশি কিনলে আমাদের কৃষক সম্প্রদায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আবার গমও বাড়তি কিনব না, যাতে আমাদের ভোক্তাদের সাফার (ভুগতে) করতে না হয়। এই দুইয়ের সমন্বয়ে আমরা কাজগুলো করে থাকি।

কোভিড-১৯ প্রতিরোধে জনগণের সেফটি সিকিউরিটির কথা মাথায় রেখেই লকডাউন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, দেশের মানুষের যেন ক্ষতি না হয় আমরা সব সময় সেদিকে লক্ষ্য রাখছি।

লকডাউনে দোকানপাট বন্ধ থাকায় নিম্ন আয়ের মানুষ সমস্যায় আছে, অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাদের জন্য কিছু করার পরিকল্পনা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের যে সব কারণে লকডাউন দেওয়া হয়েছে সেটা আপনারা জানেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা দেখে ব্যবস্থা নেবেন। জনগণের সেফটি-সিকিউরিটির কথা মাথায় রেখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টা আমার নয়, তাই সে বিষয়ে আমি কথা বলতে চাই না। দেশের মানুষের যেন ক্ষতি না হয় আমরা সব সময় সেদিকে লক্ষ্য রাখছি।

তিনি বলেন, করোনার প্রণোদনা প্যাকেজগুলো আমাদের মন্ত্রণালয় থেকেই ঘোষণা করা হয়েছে, কিন্তু সবগুলো প্যাকেজই প্রধানমন্ত্রীর ধারণা ও পরিকল্পনায় হয়েছে। তিনিই সেসব করে দিয়েছে। আমরা শুধু তার হয়ে এগুলো বাস্তবায়ন করেছি।

বিশ্বব্যাংকের প্রজেকশন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক অথবা আইএমএফ বিভিন্ন দেশের জন্য প্রজেকশন করে থাকে, টাইম টু টাইম। বিশ্বব্যাংক আমাদের সম্পর্কে বেশ উচ্ছ্বসিত ধারণা দিলো, এর সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল আছে আমাদের? মূলত আমাদের কাজ আমাদেরই করতে হবে। আমাদের থিওরেটিক্যাল আসপেক্টে না গিয়ে প্রাকটিক্যাল আসপেক্টে ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, উন্নয়ন যাতে আরো বেশি বেশি করতে পারি এবং আমাদের পলিসি পারসপেকটিভে আইডিয়া ছিলে সেগুলো বাস্তবায়ন যেন যথাযথভাবে করতে পারি সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য পূরণ হলে আমরা টাইম টু টাইম প্রজেকশন করি বাস্তবায়ন কতটুকু হলো। কিন্তু তারা কিছু পসিবিলিটি ও অ্যাজামশনের উপর ভিত্তি কর প্রজেকশনটা করে।

শেয়ার

পাঠকের মতামত

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের বই ছাপাতে ৯৪৮ কোটি টাকা অনুমোদন

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও ...

বিশ্বব্যাংক এআই-এর কারণে উন্নত দেশগুলোতে চাকরি হারানোর ঝুঁকি তিন গুণ বেশি

জেনারেটিভ এআই-এর কারণে উন্নত দেশগুলোতে চাকরি হারানোর ঝুঁকি উন্নয়নশীল দেশের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি ...

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য-বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন ও গবেষণা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ...