
কয়েক বছর আগেও যেখানে এক ব্যাংকের চেক অন্য ব্যাংক গ্রহণ করত না। পরে চেক গ্রহণ করলেও সেই টাকা জমা হতে বেশ কয়েক দিন সময় লেগে যেত। আবার টাকা পাঠানোর জন্য কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবসাও ছিল জমজমাট। কেনাকাটা ও লেনদেনের পুরোটাই হতো নগদ টাকায়। তবে ২০২০ সালে করোনাভাইরাস সবকিছুই উল্টে দিয়েছে। ওই সময় দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় ইন্টারনেট ব্যবহারের বিপ্লব ঘটে। এরপর থেকে ধারাবাহিক বাড়ছে ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে লেনদেন। চলতি বছরের জুনের তুলনায় জুলাইয়ে ঘরে বসে টাকা লেনদেনের সংখ্যা ও পরিমাণ বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য ওঠে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও অ্যাপস ব্যবহার করে চলতি বছরের জুন মাসে লেনদেন হয়েছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা। আর পরের জুলাই মাসে লেনদেনের পরিমাণ দাড়িয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭০ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসে ইন্টারনেট ব্যবহার করে লেনদেন বেড়েছে ৮ হাজার ৫৩৫ কোটি।
ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের কারণে দেশের ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের বিস্তার ঘটছে। সাম্প্রতিক সময়ে তা আরও বেড়ে গেছে। গ্রাহকদের একটা অংশ সশরীর ব্যাংকে যাওয়ার পরিবর্তে অনলাইন মাধ্যমকে বেছে নেয়। অনেক গ্রাহক সরাসরি ব্যাংকিং বা কেনাকাটা বাদ দিয়ে ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা অলাইনে কেনাকাটা করেছেন। এ কারণে লেনদেন বেড়ে যেতে পারে।
দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে অ্যাপসে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয় ইসলামী ব্যাংকের সেলফিন ও ইন্টারনেট মাধ্যমে। লেনদেনের প্রায় অর্ধেকই করেন ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকেরা। এরপর রয়েছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের অ্যাপস নেক্সাস পে, সিটি ব্যাংকের সিটি টাচ, ব্র্যাক ব্যাংকের আস্থা, ইস্টার্ণ ব্যাংকের স্কাই ব্যাংকিং। এ ছাড়া স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমটিবি স্মার্ট, ঢাকা ব্যাংকের গো অ্যাপসসহ আরও কয়েকটি ব্যাংকের অ্যাপসে ভালো গ্রাহক রয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুনে দেশে ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহারকারী গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ১৩ লাখ ৬৬ হাজার ৫৬৩ জন। আর পরের মাস জুলাইয়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৬ লাখ ৪২ হাজার ৫৯৪ জন। সেই হিসাবে জুলাইয়ে গ্রাহক বেড়েছে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৩১ জন।
তথ্য মতে, জুনে এসব গ্রাহক লেনদেন করেছে ১ কোটি ৮৩ লাখ ৫ হাজার ২৪টি। আর জুলাইয়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩ লাখ ৬১ হাজার ৭৮২ টিতে। অর্থাৎ ১ মাসের ব্যবধানে গ্রাহক ও লেদেন দুটোই বেড়েছে।
একসময় কেনাকাটা ও লেনদেনের পুরোটাই হতো নগদ টাকায়। পরিষেবা বিল পরিশোধের জন্যও ব্যাংকগুলোতে লাইন লেগে থাকত। মোবাইলে টাকা রিচার্জ করতেও প্রতিটি বাজার ও মহল্লায় ছিল একাধিক দোকান। কিন্তু ব্যাংকিং লেনদেনে এখন যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তি। বাড়ছে ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও অ্যাপসনির্ভর ব্যাংকিং সেবা। বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও অ্যাপস দিয়ে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করছেন।
ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও অ্যাপসগুলোর মাধ্যমে হিসাবের স্থিতি জানা, যে কোনো ব্যাংকে টাকা স্থানান্তর, পরিষেবা বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ, টিকিট কেনা, কার্ডের বিল পরিশোধ, মাসিক সঞ্চয় হিসাবে টাকা জমাসহ নানা সুবিধা পাওয়া যায়।
এএ
- ১কোনো প্রতিভা প্রতিবন্ধকতার কারণে থেমে থাকবে না : আইসিটি মন্ত্রী
- ২জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে চরফ্যাশনের তিন থানায় জামায়াতের গণমিছিল
- ৩মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত সম্ভব
- ৪গুলশানে বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি
- ৫যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ২৫ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ঢাকায় আসছেন: মাহদী আমিন
- ৬রিজার্ভ বনভূমিতে গাছ কেটে বন ভূমি দখলের প্রয়াস
- ৭সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী
- ৮চকরিয়ার যাত্রীদের জন্য নতুন ট্রেন চালুর পরিকল্পনার ইঙ্গিত
- ৯অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান: মন্ত্রণালয়
- ১০বিশ্ববিদ্যালয়কে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : ইউজিসি চেয়ারম্যান
- ১চাঁদপুর-শরীয়তপুর সেতু নির্মাণের প্রস্তাব জাপানি প্রতিষ্ঠানের
- ২শ্রীমঙ্গলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান
- ৩ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লুডু খেলা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
- ৪কেশবপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে সচেতনতামূলক র্যালি
- ৫হবিগঞ্জে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ সচেতনতা সভা
- ৬লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
- ৭মেজর সিনহা হত্যা: ছয় বছরেও শেষ হয়নি বিচার
- ৮চাঁদপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস বাগানে
- ৯নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘পুলিশ-ডিবি’ পরিচয়ে প্রতারণা, অভিভাবকদের কাছে অর্থ দাবি
- ১০ফ্যাসিস্ট দল আওয়ামী লীগ দেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল : শিক্ষামন্ত্রী





পাঠকের মতামত